মশারি কেলেঙ্কারি, চাঞ্চল্য করিমগঞ্জে

একটি মশারির দাম ৬৬৫ টাকা। করিমগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগে এমনই ২৪ হাজার মশারি সরবরাহের কথা ছিল গুয়াহাটির একটি সংস্থার। অভিযোগ, একটি মশারি না দিয়ে স্বাস্থ্যকর্তাকে দিয়ে ‘চালান মেমো’তে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে গিয়েছেন ওই সংস্থার কর্মীরা! এতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে করিমগঞ্জে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০১৫ ০২:৪৬
Share:

একটি মশারির দাম ৬৬৫ টাকা। করিমগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগে এমনই ২৪ হাজার মশারি সরবরাহের কথা ছিল গুয়াহাটির একটি সংস্থার। অভিযোগ, একটি মশারি না দিয়ে স্বাস্থ্যকর্তাকে দিয়ে ‘চালান মেমো’তে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে গিয়েছেন ওই সংস্থার কর্মীরা! এতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে করিমগঞ্জে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, গত রাতে জেলার যুগ্ম স্বাস্থ্য সঞ্চালক কৃষ্ণা কেম্প্রাইকে দিয়ে চালানে স্বাক্ষর করিয়ে নেন গুয়াহাটির বেসরকারি একটি সংস্থার দুই কর্মী। আজ এ বিষয়ে তিনি বিভাগীয় কর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত নির্দেশকের কাছে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা কৃষ্ণা কেম্প্রাইকে একটি সরকারি চিঠি দিতে এসেছিলেন। তিনি স্বাক্ষর করে সেই চিঠিটি গ্রহণ করেন। পরে চিঠির বয়ান দেখে হতবাক হয়ে যান তিনি। কারণ সরকারি চিঠিটিকেই চালান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। অভিযোগ, ম্যালেরিয়া বিভাগের স্টোর কিপার রূপম দাস পরে একটি কাগজ এনে কৃষ্ণা কেম্প্রাইকে স্বাক্ষর করতে বলেন। কিন্তু তাতে ‘ডিলিং স্টাফ’ হিসেবে রূপমের স্বাক্ষর ছিল না। ওই কাগজে যে সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটিও কম্পিউটারে ছাপানো। এ দিন সকালে রূপমকে ডেকে পাঠান যুগ্ম স্বাস্থ্য সঞ্চালক। তিনি তাঁকে মশারির চালানের আসল প্রতিলিপিও নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু রূপমবাবু সেটি দেখাতে পারেননি। এর পরই রূপমবাবুর হাতে কারণ-দর্শাও নোটিস ধরান কেম্প্রাই। এ নিয়ে করিমগঞ্জের জেলাশাসককে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে তদন্ত করানোর আর্জি জানিয়েছেন যুগ্ম স্বাস্থ্য সঞ্চালক।

Advertisement

করিমগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অনেকেই জ্বরে আক্রন্ত হচ্ছেন। সে দিকে তাকিয়ে গত মে মাসে ২৭ হাজার মশারি জেলার ৫টি বিধানসভা এলাকায় বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement