Healing Tips after Breakup

প্রেম ভেঙেছে! ‘না’ থেকেই জীবনকে আলোর পথে নিয়ে যাবেন কী ভাবে? কষ্ট কাটিয়ে ওঠার ৫ উপায়

প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কষ্ট সামলে ওঠা সহজ ব্যাপার নয় ঠিকই, তবে কষ্টের অধ্যায় কাটিয়ে আলোর পথে চলা যায়। প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে কী ভাবে সামলাবেন নিজেকে?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ১৮:৫৬
Share:

প্রেমে প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা লাঘবের উপায় কী? ছবি:সংগৃহীত।

প্রেমের অনুভূতি ঠিক যতটা মধুর, ঠিক ততটাই য্ন্ত্রণার বিচ্ছেদ। দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ভাঙলে বা অন্যের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হলে মনে হয়, জীবনটা বুঝি শেষ হয়ে গেল। একদিকে অসম্মানিত হওয়া বা না শোনার যন্ত্রণা, অন্য দিকে, সুন্দর মুহূর্ত, ভালবাসার মানুষটিকে আজীবনের মতো হারিয়ে ফেলার কষ্ট যেন ছারখার করে দেয়। প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কষ্ট সামলে ওঠা তাই মোটেই সহজ ব্যাপার নয়। যে মানুষের অনুভূতি যত গভীর, তাঁর কষ্টও তত বেশি। তবে এই জীবনে ‘না’ শোনার দুঃখ জয় করেও এগোনো যায়। কষ্টের অধ্যায় কাটিয়ে আলোর পথে চলা যায়। প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার যন্ত্রণা লাঘবের উপায় কী? কী ভাবে সামলাবেন নিজেকে?

Advertisement

‘না’ মানেই ব্যর্থতা নয়: সম্পর্ক স্বল্প দিনের হোক বা দীর্ঘ দিনের, ভালবাসার মানুষের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হলে কষ্ট হবেই। অনেকেই এই সময়ে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। আত্মমর্যাদা সব সময়েই গুরুত্বপূর্ণ, সেটি মাথায় রাখলে পথচলা অপেক্ষাকৃত সহজ হয়ে যাবে। আত্মসম্মান খুইয়ে ভালবাসা পাওয়ার আশা রাখা অর্থহীন, সেটা নিজেকে বোঝানো প্রয়োজন।

সংযত প্রতিক্রিয়া: অন্য পক্ষের মুখে সম্পর্ক শেষ করার কথা শুনলে অনেক সময়ে রাগ, দুঃখের বিস্ফোরণ হয়। দোষারোপের পর্ব শুরু হয়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে শান্ত রাখা, চুপ থাকা ভাল উপায়। নীরবতার অর্থ দুর্বলতা নয়, বরং নিঃশব্দেও নিজের দৃঢ়তা প্রকাশ করা যায়। উত্তরে ‘ঠিক আছে’ বা সংক্ষিপ্ত কোনও বার্তা দিয়ে ‘ধন্যবাদ’ বলা যেতে পারে। কিংবা একটা শব্দও উচ্চারণ না করে সরে আসা যায়।

Advertisement

হতাশা এবং অপমানের মধ্যে তফাত: ‘না’ শোনায় হতাশা থাকতে পারে। স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণাও থাকতে পারে। ভালবাসার মানুষের থেকে বিচ্ছেদ কষ্টের হলেও, প্রত্যাখ্যানকে অপমান হিসাবে না দেখাই ভাল।

নিজের দিকে নজর: প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সময়টা খুবই কষ্টের এবং হতাশার ঠিকই। তবে সময় সেই কষ্ট লাঘব করতে পারে। কান্না পেলে কাঁদাই যায়। তবে সবসময়ে যা নেই তা নিয়ে না ভেবে, বন্ধু, আত্মীয় বা যাঁদের সঙ্গে ভাল লাগে তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানো যায়। বন্ধুদের কাছে কষ্টের কথা বলেও হালকা লাগতে পারে। একটু জোর করে হলেও, নিজের যা ভাল লাগছে সেই দিকে মন দেওয়া দরকার।

সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করা দরকার: ‘না’ শোনার পরেও অনেকে সম্পর্ক থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারেন না। সঙ্গীর ছবি দেখা, পুরনো চিঠি বা কথোপকথনগুলিতে চোখ রাখা, সঙ্গী বর্তমানে কী করছেন, কার সঙ্গে রয়েছেন সেই দিকে নজর রাখেন। কিন্তু এতে কোনও সুরাহা হয় না। বরং নতুন ভাবে এগিয়ে চলা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করে দেওয়াই ভাল।

সকলের অনুভূতি সমান হয় না, আবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাও এক একজনের এক একরকম হয়। সম্পর্ক ভাঙার পরে যদি মানসিক অবসাদ বা শরীরিক অসুস্থতা গ্রাস করে, তবে অবশ্যই মনোবিদ বা মনোচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement