হ্যারিস রউফ। —ফাইল চিত্র।
গত বছর এশিয়া কাপ ফাইনালে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন পাকিস্তানের হ্যারিস রউফ। ভারত-পাক সুপার ফোরের ম্যাচে উইকেট নেওয়ার উচ্ছ্বাসে রাফাল যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানোর ইঙ্গিত করেছিলেন হাতের মুদ্রায়। এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা হয়নি পাক জোরে বোলারের। ক্রিকেটীয় ব্যস্ততা না থাকায় হালকা মেজাজে রয়েছেন রউফ। তাতেও ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ বিদ্রুপ করেছেন পাক ক্রিকেটারকে।
শনিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলেছেন সলমন আলি আঘারা। নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারতে হারতে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। সে দিনই সমাজমাধ্যমে রউফের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সতীর্থ জোরে বোলার হাসান আলিকে নিয়ে ঘুড়ি ওড়াতে দেখা গিয়েছে পাক জোরে বোলারকে। তাঁর এক বন্ধু ভিডিয়োটি পোস্ট করেছেন সমাজমাধ্যমে। তিনিই গত এশিয়া কাপের সময় ভারতের সিঁদুর অভিযান নিয়ে বিদ্রুপ করে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। সে জন্য তাঁকে শাস্তিও পেতে হয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় বিতর্কিত পাক বোলারের ঘুড়ি ওড়ানোর ভিডিয়ো দেখে বিদ্রুপ করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ। খোঁচা দিয়ে পাক জোরে বোলারকে তাঁরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, এশিয়ার কাপের সময় বিমান ওড়ানোর কথা। কেউ কেউ বলেছেন, ক্রিকেটে মন দিলে পরের বিশ্বকাপের সময় ঘুড়ি ওড়াতে হবে না।
প্রাথমিক ভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বিবেচনার মধ্যে ছিলেন রউফ। একটা সময় পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তানের অন্যতম সেরা জোরে বোলার ভাবা হত। কিন্তু মাইক হেসন পাকিস্তানের কোচ হওয়ার পর দলে সে ভাবে সুযোগ হচ্ছে না রউফ। ম্যাচের তিন পর্যায়ে ভাল বল করতে না পারায় পিছিয়ে পড়েছেন। দল নির্বাচনের পর হেসন বলেছিলেন, ‘‘হ্যারিস রউফ, ওয়াসিম জুনিয়র এবং আহমেদ ড্যানিয়েলও বিবেচনার মধ্যে ছিল। শেষ পর্যন্ত ওদের দলে রাখা গেল না। কারণ শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ এবং সলমন মির্জা ইনিংসের শুরুতে, মাঝে এবং শেষ দিকে বল করতে পারে। ওরা এই জায়গায় পিছিয়ে পড়েছে।’’
গত সেপ্টেম্বরেও পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন রউফ। ফর্ম ধরে রাখতে না পারায় জায়গা হারিয়েছেন। ভারতের বিরুদ্ধে ফাইনালে ভাল পারফর্ম করতে পারেননি। ৩.৪ ওভার বল করে কোনও উইকেট পাননি। দিয়েছিলেন ৫০ রান। হাসান গত বছর এশিয়া কাপের দলেও সুযোগ পাননি।