বারাণসী-জট কাটিয়ে নাম ঘোষণা হতে পারে আজই

মুরলীমনোহর জোশীকে বুঝিয়ে আগামিকালই নরেন্দ্র মোদীর নাম বারাণসী আসন থেকে ঘোষণা করে দিতে চাইছেন সভাপতি রাজনাথ সিংহ। আজ দিনভর উত্তরপ্রদেশের আসন নিয়ে আলোচনা করেন রাজনাথ। সেই বৈঠকে অমিত শাহ, সঙ্ঘের নেতারা ও উত্তরপ্রদেশের শীর্ষ নেতৃত্বও উপস্থিত ছিলেন। মোদী এখন দিল্লিতেই রয়েছেন। রাতে মোদীর সঙ্গেও রাজনাথের কথা হয়। রাজনাথ শিবির সূত্রের খবর, আগামিকালই বারাণসী আসন থেকে মোদীর নাম যাতে ঘোষণা করা হয়, তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০১৪ ০৪:০১
Share:

মুরলীমনোহর জোশীকে বুঝিয়ে আগামিকালই নরেন্দ্র মোদীর নাম বারাণসী আসন থেকে ঘোষণা করে দিতে চাইছেন সভাপতি রাজনাথ সিংহ।

Advertisement

আজ দিনভর উত্তরপ্রদেশের আসন নিয়ে আলোচনা করেন রাজনাথ। সেই বৈঠকে অমিত শাহ, সঙ্ঘের নেতারা ও উত্তরপ্রদেশের শীর্ষ নেতৃত্বও উপস্থিত ছিলেন। মোদী এখন দিল্লিতেই রয়েছেন। রাতে মোদীর সঙ্গেও রাজনাথের কথা হয়। রাজনাথ শিবির সূত্রের খবর, আগামিকালই বারাণসী আসন থেকে মোদীর নাম যাতে ঘোষণা করা হয়, তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যদি দলের সকলের আপত্তি দূর করা সম্ভব হয়, তবে কালই মোদীর নাম ঘোষণা করে দিতে পারেন দলের সভাপতি। সে ক্ষেত্রে দোলের আগেই এই ঘোষণায় দলের মনোবলের উপরেও ছাপ পড়বে। ইতিমধ্যেই গুজরাতের বিজেপি নেতারা মোদীর জন্য একাধিক নিরাপদ আসন বেছে রেখেছেন। তবে দোলের আগে এই সময়টা অনেকেই অশুভ মানেন। সে ক্ষেত্রে অনেকেই চাইছেন, সিদ্ধান্ত হয়ে গেলেও মোদীর নাম দোলের পরেই ঘোষণা করতে।

বিজেপি সূত্রের মতে, আগামিকালের বৈঠকের পর দোলের পরেও আর একটি বৈঠক করা হবে। দলের বড় বড় নেতারা কোথা থেকে লড়বেন, সেটি প্রথমে স্থির করতে হবে। কারণ, একটি আসনের সঙ্গে অন্যটি যুক্ত। গত কাল সুষমা স্বরাজের নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, কারণ বিদিশা কেন্দ্রে কোনও বিতর্ক নেই। কিন্তু মোদী যেমন প্রথম বার লোকসভা লড়তে চাইছেন, তেমনই অরুণ জেটলির ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। আবার লালকৃষ্ণ আডবাণীর গাঁধীনগর আসনটি নিশ্চিত হলেও তাঁকে অন্য আসন থেকে লড়ানোর আলোচনা চলছে। তাঁকে যেমন ভোপাল থেকে লড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তেমনই গুজরাতেও গাঁধীনগরের বদলে আমদাবাদে প্রার্থী করার কথা চলছে। তেমনই উত্তরপ্রদেশে জোশীকে বারাণসী থেকে সরালে তিনি নিরাপদ আসন চান। সেটি কানপুর না ভোপাল, সেটিও স্থির করতে হবে। আবার জেটলিকে পঞ্জাবের অমৃতসর আসন থেকে লড়ানোর সিদ্ধান্ত হলে সেই কেন্দ্রের সাংসদ নভজ্যোত সিংহ সিধুকে দিল্লি বা কুরুক্ষেত্র আসনে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হবে। সিধু অবশ্য দলকে জানিয়েছেন, তিনি অমৃতসর থেকে না লড়লে আর কোনও কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হবেন না।

Advertisement

গত কাল নাম ঘোষণার পর থেকে দলে ক্ষোভ-বিক্ষোভের পর্ব শুরু হয়েছে, তাতে দলের নেতারা সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন। সুষমা স্বরাজ আজ রাতে টুইট করে বলেছেন, তাঁর ঘোরতর আপত্তি সত্ত্বেও কর্নাটকে শ্রীরামুলুকে দলে নেওয়া হয়েছে। কাল বিহারের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর মোদী-অনুগামী নেতা গিরিরাজ সিংহ সোজা দিল্লি এসে রাজনাথ সিংহের বাড়িতে যান ক্ষোভ জানাতে। তাঁকে বোঝানো হয়, নাওয়াদা কেন্দ্রটি নিরাপদ। বেগুসরাইও তাঁকে বেগ দেবে না, যে আসনটি তিনি চাইছেন। আবার ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ তাঁর ছেলেকে প্রার্থী করাতে চাইছেন। তাতেও দলের অনেকে আপত্তি তুলেছেন। এই অবস্থায় দলের নেতারা চাইছেন, সব সঙ্কট কাটিয়েই মোদীর নাম ঘোষণা করা হোক।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement