হলুদের আইস কিউব কী, কেমন ভাবে ব্যবহার করলে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফিরবে। ছবি: ফ্রিপিক।
রূপচর্চায় হলুদের গুরুত্ব অনেকখানি। ঠাকুরমা-দিদিমাদের আমলের রূপটানের অন্যতম উপাদানই ছিল কাঁচা হলুদ। এখনকার সময়ে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতে ও দাগছোপ দূর করতে হলুদবাটা বা হলুদের প্যাকের চেয়েও বেশি পছন্দের হয়ে উঠেছে হলুদের আইস কিউব। ত্বকের ক্লান্তি দূর করতেও এর ভূমিকা অনেক।
হলুদের আইস কিউব কী ভাবে বানাবেন?
উপকরণ
১ চামচ হলুদগুঁড়ো (কাঁচা হলুদ বাটাও নিতে পারেন)
১ কাপ ফোটানো জল বা গোলাপজল
১ চামচ মধু বা অ্যালো ভেরা জেল
প্রণালী
জল বা গোলাপ জলের মধ্যে হলুদ এবং মধু বা অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে নিতে হবে। এ বার এই মিশ্রণটি একটি আইস ট্রে-তে ঢেলে ফ্রিজে ৪-৫ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। জমে গেলে সেগুলি বার করে ব্যবহার করতে পারেন।
ব্যবহারের নিয়ম
প্রথমে মুখ ভাল করে ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন।
এ বার একটি আইস কিউব নিয়ে সরাসরি মুখে মাখতে পারেন বা একটি পাতলা সুতির কাপড়ে জড়িয়ে হালকা হাতে বৃত্তাকারে মুখে মালিশ করতে হবে।
চোখের চারপাশে, গালে এবং কপালে ১-২ মিনিট ম্যাসাজ করতে হবে।
এর পর মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে নিন।
কেন ত্বকের জন্য ভাল হলুদের আইস কিউব?
হলুদের মধ্যে রয়েছে ‘কারকিউমিন’ নামে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি ব্যবহার করলে ত্বকের রক্ত সঞ্চাল বাড়বে, উন্মুক্ত রন্ধ্রের সমস্যা দূর হবে। ত্বক ভিতর থেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে বা কোথাও যাওয়ার আগে এটি ব্যবহার করলে তৎক্ষণাৎ মুখে ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসবে। মুখের ক্লান্তি দূর হবে, চোখের নীচের ফোলা ভাবও দূর হবে।
ত্বক খুব স্পর্শকাতর যাঁদের এবং ব্রণ-ফুস্কুড়ির সমস্যা বেশি, তাঁদের জন্য হলুদের আইস কিউব খুবই কার্যকরী হতে পারে।
রোদে পোড়া দাগ এবং মেচেতার দাগ দূর করতেও এই আইস কিউব খুবই উপকারী হতে পারে।