—প্রতীকী চিত্র।
দেশের প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেই প্রতিষ্ঠিত নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং তাদের কাজে অরাজকতা চলবে না— শবরীমালা মামলার শুনানির সময় আজ এই মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
কেরলের শবরীমালা মন্দিরে সব বয়সি মহিলাদের প্রবেশে ছাড়পত্র দিয়ে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের থেকে আপত্তি ওঠে। সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনগুলি নিয়ে এখন শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে। বিভিন্ন পক্ষ তাদের অবস্থান শীর্ষ আদালতের সামনে তুলে ধরছে। নয় সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের সামনে আজ ছিল শুনানির নবম দিন। শুনানির সময় এ দিন শীর্ষ আদালত বলেছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার অর্থ এই নয় যে তার কোনও কাঠামো থাকবে না। বরং প্রতিষ্ঠানকে সুশৃঙ্খল ভাবে পরিচালনা করতে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন এবং সবকিছুকেই সংবিধানের সীমার ভিতরে থাকতে হবে। শবরীমালার বিষয়টিকে সামনে রেখে সামগ্রিক ভাবে ধর্মীয় স্থানে মহিলাদের বঞ্চিত রাখার প্রশ্ন, ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারের দিকগুলি খতিয়ে দেখছে সাংবিধানিক বেঞ্চ।
সেই সূত্রেই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়টি শুনানিতে উঠে এসেছে। সাংবিধানিক বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ছাড়াও বিচারপতি বিভি নাগরত্ন, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি আসানউদ্দিন আমানুল্লা, বিচারপতি আর মহাদেবনরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। বিচারপতি আসানউদ্দিন আমানুল্লা বলেন, ‘‘নিয়ম বা প্রক্রিয়াকে বাদ দিয়ে কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করাসম্ভব নয়।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে