Viral Video

দিদার গায়ে রং দেওয়ার ভয়ঙ্কর ‘শাস্তি’, ৪ বছরের নাতির গায়ে ফুটন্ত জল ঢেলে দিলেন বৃদ্ধা! ভাইরাল ভয়ঙ্কর ভিডিয়ো

রাগের বশে নাতির গায়ে গরম জল ঢেলে দেন বৃদ্ধা। গরম জল গায়ে পড়তেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে শুরু করে সেই বালক। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক কিশোরী সঙ্গে সঙ্গে বালকের গায়ে ঠান্ডা জল ঢেলে দেয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬ ১২:৩১
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

দোলের সময় পড়াশোনা থেকে ছুটি। সকাল থেকে কখনও খেলাধুলা নিয়ে, কখনও আবার রং খেলা নিয়ে ব্যস্ত খুদে। কিন্তু দিদাকে রং মাখাতে গিয়ে ভয়ানক বিপদের সম্মুখীন হল সে। খেলার ছলে দিদাকে রং মাখাতে গিয়েছিল। তখনই রাগের মাথায় ৪ বছরের নাতির গায়ে গরম জল ঢেলে দিলেন বৃদ্ধা। আহত অবস্থায় বালকটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)

Advertisement

‘সূরজ কুমার বৌদ্ধ’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক বৃদ্ধা জলভর্তি বালতি নিয়ে হাঁটছিলেন। তখন তাঁর নাতি খেলার ছলে তাঁকে রং মাখাতে যায়। রাগের বশে নাতির গায়ে গরম জল ঢেলে দেন বৃদ্ধা। গরম জল গায়ে পড়তেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে শুরু করে সেই বালক। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক কিশোরী সঙ্গে সঙ্গে বালকের গায়ে ঠান্ডা জল ঢেলে দেয়। বৃদ্ধাও পরে তাঁর নাতির গায়ে এক বালতি জল ঢালেন।

ঘটনাটি মঙ্গলবার নাগপুরের কোরাদি এলাকায় ঘটেছে। ৬০ বছর বয়সি বৃদ্ধার নাম সিন্ধু ঠাকরে। ৪ বছর বয়সি বালকের নাম ওম ভাঙ্গে। পড়াশোনার কারণে ওম তার মামা এবং দিদার সঙ্গে থাকে। ওমের বাবা-মা থাকেন খপরখেদার চঙ্কাপুর এলাকায়। দোলের দিন দিদাকে রং মাখাতে গিয়ে বিপদে পড়ে ওম। নাতি যে রং মাখাতে আসছে, তা মোটেই পছন্দ হয়নি দিদার। বিরক্ত হয়ে, রাগের বশে নাতিকে দূরে সরাতে হাতে ধরা বালতি থেকে ওমের গায়ে গরম জল ঢেলে দেন তিনি। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে ওম।

Advertisement

বিন্দুমাত্র দেরি না করে ৪ বছরের বালককে আহত অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার শরীরের ১৮ থেকে ২০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। বর্তমানে বালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী ১১৭ নম্বর ধারায় বৃদ্ধার বিরুদ্ধে কোরাদি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই অপরাধ প্রমাণিত হলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। কিন্তু তাঁর বয়সজনিত কারণে এখনও পর্যন্ত বৃদ্ধাকে গ্রেফতার করা হয়নি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement