ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
মন্দিরের হাতিকে সাজিয়ে সেখান থেকে শোভাযাত্রা বার করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পুরোহিত এবং মন্দিরের আয়োজকেরা। হাতিটিকে সাজানোর জন্য তার পিঠে উঠছিলেন এক ব্যক্তি। নীচে সাজসজ্জার জিনিস নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এক তরুণ। হাতিটি শান্ত অবস্থায় দাঁড়িয়েছিল। হঠাৎ তরুণের পা শুঁড় দিয়ে পেঁচিয়ে তাঁকে শূন্যে তুলে আছড়ে ফেলল মন্দিরের হাতিটি। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘দ্য তত্ত্ব’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক তরুণকে শুঁড়ে পেঁচিয়ে মাটিতে আছড়ে ফেলছে একটি হাতি।
বৃহস্পতিবার এই ঘটনাটি কেরলের ত্রিশূর জেলার অন্নমনাদ মন্দিরে ঘটেছে। প্রতি বছর সেই মন্দিরে বালিয়াভিলাক্কু উৎসব পালন করা হয়। উৎসব উপলক্ষে মন্দিরের হাতিটিকে সাজিয়ে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার শোভাযাত্রার প্রস্তুতি চলাকালীন হাতিটিকে ঘিরে দাঁড়িয়েছিলেন অনেকে। এক ব্যক্তি হাতির পিঠে চড়ে বসতে যাচ্ছিলেন।
সাজসজ্জার জিনিস নিয়ে হাতির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ২৬ বছর বয়সি এক তরুণ। হঠাৎ তরুণের পা শুঁড়ে পেঁচিয়ে তাঁকে শূন্যে তুলে আছড়ে ফেলল হাতিটি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে মন্দিরের ভিতরের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করে। গুরুতর অবস্থায় তরুণকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, তরুণের শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে সেই অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাতিটির মানসিক এবং শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য তৎক্ষণাৎ একটি ‘এলিফ্যান্ট স্কোয়াড’ নিয়োগ করে হাতিটিকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পশু বিশেষজ্ঞদের অধিকাংশের দাবি, জোর আওয়াজ এবং ভিড়ের কারণে হাতিটি এমন আচরণ করতে পারে। এই ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং উৎসবের সময় হাতিদের সুরক্ষার দিকে যেন নজর দেওয়া হয় তা নিয়েও পর্যালোচনা চলছে।