তারকাদের নিয়ে কী মত টলিউডের রূপটান শিল্পী সোমনাথ কুন্ডুর। ছবি: সংগৃহীত।
সোমনাথ কুন্ডু: নতুন কোনও তরুণ মুখ দেখতে চাই। সেটা শাসকদলের হতে পারে বা নতুন কোনও দল থেকেও হতে পারে।
সোমনাথ: আমি সব সময়ে প্রার্থী দেখে ভোট দিই।
সোমনাথ: প্রার্থীর যোগ্যতা তো শিক্ষা দিয়ে বিচার করা যায় না। অনেক কম শিক্ষিত মানুষও ভাল কাজ করেন। যা শিক্ষিত মানুষ করেন না। তাই রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ দরকার, যাতে মানুষের কাজটা ভাল ভাবে হয়।
সোমনাথ: মানুষের রুজি-রুটির ব্যাপারটা নিশ্চিত করতাম। আর দেখতাম যেন মহিলারা কাজ শেষে যে কোনও সময়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে। বিপদের ভয়ে যেন তাদের বাড়ি ফেরার সময় বেঁধে দিতে না হয়।
সোমনাথ: আমি মনে করি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ভোটের রাজনীতির বাইরেই থাকা উচিত। সমস্যা অনেক আছে। কিন্তু তা ভোটের প্রচারে সামনে আসার মতো নয়।
সোমনাথ: মানুষ স্বাধীন ভাবে যে রায় দিচ্ছে, তা মেনে নেওয়ার মতো মন তৈরি করতে হবে। কারণ, সেটাই সমস্যার মূলে। শয়তান প্রত্যেকের মধ্যেই রয়েছে, কিন্তু তাকে সরিয়ে ভগবানবোধটাকে জাগানো দরকার।
সোমনাথ: যে দলের কর্মীরা পরিশ্রম করে জেতাল, তাঁদের সঙ্গে নেতা বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারেন না। আইন হওয়া উচিত, ভোটে জিতলে দলে থেকে ৫ বছর কাজ করতেই হবে। দায়িত্ব নিয়ে ফেলে পালানো যাবে না।
সোমনাথ: এটা আসলে সভা গরম করার জন্য বলেন নেতা-নেত্রীরা। কিন্তু এটাও আইন করেই বন্ধ করা উচিত।
সোমনাথ: ঘরে ঘরে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, পর্যাপ্ত খাদ্য-পানীয় আর নিরাপদ বাসস্থান। সোজা কথায় ‘রোটি-কপড়া-মকান’— এটাই বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত।
সোমনাথ: ভাতা তাঁদের পাওয়া উচিত, যাঁরা অপারগ, বৃদ্ধ, পরিবারে রোজগার করার কেউ নেই। তবে সেটা দেড়-দু’হাজারে হবে না। সংসার চালানোর মতো অর্থ দিতে হবে। কিন্তু যাঁরা কর্মঠ, তাঁদের ভাতার লাইনে দাঁড় করানো মানে আসলে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ করা।
সোমনাথ: বিরোধীরা না থাকলে সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবে কে?
সোমনাথ: রাজনৈতিক দল তারকাদের দিয়ে মানুষের মন ভোলায়। তারকারা প্রচারে বাড়ির দোরগোড়ায় যাবে। মানুষ মুগ্ধ হবে। রাজনৈতিক দলগুলো সেই স্টারডম ব্যবহার করে ভোটটা নিতে চায়।
সোমনাথ: এখন যাঁরা রাজনীতি করেন, তাঁরা শুধু নিজেদের কেরিয়ার গোছাতে রাজনীতি করেন। আমার আদর্শ সুভাষচন্দ্র বসু, লালবাহাদুর শাস্ত্রী। যাঁদের মানুষের অধিকার নিয়ে বলার সাহস ছিল।