শুধুই পর্যটন নয়, ‘নমামি ব্রহ্মপুত্র’ উৎসবে বাংলাদেশ ও ভুটানের সঙ্গে জলপথ যোগাযোগ বৃদ্ধির উপরে গুরুত্ব দেবে অসম সরকার। চালু হবে বিমানবন্দর পর্যন্ত জল ট্যাক্সি।
৩১ মার্চ পাঁচ দিনের উৎসবের সূচনা করবেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। আসবেন দলাই লামাও। ২১টি জেলা জুড়ে উৎসব চলবে। পরিবহণ মন্ত্রী চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি বলেন, কী ভাবে ব্রহ্মপু্ত্র ব্যবহার করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে সহজে পণ্য পাঠানো যায়—তা উৎসবে তুলে ধরা হবে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রের সবুজ সংকেতও মিলেছে। ৪ এপ্রিলের পর ধুবুরি থেকে শদিয়া পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রে ড্রেজিং শুরু হবে। বাংলাদেশের দিকেও ড্রেজিং করা হবে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের সাহায্যে। মন্ত্রী জানান, কলকাতায় পড়ে থাকা রাজ্যের ১৮টি বার্জও অসমে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। কেন্দ্রের টাকায় সব জেটি আধুনিক করা হবে। বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র ব্যবহার করে বছরে ২০ লক্ষ টন পণ্য পরিবহণ হয়।
পাটোয়ারি আরও জানান, এ বছরের মধ্যেই ব্রহ্মপুত্র ব্যবহার করে গুয়াহাটি থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত জল-ট্যাক্সি চালু হবে। ৫০টি ব্যাটারি চালিত জল-ট্যাক্সি বিমানবন্দরের নিটকবর্তী ঘাট থেকে যাত্রী ফেরি করবে। ঘাট পর্যন্ত নিয়ে যাবে এএসটিসির বাস। অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহণের অধিকর্তা ভারতভূষণ দেব চৌধুরি জানান, ফ্যান্সি বাজার ঘাট থেকে জলপথে বিমানবন্দর যেতে মাত্র ১৮ মিনিট লাগে। সেখানে স্থলপথে যেতে লাগে এক ঘণ্টা। বিমান ভাড়ার সঙ্গেই জল ট্যাক্সির ভাড়া যোগ করার ব্যাপারে বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে কথাও চলছে। নমামির হাত ধরেই, ইংরেজ আমলে চালু থাকা গোলাঘাটের ধনসিরি ঘাট থেকে শোণিতপুরের গোমারি ঘাট পর্যন্ত নৌ চলাচলও শুরু করা হবে।