নীতা অম্বানী। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
হিরে-জহরতের গয়না থেকে ঐতিহ্যপূর্ণ সাবেক শাড়ি— নীতা অম্বানীর অসাধারণ সংগ্রহের দিকে চোখ থাকে সকলেরই। পুত্র, কন্যার বিয়ে হোক বা প্রাক্-বিবাহের অনুষ্ঠান, সকলকে ছাপিয়ে নীতা ধরা দেন মোহময়ী রূপে। নীতার গয়না, শাড়ি এবং সাজগোজের অপূর্ব মিশেলে প্রতি বারই সকলে মোহিত হন। তিনি মুকেশ অম্বানীর স্ত্রী। পাশাপাশি, রিলায়্যান্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন। তাঁর অধরা এমন কিছুই নেই। তা সে যত মূল্যবানই হোক, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জহুরির মতো সেরার সেরা জিনিসটি বাছাই করে এনে নিজের সংগ্রহে রাখেন তিনি। তবে, শাড়ির ব্যাপারে নীতা খুবই বিচক্ষণ। অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে মুম্বইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে ক্যামেরাবন্দি হলেন মুকেশ-পত্নী। পরনে তাঁর টুকটুকে লাল ঢাকাই শাড়ি।
১৯ এপ্রিল স্বামী মুকেশের জন্মদিন উপলক্ষে সপরিবারে মন্দিরে যান নীতা। এই গরমে খুব বেশি ভারী শাড়ি না পরে ছিমছাম সাজেই ধরা দিয়েছেন নীতা। লাল রঙের ঢাকাই জামদানি পরে নজর কেড়েছেন তিনি। শাড়ি জুড়ে নেই কোনও জরির কাজ। লাল শাড়িতে লাল সুতো দিয়েই হাতে বোনা মোটিফ শাড়ি জুড়ে। ব্লাউজ় বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও নীতা কোনও রকম কনট্রাস্ট বিকল্প বেছে নেননি। জামদানি শাড়ির ব্লাউজ়ই পরেছেন তিনি। বাংলার শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট রেখে দক্ষিণের মন্দিরের আদলের সোনার গয়না পরেছেন নীতা। হাতে লাল, সোনালি চুড়ি। খোলা চুল আর সিঁথিতে চওড়া করে সিঁদুর। একেবারে বাঙালি বধূর বেশে নীতার সাজ হয়েছে বেশ নজরকাড়া।
গরমে একটু বুদ্ধি করে যদি পোশাক বাছাই করা যায়, তবে সাজ যেমন স্বতন্ত্র হয়ে বাকিদের চোখ জুড়োবে, তেমনই নিজে থাকবেন আরামে। গরমে মহিলাদের ক্ষেত্রে তেমনই এক আরামদায়ক পোশাক হতেই পারে শাড়ি। এই গরমে আলমারিতে আনুন গ্রীষ্মকালীন বদল। ভারী কাজের, ভারী পাড়ের শাড়ি, সিল্কের শাড়ি অথবা সিন্থেটিক শাড়িকে আপাতত নাগালের বাইরে রাখুন। বিয়েবাড়ি হোক বা কোনও বিশেষ অনুষ্ঠান, এই গরমে নীতার মতো ঢাকাই শা়ড়ি পরেই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন আপনিও।