Howrah TMC

এ বার হাওড়া জেলা পরিষদেও তৃণমূলে ‘বিদ্রোহ’! স্বজনপোষণ, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগে এল অনাস্থা প্রস্তাব

এই জেলা পরিষদে ৪২ জন সদস্যের মধ্যে ৪১ জনই তৃণমূলের। অনাস্থা প্রস্তাবে ২৮ জন স্বাক্ষর করেছেন বলে দাবি জেলা পরিষদ সদস্য তুষারকান্তি ঘোষের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ২০:২৪
Share:

হাওড়া জেলা পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাব আনছেন বিক্ষুব্ধেরা। — নিজস্ব চিত্র।

তৃণমূলে এ বার ‘বিদ্রোহ’ দেখা দিল হাওড়া জেলা পরিষদেও। স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে হাওড়া জেলা পরিষদে। এই জেলা পরিষদে ৪২ জন সদস্যের মধ্যে ৪১ জনই তৃণমূলের। অনাস্থা প্রস্তাবে ২৮ জন স্বাক্ষর করেছেন বলে দাবি জেলা পরিষদ সদস্য তুষারকান্তি ঘোষের। বুধবার প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে লিখিত ভাবে তা জানিয়েছেন ‘বিদ্রোহীরা’।

Advertisement

বিক্ষুব্ধ সদস্যদের অন্যতম তুষারকান্তির দাবি, জেলা পরিষদের কাজে স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি, স্বজনপোষণ হয়েছে। উন্নয়নমূলক কাজকর্মও থমকে গিয়েছে বলে জানান তিনি। হাওড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাবেরী দাস এবং সহ-সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ রয়েছে তুষারকান্তি এবং অন্য বিদ্রোহীদের। অভিযোগ, বার বার তাঁদের কাছে দরবার করা হলেও কোনও কাজ করেননি সভাধিপতি এবং সহ-সভাধিপতি। হাওড়ার গ্রামীণ অংশের প্রতিনিধিদের তেমন কোনও গুরুত্ব দেওয়া হত না বলেও অভিযোগ। তাঁদের কথা শোনা হত না এবং তাঁদের কোনও গুরুত্বও দেওয়া হত না বলেও দাবি। এ সবের প্রতিবাদে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে জানান তুষারকান্তি।

তিনি আরও বলেন, “৪২ জন সদস্যবিশিষ্ট জেলা পরিষদে ৪১ জন তৃণমূল সদস্য। অনাস্থা আনতে গেলে ১৪ জন সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। ইতিমধ্যে ২৫ জন সই করেছেন। আরও কয়েকজন সই করবেন। কর্মাধ্যক্ষদের কয়েকজন তাঁদের নৈতিক সমর্থন করেছেন। সই সংবলিত চিঠি সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই অনাস্থা নিয়ে ভোটাভুটি হবে।” এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তবে এখনও কোনও চিঠি পাননি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement