ডেনিম এমন এক কাপড়, যা বার বার ব্যবহারের পরেও সহজে নষ্ট হয় না। একটু-আধটু ছিঁড়ে গেলেও রয়ে যায় একই রকম। জিনস হোক বা ডেনিম শার্ট কিংবা জ্যাকেট— বহু বার পরার পরে বাতিলের খাতায়? পুরনো জিনিস ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান অন্য ভাবে।
ডেনিমের আসন
ডেনিমের কাপড় কেটে, জুড়ে বানান এমন আসন। ছবি: ইউটিউব।
সেলাই-ফোঁড়াইয়ের শখ থাকলে ডেনিম দিয়ে বানাতে পারেন আসন কিংবা ছোট গালিচা। প্যান্ট, জ্যাকেট বা শার্ট থেকে একই মাপের চৌকো কাপড় কেটে নিন। রং আলাদা হলেও সমস্যা নেই। ছোট টুকরোর উপর রান সেলাইয়ের ফোঁড়ে তৈরি করুন মনের মতো নকশা। পাতা, ফুল এঁকে সেই আঁকা বরাবর সাদা সুতো দিয়ে বর্ডার দিয়ে দিন সেলাই করে। তার পর প্রতিটি টুকরো একটির সঙ্গে অন্যটি সেলাই করতে থাকুন। আসনের মাপে জোড়া হলে চার পাশ জিন্সের কাপড় দিয়ে মুড়ে দিন। চাইলে তা দিয়ে গালিচাও বানাতে পারেন।
ডেনিমের কোস্টার
রকমারি কোস্টার বানানো যায় ডেনিম দিয়েই। ছবি:ইউটিউব।
জিন্স থেকে চৌকো টুকরো কেটে নিন। দু’টি সমান মাপের টুকরো কাটতে হবে। স্কেলের সাহায্যে চক দিয়ে সেটির উপর অপেক্ষাকৃত ছোট চৌকো খোপ আঁকুন। সেই বক্স জুড়ে কাটা চিহ্ন তৈরি করুন চক দিয়ে। চকের দাগ বরাবর রান সেলাই দিয়ে নিন। ধারের অংশগুলি সমান দূরত্ব ঘেঁষাঘষি করে কেটে দিন। সুন্দর নকশার কোস্টার তৈরি হয়ে যাবে।
পেন-রং রাখার জায়গা
পকেট দিয়ে দেওয়াল সজ্জা। ছবি:সংগৃহীত।
শক্ত বোর্ডে একরঙা তবে হালকা রঙের কাপড় আঠার সাহায্যে আটকে দিন। একাধিক জিনস থেকে রকমারি পকেট সংগ্রহ করুন। কোলাজের মতো করে কাডবোর্ডের উপরে আঠার সাহায্যে পকেটগুলি আটকে দিন। পকেটের চার ধারে আঠা দিতে হবে, মাঝে নয়। এতে পকেটটি ব্যবহারোপযোগী থাকবে। শুধু পকেট নয়, জিন্সের বেল্ট লাগানোর ঘরগুলি কেটেও কায়দা করে লাগাতে পারেন। বোর্ডের ধার বরাবর সুন্দর লেস লাগিয়ে দিন। জিন্সের ব্যাগ থাকলে তার ফিতে কেটে আঠার সাহায্যে কাডবোর্ডের উপর দিকে, সেটি ঝোলানো যায়, এমন ভাবে লাগিয়ে দিন। পকেটের ভিতরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখুন।