শিশুর পুষ্টি হবে, অসুখবিসুখও সারবে, কোন কোন স্যুপ বানিয়ে খাওয়াতে পারেন? ছবি: ফ্রিপিক।
শিশুর বাড়ির খাবারে রুচি নেই। খালি বাইরের খাবারই খেতে চায়। সন্ধ্যা হলে মুখরোচক নানা স্ন্যাক্স খাওয়ার জন্য বায়না করে। এই অভ্যাস ছাড়াতে হলে টিফিনে এমন কিছু বানিয়ে দিন যা সুস্বাদু হবে এবং স্বাস্থ্যকরও।
ঋতু বদলের সময়টাতে নানা অসুখবিসুখ হয় ছোটদের। জ্বর বা যে কোনও অসুস্থতার সময়ে পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে সবচেয়ে ভাল হল স্যুপ। সব্জি দিয়ে হালকা স্যুপ বা চিকেন দিয়ে স্যুপে ভরপুর পুষ্টি থাকে। এতে যেমন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানগুলি ভরপুর মাত্রায় থাকে, তেমনই ফাইবারও পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে। তবে স্যুপ বানাতে হবে নিয়ম মেনে, তবেই তাতে পুষ্টি উপাদানগুলি পাওয়া যাবে।
শিশুকে কী কী স্যুপ বানিয়ে দেবেন?
মুগ ডাল ও সব্জির স্যুপ
সোনা মুগ ডাল (৩ চামচ), গাজরকুচি, পেঁপেকুচি, সামান্য হলুদ ও ঘি নিতে হবে। ডাল ও সব্জিগুলি সামান্য নুন ও হলুদ দিয়ে প্রেশার কুকারে ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। এ বার ভাল করে নেড়ে নিতে হবে। নামানোর আগে এক চামচ ঘি মিশিয়ে দিন। উপরে ধনেপাতা ছড়িয়ে দিতে পারেন। এই স্যুপ খেতে ভাল এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তিও বৃদ্ধি করবে।
ওট্স ও পালং শাকের স্যুপ
১ মুঠো পালং শাক, ২ চামচ ওট্স, ১ কোয়ারসুন নিতে হবে। প্যানে সামান্য মাখন দিয়ে রসুন কুচি ভাজুন। তাতে পালং শাক ও ওট্স দিয়ে জল দিন। ওট্স সেদ্ধ হয়ে গেলে পুরোটা ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। অল্প নুন, গোলমরিচ ছড়িয়ে দিন।
গাজর-বিন-ধনেপাতার স্যুপ
কড়াইতে সামান্য সাদা তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজকুচি দিয়ে মিনিট পাঁচেক ভাজতে থাকুন। পেঁয়াজ নরম হয়ে গেলে ধনেপাতাকুচি ও ছোট ছোট গাজর ও বিন্সের টুকরো দিয়ে দিন। ১ মিনিট ভাল করে নাড়ুন। এ বার গরম জল দিন। গাজর, বিন সেদ্ধ হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। হালকা আঁচেই রান্না হতে দিন। হয়ে এলে একটা হ্যান্ড ব্লেন্ডার দিয়ে পেস্ট করে নিতে হবে। যদি হ্যান্ড ব্লেন্ডার না থাকে, তা হলে গ্যাস থেকে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। তার পর আবার প্যান ঢেলে সামান্য নুন দিন। ধনেপাতা একটু কুচিয়ে নিয়ে উপরে ছড়িয়ে দিন। সামান্য গোলমরিচ ছড়িয়ে দিন। এই স্যুপ প্রোটিনে ভরপুর ও দ্রুত ওজন কমাবে।