New Education Bill

বিতর্কিত শিক্ষা বিল নিয়ে ক্ষোভ তৃণমূলের

যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্ষমতা কেন্দ্র কেড়ে নিতে চলেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০০
Share:

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে ২০২৫-এর ডিসেম্বরে লোকসভায় আনা হয়েছিল ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান বিল’। বিলটি লোকসভায় পেশের পরে তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলির আপত্তিতে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হয়। আজ সেই বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এবং সাগরিকা ঘোষ সরব হয়েছেন। সূত্রের খবর, তাঁরা যুক্তি দিয়েছেন, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্ষমতা কেন্দ্র কেড়ে নিতে চলেছে।

এই বিলটির মাধ্যমে ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (ইউজিসি), অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (এআইসিটিই) এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশনের (এনসিটিই) অস্তিত্ব লোপ পেতে চলেছে বলে অভিযোগ সৌগতের। ১৯৫৬-এর ইউজিসি আইন, ১৯৮৭-র এআইসিটিই আইন এবং ১৯৯৩-এর এনসিটিই আইন প্রত্যাহার করে সংস্থাগুলিকে ‘বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান’ নামে একটি নতুন সংস্থার অধীনে আনা হচ্ছে।

সৌগত বলেন, ‘এই বিলের মাধ্যমে বিরোধী শাসিত রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে কেন্দ্র। এটা অগণতান্ত্রিক।’ পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে রাজ্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কী ভাবে একতরফা ভাবে রাজ্যপাল তথা আচার্যেরা ভিসি নিয়োগ করেছেন— সেই প্রসঙ্গ তুলে আনেন তিনি। বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ, এই বিলের মাধ্যমে কেন্দ্র উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উপরে ‘অতিরিক্ত ক্ষমতা’ কুক্ষিগত করতে চাইছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন