Baba Siddique Murder Case

সিদ্দিকিকে মারতে কেন অন্য দুই রাজ্য থেকে আনা হয় খুনিদের? ভিন্‌রাজ্যে কী সুবিধা? জানিয়েছেন ধৃত

সিদ্দিকি খুনে এখনও পর্যন্ত ন’জনকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে এক জন তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, কেন ভিন্‌রাজ্য থেকে ভাড়াটে খুনি আনা হয়েছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৪ ১৩:৪৭
Share:

মহারাষ্ট্রের এনসিপি নেতা (অজিত পওয়ার গোষ্ঠী) বাবা সিদ্দিকি। —ফাইল চিত্র।

এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকিকে মারতে কেন হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্য থেকে ভাড়াটে খুনি আনা হয়েছিল? কেন মহারাষ্ট্রের কোনও দুষ্কৃতীকে এই কাজের বরাত দেওয়া হয়নি? পুলিশি জেরার মুখে সে কথা জানিয়েছেন এক অভিযুক্ত। সূত্রের খবর, আর্থিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সিদ্দিকি খুনের মূলচক্রী শুভম লোঙ্কার। তাঁকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

Advertisement

সিদ্দিকি খুনে এখনও পর্যন্ত ন’জনকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। তাঁদের মধ্যে যাঁরা গুলি চালিয়েছিলেন, তাঁরাও আছেন। শুক্রবারই রায়গড় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচ জনকে। ধৃতদের মধ্যে এক জন তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গেই এই খুনের বিষয়ে প্রথম পরিকল্পনা করেছিলেন শুভম। সিদ্দিকিকে গুলি করে খুনের বরাত দেওয়া হয়েছিল তাঁকেই। কিন্তু তিনি পরিবর্তে যে পরিমাণ টাকা দাবি করেছিলেন, তা শুভম দিতে রাজি হননি। সেই কারণে চুক্তি ভেস্তে যায়। তবে গোটা পরিকল্পনার সঙ্গে প্রথম থেকেই ছিলেন অভিযুক্ত।

পুলিশকে ওই যুবক জানিয়েছেন, তিনি মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাই তাঁর রাজ্যে সিদ্দিকির রাজনৈতিক এবং সামাজিক গুরুত্ব কতটা, বিনোদন জগতে তিনি কত গুরুত্বপূর্ণ, তাঁকে খুন করার পর কতটা গভীর প্রভাব পড়তে পারে, সে সম্বন্ধে তাঁর নিজের ধারণা ছিল। তিনি নিজে এই কাজের জন্য ১ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। তাতে রাজি হননি শুভম। এর পরেই তিনি অন্য রাজ্যে ভাড়াটে খুনির সন্ধান করেন। কারণ, তিনি জানতেন, অন্য রাজ্যের কেউ মহারাষ্ট্রে সিদ্দিকির গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবেন না। ফলে কম পারিশ্রমিক চাইবেন। হয়েছিলও তা-ই। হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে যে ভাড়াটে খুনিদের ডাকা হয়েছিল সিদ্দিকিকে মারতে, তাঁরা অনেক কম পারিশ্রমিকে এই কাজে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন।

Advertisement

গত ১২ অক্টোবর মুম্বইয়ের বান্দ্রায় দশেরার অনুষ্ঠান চলাকালীন সিদ্দিকিকে গুলি করে খুন করা হয়। তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি চালায় আততায়ীরা। পুলিশের দাবি, মুম্বইয়ের জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিশ্নোইয়ের গোষ্ঠী এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে। ঘটনার পরে বলিউড অভিনেতা সলমন খানের নিরাপত্তাও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে সলমনের থেকে পাঁচ কোটি টাকা দাবি করে হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement