সরকারি প্রকল্পে গাফিলতি হলে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

দুঃস্থ নাগরিকদের জন্য সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে গাফিলতির ন্যুনতম অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন করিমগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এড্‌ সেন্টারের সচিব শাহ সৈয়দ আহাদুর রহমান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০১৬ ০৩:২১
Share:

দুঃস্থ নাগরিকদের জন্য সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে গাফিলতির ন্যুনতম অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন করিমগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এড্‌ সেন্টারের সচিব শাহ সৈয়দ আহাদুর রহমান।

Advertisement

আজ সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, ‘‘বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প হিতাধিকারীদের নামে বরাদ্দ করা হয় ঠিকই, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ওই ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা পান না। অভিযোগ দায়ের করেও তাঁরা সুফল পান না।’’ তিনি জানান, দুঃস্থ নাগরিকরা যাতে আইনের মাধ্যমে ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করবে লিগ্যাল এইড সেন্টার।

সচিব আরও বলেন, ‘‘আবাসন প্রকল্পের অধীনে ঘর তৈরির জন্য সরকারি সাহায্যের ক্ষেত্রে প্রথম বা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেলেও, পরে অনেকেই আর টাকা পান না। তাই অনেকে ঘর তৈরির কাজ শেষ করতে পারেন না। এ নিয়ে গ্রামোন্নয়ন সংস্থার পদাধিকারী বা জেলা পরিষদের আধিকারিকের কাছে অভিযোগও দায়ের হয়। কিন্তু কার্যত তাতে কোনও লাভ হয় না।’’

Advertisement

এখন থেকে করিমগঞ্জ জেলায় এ রকম ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন আহাদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘‘এ সব বিষয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করলে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চরম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’ তিনি জানিয়ে দেন, দুর্নীতিতে বড় কোনও সরকারি আধিকারিক জড়িয়ে থাকলেও, তাঁকে রেয়াত করা হবে না। কেউ মামলা করতে চাইলে, তাঁকে সরকারের তরফে আইনজীবী দেওয়া হবে। এ কথা প্রচারের জন্য তিনি গ্রামে গ্রামে সচেতনতা সভা করবেন বলেও জানান। উল্লেখ্য, আহাদুর রহমান করিমগঞ্জের অতিরিক্ত মুখ্য ন্যায় দণ্ডাধীশ থাকাকালীন বিধায়ক সিদ্দেক আহমেদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে বিধায়ককে জেল হাজতেও পাঠিয়েছিলেন। ওই বিধায়কের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছিলেন। অন্য মামলায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে না পারায় সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছিলেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement