Developmemnt of Tribal

জনজাতি উন্নয়নে সাফল্যের প্রমাণ পশ্চিমবঙ্গ: শাহ

রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করতে উদ্যোগী হওয়ায় জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের মনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তাঁদের সামাজিক রীতিনীতিতে এর প্রভাব পড়বে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ০৮:০৫
Share:

অমিত শাহ। ফাইল চিত্র।

দেশের জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের বিজেপির উপরে আস্থার প্রমাণ দিতে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সাফল্য তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

রবিবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লা ময়দানে সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন ‘জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ’ ও ‘বনবাসী কল্যাণ আশ্রম’ গোটা দেশের জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে ‘জনজাতি সাংস্কৃতিক সমাগম’-এর আয়োজন করেছিল। সেখানে অমিত শাহ বলেন, ‘‘অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকার দেশে প্রথম জনজাতি উন্নয়ন মন্ত্রক চালু করেছিল। নরেন্দ্র মোদী সরকার সেই কাজকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। তারই প্রমাণ হল, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তফসিলি জনজাতির জন্য সংরক্ষিত ১৬টি আসনের মধ্যে ১৬টি আসনেই বিজেপি জিতেছে।

রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করতে উদ্যোগী হওয়ায় জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের মনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তাঁদের সামাজিক রীতিনীতিতে এর প্রভাব পড়বে। মোদী সরকার দেশে মাওবাদী সমস্যা মিটে গিয়েছে বলে ঘোষণার পরেও প্রশ্ন উঠেছে, এ বার কি জনজাতি অধ্যুষিত এলাকার ‘জল-জঙ্গল-জমিন’ খনিজ উত্তোলনের জন্য বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে? এরই মধ্যে সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ প্রচার করছে, যে সব জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ ধর্মান্তরণ করেছেন, তাঁদের তফসিলি জনজাতি বা এসটি তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত।

বিরোধীরা জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে এই আশঙ্কার সুযোগ নিতে চাইছে দেখে আজ অমিত শাহ বার্তা দিয়েছেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হলেও জনজাতির সংস্কৃতি, সামাজিক পরম্পরায় কোনও প্রভাব পড়বে না। শাহ বলেন, ‘‘ষড়যন্ত্রমূলক প্রচার করা হচ্ছে যে এর ফলে জনজাতিদের সামাজিক পরম্পরা, সংস্কৃতিতে প্রভাব পড়বে। আমি নরেন্দ্র মোদী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বলছি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির ফলে জনজাতিদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে না। বিজেপি সরকার গুজরাত ও উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করেছে। সেখানে জনজাতির সামাজিক রীতিনীতিকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। আপনারা গ্রামে, জঙ্গলে, পাহাড়ে গিয়ে এ বিষয়ে জনজাতি সমাজের মানুষকে সচেতন করুন।’’

মাওবাদী সমস্যার সমাধান নিয়ে শাহ বলেছেন, যে সব এলাকা এত দিন মাওবাদী অধ্যুষিত ছিল, সেখানে এ বার উন্নয়নের কাজ শুরু হবে। যেখানে এত দিন নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্প ছিল, সেখানে এ বার জনসুবিধা কেন্দ্র তৈরি হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন