বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল (বিবিআইএন) দেশগুলির মধ্যে কী ভাবে ট্রেন চালানো যায় তা নিয়ে দিল্লির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করলেন বাংলাদেশের বিদেশসচিব সহিদুল হক। চার দেশের মধ্যে সড়কপথে যোগাযোগ গড়ে তোলার বিষয়টি অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। তাই এ বার রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার বিষয়ে উৎসাহী সব পক্ষই। ঢাকায় দাঁড়িয়ে এই দেশগুলির মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উপরে গুরুত্ব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।
সড়ক পথে পণ্য পরিবহণে শুল্ক ব্যবস্থা সরল করতে ইতিমধ্যেই চার দেশের যৌথ কমিটি তৈরি হয়েছে। রেলে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও শুল্ক ব্যবস্থা সরল করার চেষ্টা হবে বলে বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর। সংশ্লিষ্ট চার দেশেরই আশা, সড়কের পাশাপাশি রেল যোগাযোগ হলে আন্তঃরাষ্ট্র পণ্য পরিবহণ অনেক বেড়ে যাবে। বাড়বে ব্যবসার সুযোগও। কমবে জিনিসের দাম। তা ছাড়া এই ধরনের যোগাযোগ ভূকৌশলগত দিক থেকেও দিল্লির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে সাউথ ব্লক।
আজ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়েও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন সাহিদুল হক। সামনেই বাংলাদেশ লাগোয়া দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের ভোট। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে অনুপ্রবেশ প্রশ্নে ঢাকাকে বাড়তি পদক্ষেপ করতে অনুরোধ করেছে দিল্লি। ভারতের মতে, ভোটের সময়ে বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে দুষ্কৃতীদের যাতায়াত বেড়ে যায়। বৈঠকে এই গতিবিধি রুখতে ভারতকে সব ধরনের সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি আলোচনা হয়েছে জাল নোট ও গরু পাচার রোখা নিয়েও। তা ছাড়া উপমহাদেশে আইএসের প্রভাব রুখতে কী ভাবে একজোট হয়ে কাজ করা যায় তা নিয়েও ডোভালের সঙ্গে কথা বলেছেন সাহিদুল।