—প্রতীকী চিত্র।
সড়কে দুর্ঘটনার ফলে মৃত্যু রোখার ক্ষেত্রে সরকার দায়বদ্ধ বলে মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের মতে, সংবিধানে ‘জীবনের অধিকার’ নিশ্চিত করা হয়েছে। তার ফলেই সরকার পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য। সড়কে দুর্ঘটনার ফলে মৃত্যুর হার বেড়েছে ভারতে। গত বছরের নভেম্বরে রাজস্থানের ফালোড়ি ও তেলঙ্গানার রঙ্গারেড্ডি জেলায় পরপর দুর্ঘটনায় ৩৪ জনের মৃত্যুর পরে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা শুরু করে শীর্ষ কোর্ট।
এপ্রিল মাসে এই মামলার শুনানির পরে এক নির্দেশে বিচারপতি জিতেন্দ্রকুমার মাহেশ্বরী ও বিচারপতি এ এস চান্দুরকর জানান, ভারতের মোট রাস্তার ২ শতাংশ জাতীয় সড়ক। কিন্তু সেখানেই মোট দুর্ঘটনার প্রায় ৩০ শতাংশ ঘটে। কারণ, পরিকাঠামোর গলদ, আইন ও বিধি উপযুক্ত ভাবে কার্যকর না হওয়া ও প্রশাসনিক ত্রুটি। বিচারপতিদের মতে, ‘‘পথ, বিশেষত দ্রুতগতিতে চলার জন্য তৈরি এক্সপ্রেসওয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি বা পরিকাঠামোর দুর্বলতার জন্য বিপদের করিডর হয়ে উঠতে পারে না। বেআইনি স্থানে পার্কিং ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকার ফলে এক জনেরও প্রাণহানি হলে তা রাষ্ট্রীয় রক্ষাকবচের ব্যর্থতা।’’
সড়কের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ১৩ দফা নির্দেশিকা দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এ জন্য জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, রাজ্যের পূর্ত দফতর ও বর্ডার রোডস অর্গানাইজ়েশনকে যৌথ ভাবে কাজ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ কোর্ট।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে