ফুলেল ছাপের নকশা করা স্কার্ট পরার কায়দা। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কখনও ঘামে ভিজে, কখনও বৃষ্টিতে। এমন আবহাওয়ায় জিন্স বা চাপা প্যান্ট মানেই প্যাচপেচে ভাব। এই সময়ে একসময়ে কিনে ইদানীং ভুলে যাওয়া ফুলেল ছাপের স্কার্টগুলির কথা। আকাশের মর্জি বুঝে ফ্যাশন নয়, নিজের মনের রৌদ্রছায়ার খেলাকেই তুলে আনা যায় পোশাকে,
ফুলের নকশা করা স্কার্ট এখন বিশ্ব জুড়ে ফ্যাশনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। র্যাম্প থেকে ছবির দুনিয়ায় এমন স্কার্টের চাহিদা বেড়েছে। কেবল বর্ষা বা গ্রীষ্ম নয়, যে কোনও ঋতুতে সপ্তাহের সাত দিনই পরা যায়। একই স্কার্ট পরা যেতে পারে একাধিক কায়দায়। দিনের বেলায় সাধারণ সাদা টি-শার্ট ও স্নিকার্সের সঙ্গে যেমন মানিয়ে যায়, তেমনই রাতের অনুষ্ঠানে নকশা করা ব্লাউজ়ের সঙ্গেও চমৎকার দেখায়। ক্লাসিক মিডি থেকে মিনি— বিভিন্ন ধরনের ফ্লোরাল স্কার্ট এখন ফ্যাশনের ট্রেন্ডে।
তিন ভাবে পরতে পারেন ফুলছাপ নকশার স্কার্ট—
১. মিনি স্কার্ট
স্ট্রেট কাট হোক বা ব্যান্ডেজ কাট অথবা বেলুনের আকার, র্যাপার হোক বা টেনিস স্কার্ট, কেতাদুরস্ত সাজের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। রঙের সম্ভারও নেহাত কম নয়। হালকা বেগনি ও গোলাপি প্যাস্টেল শেড থেকে শুরু করে সাদা-কালোতেও স্কার্ট পাওয়া যায়। গ্রীষ্মের দিনে ব্লাউজ়, ট্যাঙ্ক টপ, টি-শার্ট কিংবা ফুলহাতা টপের সঙ্গে অনায়াসেই মিলিয়ে পরা যেতে পারে। পায়ে থাকতে পারে স্নিকার্স, হিল বা হিলছাড়া, ফ্লিপ ফ্লপের মতো জুতো ও চটি।
২. মিডি স্কার্ট
একরঙা হোক বা বহুরঙা, একগুচ্ছ ফুলের ছাপ হোক বা একটি ফুলের— আজানুলম্বিত স্কার্ট সাজে নতুন মাত্রা আনতে পারে। গরমের সময়ে অফিসের সাজের জন্য ফ্ল্যাট জুতো বা ব্যালে ফ্ল্যাটের পাশাপাশি পাম্পস ও স্নিকার্সের সঙ্গেও ভাল মানিয়ে যাবে। আর উপরে ক্রপ টপ, কর্সেট, ট্যাঙ্ক টপ বা একেবারে কলারযুক্ত সাদা শার্টের সঙ্গে পরতে পারেন মিডি স্কার্ট।
৩. ম্যাক্সি স্কার্ট
ঢাকা থাকে পুরো পা। কখনও আবার র্যাপারও পরা যেতে পারে। ফুলের ছাপযুক্ত নকশা বা সুতোর কাজ করা ফুলছাপ দেওয়া স্কার্টের সঙ্গে শার্টের যুগলবন্দি মন্দ নয়। কখনও কখনও সাধারণ ব্লাউজ়ের সঙ্গেও ভাল লাগে। বাকি দুই স্কার্টের মতো ম্যাক্সি স্কার্টও সব রকমের অনুষ্ঠানেই মানানসই। আর পায়ে? লম্বা স্কার্টের জন্য একটু উঁচু হিলের জুতো পরলে ভাল। বুট্স বা স্টিলেটো আর লম্বা স্কার্টের জুটি বেশ জনপ্রিয়।