Mid Day Meal in Bihar School

বিহারের সরকারি স্কুলে মিড ডে মিল খেয়ে অসুস্থ ৭০ পড়ুয়া! বমি, পেটে ব্যথার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হাসপাতালে, সঙ্কটজনক ১

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মিড ডে মিল খাওয়ার কিছু ক্ষণ পর কয়েক জন পড়ুয়া অসুস্থ বোধ করতে থাকে। তাদের মধ্যে কেউ বমি করছিল, কারও আবার পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:২৯
Share:

হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থ পড়ুয়ারা। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

বিহারের মাধেপুরায় সরকারি স্কুলে মিড ডে মিল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল ৭০ জন পড়ুয়া। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এক পড়ুয়ার অবস্থা সঙ্কটজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মাধেপুরা থানার অন্তর্গত সাহুগড় গ্রামের এক স্কুলে এই ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মিড ডে মিল খাওয়ার কিছু ক্ষণ পর কয়েক জন পড়ুয়া অসুস্থ বোধ করতে থাকে। তাদের মধ্যে কেউ বমি করছিল, কারও আবার পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়। তার পর বিভিন্ন ক্লাস থেকে পড়ুয়াদের অসুস্থ হওয়ার খবর আসতে শুরু করে। একের পর এক পড়ুয়া অসুস্থ হতে শুরু করায় স্কুলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অভিভাবকদের কাছেও খবর যায়। তাঁরা স্কুলে ছুটে আসেন।

স্কুল সূত্রে খবর, মিড ডে মিল খাওয়ার পর পড়ুয়ারা অসুস্থ বোধ করতে থাকে। পেটে যন্ত্রণা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দেয় সকলেরই। সঙ্গে সঙ্গে পড়ুয়াদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। গ্রামবাসীরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। অভিভাবকদের সন্দেহ, খাবারে টিকটিকি পড়েছিল। তারই বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ে পড়ুয়ারা। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেই খাবার সরবরাহ করেছিল। একসঙ্গে এত পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ায় স্কুল কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য দফতরকে বিষয়টি জানান। অ্যাম্বুল্যান্স এবং অন্যান্য গাড়িতে করে পড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিভাবকেরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান।

Advertisement

জেলা শিক্ষা আধিকারিক সঞ্জয় কুমার হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন। এ ছাড়া চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে পড়ুয়াদের অবস্থার কথা জানতে চান। তাঁর কথায়, ‘‘সব পড়ুয়ার ঠিক মতো চিকিৎসা চলছে। যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খাবার সরবরাহ করেছিল, তাদের শোকজ় করা হয়েছে। মিড ডে মিলের খাবার পরীক্ষার জন্য গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। কোনও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement