Eyes Cooling Tips

চোখে ক্লান্তির ছাপ? নষ্ট হচ্ছে সাজ, ৫ টোটকায় প্রাণবন্ত হবে আঁখিযুগল, শিখে নিন ধাপে ধাপে

শুধু ঘুমের অভাব নয়, গরমের আবহাওয়া, শরীরে জলের ঘাটতি, প্রবল রোদ এবং অ্যালার্জির কারণেও চোখের ক্লান্তি আসতে পারে। ৫টি সহজ টোটকায় আঁখিযুগলের ক্লান্তি দূর করতে পারেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ২০:১৬
Share:

চোখের ক্লান্তি দূর করুন ৫ পন্থায়। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

গরমে ঘাম, উচ্চ তাপমাত্রা, ধুলোময়লা, আর্দ্রতার কারণে চোখ ক্লান্ত দেখাতে শুরু করে দ্রুত। পাশাপাশি চোখের নীচের অংশ ফুলে যায়, কালচে দাগ পড়ে। পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরেও আয়নায় তাকালে চোখের চারপাশে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট দেখা যায়। শুধু ঘুমের অভাব নয়, গরমের আবহাওয়া, শরীরে জলের ঘাটতি, প্রবল রোদ এবং অ্যালার্জিও এর জন্য দায়ী হতে পারে। চোখের চারপাশের ত্বক খুবই পাতলা হওয়ায় সেখানে সামান্য পরিবর্তনও সহজে নজরে আসে। ফলে ফোলা ভাব বা কালচে ছোপ দেখা দিলে মুখের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্যও কমে যায়।

Advertisement

ক্লান্ত চোখের সমস্য়া দূর করুন। ছবি: সংগৃহীত

৫টি সহজ টোটকায় আঁখিযুগলের ক্লান্তি দূর করতে পারেন

১ ঠান্ডা সেঁক: চোখের ক্লান্তি দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ঠান্ডা সেঁক। পরিষ্কার কাপড় ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে বা ঠান্ডা শসার টুকরো অথবা ঠান্ডা চামচ কয়েক মিনিট চোখের উপর রাখলে রক্তনালির স্ফীতি কমতে পারে। এতে ফোলাভাবও কিছুটা কমে।

Advertisement

২. টি ব্যাগ: গ্রিন টি বা এমন কোনও চায়ের টি-ব্যাগ ঠান্ডা করে নিয়ে চোখের উপর রাখতে হবে। এতে ঠান্ডা সেঁকের পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং ক্যাফিনের গুণও পৌঁছোবে। এর ফলে চোখের চারপাশে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এব‌ং ফোলা ফোলা ভাবও কমে যাবে।

৩. পর্যাপ্ত জলপান: গরমে শরীরকে আর্দ্র রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত জল খেলে শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং ফোলাভাব কমতে সাহায্য করে। নয়তো জলশূন্যতা থেকে চোখ-মুখে ক্লান্তির ছাপ পড়তে পারে।

৪. সূর্য থেকে চোখরক্ষা: চোখের চারপাশের ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন। তা ছাড়া রোদচশমা পরে বেরোতে হবে বাইরে। নয়তো এতে দাগছোপ বাড়তে পারে এবং কোলাজেন ভেঙে গিয়ে পরিমাণে কমে যেতে পারে।

৫. নুন কমানো: নুনে থাকে সোডিয়াম। এর মাত্রা বেড়ে গেলে শরীরে তরল পদার্থ জমতে শুরু করে। এর ফলে চোখের চারপাশের অংশও ফুলে যেতে পারে। আর তাই অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, নুন বেশি দেওয়া খাবার অথবা প্যাকেটজাত খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement