SIR Work

একাধিক বুথে একই ভোটার! খোদ মোদীর কেন্দ্রে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন যোগী আদিত্যনাথ সরকারের মন্ত্রী

শনিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী উত্তর বিধানসভায় ঘুরে দেখার পর জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) সত্যেন্দ্র কুমারের সঙ্গে দেখা করেন রবীন্দ্র। জেলাশাসকের হাতে ৯, ২০০ জন ভোটারের একটি তালিকা তুলে দেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:২৯
Share:

(বাঁ দিকে) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (ডান দিকে) গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে এ বার প্রশ্ন তুললেন যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভার সদস্যই! নরেন্দ্র মোদীর লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীর এক বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা উত্তরপ্রদেশের প্রতিমন্ত্রী রবীন্দ্র জয়সওয়াল অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে একাধিক ভোটকেন্দ্রে বেশ কয়েক জন একই ভোটারের নাম নথিভুক্ত করা! তাঁর প্রশ্ন, যদি একই ভোটারের নাম একাধিক বুথের ভোটার তালিকায় থেকে যায়, তবে এসআইআর করে লাভ কী?

Advertisement

শনিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী উত্তর বিধানসভায় ঘুরে দেখার পর জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) সত্যেন্দ্র কুমারের সঙ্গে দেখা করেন রবীন্দ্র। জেলাশাসকের হাতে ৯, ২০০ জন ভোটারের একটি তালিকা তুলে দেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ‘‘আমরা ৯, ২০০টি নাম খুঁজে পেয়েছি, যাঁরা একাধিক স্থানের ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত।’’ যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন রবীন্দ্র। তাঁর দাবি, ‘‘আমরা প্রতিটি ভোটারের নাম শারীরিক ভাবে যাচাই করার পরই ওই তালিকা তৈরি করেছি।’’

সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিয়োয় বারাণসী উত্তরের বিধায়ককে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি বিশ্বাস করি যে ভারতের প্রতিটি ব্যক্তির নাম শুধুমাত্র একটি স্থানের ভোটার তালিকায় থাকা উচিত। যদি একাধিক স্থানে একই ব্যক্তির নাম থাকে, তবে এসআইআর করে কী লাভ? এসআইআরের উদ্দেশ্যই একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ এবং গভীর ভাবে যাচাই করা। তবে তার পরেও আমরা শুধুমাত্র আমার বিধানসভাতেই ন’হাজারের বেশি এমন নাম খুঁজে পেয়েছি।’’

Advertisement

তিন দফায় সময়সীমা বৃদ্ধির পরে গত ৬ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশে এসআইআর-পর্বের প্রথম ধাপের শেষে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। এনুমারেশন ফর্ম জমা ও যাচাই পর্বের পরে যোগীর রাজ্যে খসড়া তালিকায় নাম বাদ গিয়েছে প্রায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ভোটারের। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে আঁচ পেয়ে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আগেই ঘনিষ্ঠমহলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর আশঙ্কা ২০২৭ সালের বিধানসভা ভোটে তাঁকে হারাতে সচেষ্ট প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠ এক প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তবে তিনি কে, তা নিয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাননি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement