চিকিৎসার ‘গাফিলতি’তে শিশু ও প্রসূতির মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের প্রশ্নের মুখে পড়ল কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা। এ বার অবশ্য রোগীর মৃত্যু নয়, রোগীর দেহে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সে খবর জানাজানি হতেই তড়িঘড়ি স্যালাইন খুলে নেওয়া হয়। তাতে অবশ্য ক্ষোভ চাপা থাকেনি। এই মর্মে ওয়ার্ডমাস্টারের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই স্যালাইনের প্যাকেটটি নার্সসের কাছে কী ভাবে এল এবং তা কেন ভাল করে না দেখে তা শিশুটিকে দেওয়া হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কর্তব্যরত ওই নার্সের কাছে এই ঘটনার ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে পেটে ব্যাথা নিয়ে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয় তাহেরপুর সি ব্লকের বাসিন্দা বছর পাঁচেকের রিঙ্কি নন্দী। এই দিন রাত থেকেই তার চিকিৎসাও শুরু হয়। কিন্তু শুক্রবার বিকেলে শিশুটির বাবা তপন নন্দীর নজরে আসে তাকে যে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে সেটি মেয়াদ উত্তীর্ণ। বিষয়টি কর্তব্যরত নার্সকে জানালে তিনি তড়িঘড়ি স্যালাইনের প্যাকেট খুলে তা নিজেদের কাছে রেখে দেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানজানি হওয়ার পরে শিশুটির পরিবারের লোকজন বিক্ষোভ দেখান। ছুটে আসেন চিকিৎসকেরা।
তলিয়ে গেল যুবক। স্নান করতে গিয়ে ভাগীরথীর জলে তলিয়ে গেল এক যুবক। নাম দেবাশিস ধারা (২৫)। বাড়ি কালীগঞ্জের পলাশি হাজরাপোতায়। তেজনগর ঘাটে স্নান করতে গিয়ে তিনি জলে তলিয়ে যান।