রাস্তায় পিচ চায় মালুগ্রাম

রাস্তা মেরামতির দাবিতে সরব হলেন বৃহত্তর মালুগ্রামের মানুষ। কাছাড় কলেজের সামনে থেকে ইটখলা হয়ে মেলা রোড ও শিববাড়ি রোড ভরেছে খানাখন্দে। কোথাও বিটুমিনের চিহ্নমাত্র নেই।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০১৫ ০৩:০৮
Share:

রাস্তা মেরামতির দাবিতে সরব হলেন বৃহত্তর মালুগ্রামের মানুষ।

Advertisement

কাছাড় কলেজের সামনে থেকে ইটখলা হয়ে মেলা রোড ও শিববাড়ি রোড ভরেছে খানাখন্দে। কোথাও বিটুমিনের চিহ্নমাত্র নেই। এ নিয়ে স্থানীয় নাগরিকরা দফায় দফায় পূর্ত বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে দেখা করলেও ফল মেলেনি। পুজোর মুখে গর্তের উপর কিছু পাথর ফেলে মাটিচাপা দেওয়া হচ্ছে। তাতে স্থানীয় মানুষ আরও ক্ষুব্ধ। দু’দিন আগে খাসিয়াপট্টির মুখে তাঁরা এ রকম কাজের প্রতিবাদ জানান। এলাকার পুরসদস্য বিজেন্দ্রপ্রসাদ সিংহ বলেন, ‘‘পিচ ঢালাই না করা হলে ওই কাজ অর্থহীন।’’

আজ ‘ইয়ুথ অ্যাগেনস্ট সোশ্যাল ইভিল’ (ইয়াসি) নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা পূর্ত বিভাগের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এ কে চন্দের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা স্মারকপত্র দিয়ে জানান, পুজোর মুখে বৃহত্তর মালুগ্রামের রাস্তা আপাতত চলাচলের উপযোগী করে তোলা হোক। নভেম্বরের মধ্যে ভাল ভাবে সংস্কারের কাজ শুরু করতে হবে। না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।

Advertisement

নভেম্বেরে কাজ শুরুর অপেক্ষা না করেই ওই সংগঠন অবশ্য আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। সেটির সভাপতি সঞ্জীব রায় জানিয়েছেন, ২৫ অক্টোবর সকাল ১১টায় নাগরিক সভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তাঁরা প্রাথমিক আলোচনা সেরে রাখবেন।

এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার চন্দবাবু জানান, পুজোয় চলাফেরার জন্যই গর্ত ভরাটের কাজ চলছে। খাসিয়াপট্টিতে স্থানীয় বাসিন্দারা তা নিয়ে আপত্তি করায় সেখানে কাজ বন্ধ রয়েছে। মালুগ্রামের বাকি সব জায়গায় কাজ হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘১ হাজার ৩৭৯ মিটার রাস্তা নির্মাণের জন্য এপ্রিলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’’ কংক্রিট ব্লক দিয়ে রাস্তাটি তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এখন বিভাগীয় অনুমোদন ও মঞ্জুরির অপেক্ষায়। সে জন্য নিয়মিত চাপ সৃষ্টি করে চলেছেন বলেও দাবি করেন চন্দবাবু।

এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘‘বর্তমানে যে গর্ত ভরাটের কাজ চলছে, সে জন্য টাকার মঞ্জুরি নেই।’’ এর পরও তিনি ঝুঁকি নিয়ে ঠিকাদারদের অনুরোধ করে শহরের গর্তগুলি ভরাট করাচ্ছেন। পরে তাঁদের বিল মেটানো হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement