পাফার জ্যাকেট গায়ে অভিনেত্রী কিয়ারা আডবাণী। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
কনকনে ঠান্ডাতেও রীতিমতো উষ্ণ পরশ দেয় পাফার জ্যাকেট। খানিক ফোলা, সুতো দিয়ে সেলাই করা জ্যাকেটটি কেতাদুরস্তও বটে। ‘পাফি’ বা ফোলা গঠনের জন্য একে পাফার জ্যাকেট বলা হয়।
এর বাইরের স্তরে সাধারণত সিন্থেটিক কাপড় (যেমন নাইলন বা পলিয়েস্টার) থাকে। জ্যাকেটের ভেতরে ছোট ছোট খোপ বা সেলাই করা ঘর থাকে, যার মধ্যে পাখির পালক অথবা সিন্থেটিক ফাইবার ভরা থাকে। এগুলি শরীর থেকে নির্গত তাপকে আটকে রাখে এবং বাইরের ঠান্ডা থেকে বাঁচায়।
মুশকিল হল গরমের পোশাক যেমন চট করে কেচে ফেলা যায়, পাফার জ্যাকেট বা কোট কিন্তু তা যায় না। বরং জলে চুবিয়ে কাচতে গেলে জিনিসটি নষ্ট হতে পারে। কিন্তু নিয়মিত পরলে সেটি তো ময়লা হবেই। তা হলে পরিষ্কারের উপায় কী?
১। অনেক সময় জ্যাকেটে দাগ লেগে যায়, সেটা খাবার পড়ে গিয়ে হতে পারে বা অন্য ভাবে। এ ক্ষেত্রে দাগের জায়গাটি যত দ্রুত সম্ভব ধুয়ে ফেলা দরকার। শীত পোশাক কাচা যায় এমন তরল সাবান জলে গুলে কাপড়ের সাহায্যে দাগের জায়গাটি ঘষে নিন। তার পর হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। এতে দাগ উঠে যাবে।
২। জ্যাকেটের লেবেলে লেখা থাকে তা কী ভাবে পরিষ্কার করা যায়। জ্যাকেটের চেন, বোতাম আটকে দিন। একটি বড় গামলা বা পাত্রে শীতের পোশাক কাচার তরল সাবান ঠান্ডা জলে গুলে নিন। জ্যাকেটটি খুব আলতো করে তাতে ভিজিয়ে রাখুন। তার পর সিলিকন ব্রাশের সাহায্যে আলতো করে গা ঘষে নিন। জলে ধুয়ে হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। খুব ময়লা হলে তবেই এটি করা দরকার, না হলে নয়।
৩। আধুনিক পাফার জ্যাকেট ওয়াশিং মেশিনে কাচা যায়। তবে লেবেলে দেখে নিন মেশিন ওয়াশ করা সম্ভব কি না। সম্ভব হলে চেন-বোতাম টেনে ঠান্ডা জলে মৃদু সাইকেলে এটি কেচে নিন। তবে ড্রায়ারে দিতে হলে ড্রায়ার বল বা পরিষ্কার টেনিস বল রাখতে হবে, যাতে জ্যাকেটের আকার বা ফোলা ভাব নষ্ট না হয়।
৪। চাইলে ড্রাই ক্লিনিং-এ দিয়েও এই ধরনের জ্যাকেট পরিষ্কার করাতে পারেন। দৈনন্দিন জামা-কাপড়ের মতো দু’দিন অন্তর এটি কাচলে জেল্লা নষ্ট হতে পারে। এর ভিতরের উপাদানও এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। তাই যতটা সম্ভব সাবধানে এই জ্যাকেট ব্যবহার করা দরকার। যত কম কাচা যায়, ততই ভাল।