ছুটির মেজাজেই বিয়ে! তা-ও শহরে বসে।
পুল-সাইড ব্যাচেলার্স পার্টি। তা-ও নিজের পছন্দের থিমে। সাবেক বাঙালি বিবাহ কুঞ্জ থেকে এক্কেবারে বলিউডি কায়দার মণ্ডপ ঘিরে ককটেল এলাকা, যে কোনও স্বাদেই সাজতে পারে বিয়ের আসর। অথবা এক্কেবারে অচেনা কোনও থিম। তার মধ্যেই মন্ত্র পাঠ। বৌভাতের পরেই আবার স্বপ্নের মতো রোম্যান্টিক ককটেল পার্টি। সব এক জায়গায়। যেমন করে হনিমুন প্যাকেজ সাজিয়ে নেওয়া হয়, তেমনই হবে বিয়ের সময়ে। হবে বিগ ফ্যাট
বং ওয়েডিং, কিন্তু ক্লান্তিহীন! ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের সুযোগ যে এখন মিলছে কলকাতাতেও। শহরের একদম কাছে, অথচ এক্কেবারে স্বাদবদল।
বিয়ের সকালে ঝলমলে রোদে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস হোক বা গায়ে হলুদের পরেই একটা মন ভালো করা স্পা— সব রকম আনন্দেই মাতা যায় পরিবারের সক্কলকে নিয়ে। অর্থাৎ, বিয়ের নামে দিন কয়েক প্রিয় জনেদের সঙ্গে জমজমাট আউটিং। নানা রকম নিয়মকানুন-কর্তব্যের ফাঁকেই। অল্প সময়ে বিশেষ মুহূর্তগুলোকে যতটা স্মরণীয় করে তোলা যায় আর কী!
শহরে বসে এমন ভাবেও নিজেদের বিয়ের আসর সাজিয়ে ফেলছে জেন-ওয়াই। শুধু পৌঁছে যেতে হবে আশপাশের কোনও রিসর্টে। স্বপ্নে সাজানো মণ্ডপে বসে বাঁধা পড়া যাবে সাতপাকে। ছুটির মেজাজেই শুরু হবে নতুন জীবন।
নিউ টাউন থেকে মাত্র আধঘণ্টার রাস্তা শিখরপুর। গ্রামের মধ্যে দিয়ে কিছুটা গিয়েই সাজানো রিসর্টে এমনই নানা ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবার-অতিথিদের নিয়ে দিন দুয়েকের জন্য চলে গেলেই হল। বৈদিক ভিলেজের বিয়েবাড়িতে মধ্যরাতের ডিজে-পার্টি থেকে দিনভর অ্যাডভেঞ্জার স্পোর্টস— সবের সুযোগ থাকছে। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, যে কোনও মরসুমেই করা যায় আয়োজন। বিশাল ওয়েডিং লাউঞ্জে ইনডোর-আউটডোর ব্যবস্থা মিলিয়ে জমজমাট হতে পারে বিশেষ দিনটা। এমনকী, ওয়েডিং কেকটাতেও থাকতে পারে সেখানকার শেফের বিশেষ তুকতাক।
থিম বিয়ের ইচ্ছেটাও পূরণ করে নেওয়া যায় এই বৈদিক ভিলেজেই। চার রকমের থিম থেকে বেছে নেওয়া যায় যে কোনওটা। বড়সড় হল আর সামনের সাজানো বাগানটি তৈরি হবে বর-কনের পছন্দ মতো। বিয়ের মেনু করে ফেলা যায় স্বাস্থ্য সচেতন অর্গ্যানিক মতেও। ভিলেজে চাষ হওয়া শাক-সব্জিতেই হয়ে যাবে বিয়ের মহাভোজ।
শহরের দক্ষিণ প্রান্তে বাড়ি হলে ডায়মন্ড হারবার রোড ধরে কিছুটা এগিয়েই আয়োজন করা যায় এমনই স্বপ্ন-সন্ধ্যার। ফোর্ট রায়চক হোক বা গঙ্গা কুটির কিংবা ব্রিদিং আর্থ। সর্বত্রই রয়েছে জমকালো ওয়েডিং পার্টির নানা রকম বন্দোবস্ত। নিজের পছন্দটুকু জানিয়ে দিলেই হয়ে গেল। তেমন ভাবেই হয়ে যাবে নাচ-গান-হুল্লোড়ের রকমারি আয়োজন। এ বার রাজকীয় মেজাজে দিন কয়েকের বিয়ে-পার্বণে মেতে উঠলেই হল।