তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। —ফাইল চিত্র।
স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে দলের হয়ে ইনিংস শুরু করার বিষয়টিকে ‘স্বর্গীয় কাজ’ বলে উল্লেখ করে বক্তৃতায় নিজের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর কথায়, “একজন মহিলা সাংসদকে নারী বিদ্বেষী এই সরকার মিথ্যা কারণ দেখিয়ে এথিক্স কমিটিকে দিয়ে বহিষ্কার করেছিল। আমাকে প্রস্তাবে বলতে দেওয়া হয়নি। স্পিকার ন্যায়বিচারের সমস্ত নীতিকে লঙ্ঘন করে আমাকে নিজের যুক্তি দেওয়ার সুযোগটুকুও দেননি। আজ আমি দলের পক্ষ থেকে সেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে বক্তৃতা শুরু করছি।” তাঁর কথায়, “কর্মফল এড়ানো যায় না।”
আজ মহুয়া মনে করিয়ে দেন, বিরোধীদের আনা একটি মুলতুবি প্রস্তাবও গ্রহণ করেননি স্পিকার। তাঁর কথায়, “তিনি (ওম বিড়লা) সব সময়ই সংসদের গরিমার কথা বলে থাকেন। কিন্তু ঘটনা হল, যে মুহূর্তে তিনি লোকসভায় পদার্পণ করেন, গরিমা বিদায় নেয়!” বিড়লার বিরুদ্ধে বিরোধীদের বলতে না দেওয়ার অভিযোগকে তুলে ধরে মহুয়া বলেন, “লোকসভায় বিড়লা একটি শিল্প রপ্ত করেছেন। অবশ্যই সে কাজে তাঁর অভিভাবক রয়েছেন। শিল্পটি হল, যখনই কোনও বিরোধী নেতা কথা বলবেন, তখন করদাতাদের টাকায় চলা সংসদ টিভির মাইক বন্ধ করে আমাদের ব্ল্যাক আউট করে দেওয়া! আর আমরা প্রতিবাদে কিছু বলতে গেলে তিনি বলে থাকেন, এটা নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটি! আসলে সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রকে সার্কাস বানিয়ে ছেড়েছে আর স্পিকার তার রিং মাস্টার! দেশের গণতন্ত্রের জন্য এর থেকে দুঃখের আর কী হতে পারে।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে