China's Nostradamus

ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়া থেকে ইরান যুদ্ধ, জোড়া ভবিষ্যদ্বাণী মিলিয়ে চর্চায় ‘চিনা নস্ত্রাদামুস’, তৃতীয়টি মিললেই ‘ধ্বংস’ আমেরিকা!

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের কথা দু’বছর আগেই ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করেন ‘প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রি’র উপস্থাপক অধ্যাপক জুয়েকিন জিয়াং। বেজিঙে দর্শন এবং ইতিহাস পড়ান তিনি। ২০২৪ সালের মে মাসের একটি বক্তৃতায় জিয়াং জানিয়েছিলেন যে ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরবেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে ভূ-রাজনৈতিক চাপের কারণে ইরানের সঙ্গে সম্মুখসমরে নামতে বাধ্য হবেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৯ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫৭
Share:
০১ ১৯

২০২৪ সালেই ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করেছিলেন দ্বিতীয় বারের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে ফিরছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আরও একটি ভবিষ্যকথনও করেছিলেন চিনের ‘প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রি’র উপস্থাপক অধ্যাপক জুয়েকিন জিয়াং। বলেছিলেন, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবল ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে। গত বছর তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে এই দু’টি পূর্বাভাসের কথা জানিয়েছিলেন জিয়াং।

০২ ১৯

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের আবহে জিয়াঙের সেই অনলাইন বক্তৃতাটি সমাজমাধ্যমে নতুন করে নজর কেড়েছে। দু’টি বক্তব্যই নির্ভুল ভাবে মিলে যাওয়ায় সমাজমাধ্যমে অনেকেই তাঁকে ‘চিনের নস্ত্রাদামুস’ বলে ডাকতে শুরু করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে চিনা অধ্যাপক তিনটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। তার মধ্যে দু’টি ইতিমধ্যেই সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে।

Advertisement
০৩ ১৯

তৃতীয় ভবিষ্যদ্বাণীটির জন্য আপাতত অপেক্ষা করে রয়েছেন বিশ্ববাসী। কারণ জিয়াং তাঁর তৃতীয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে পূর্বাভাসটি দু’বছর আগে জানিয়ে রেখেছেন সেটি হল, এই যুদ্ধে আমেরিকার পরাজয় ঘটবে! সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই অধ্যাপক জিয়াঙের সাহসী ভবিষ্যদ্বাণীগুলি নিয়ে বিশ্ব জুড়ে বিশ্লেষক, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে শুরু করেছেন।

০৪ ১৯

বেজিঙে দর্শন এবং ইতিহাসের অধ্যাপক জিয়াং। ইয়েল কলেজ থেকে স্নাতক হন তিনি। অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা, ঐতিহাসিক চক্র এবং ভূ-রাজনৈতিক তথ্যের বিশ্লেষণ ব্যবহার করে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক ঘটনা বা প্রবণতার পূর্বাভাস দেওয়াই হল ‘প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রি’ বা ‘ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ইতিহাস’।

০৫ ১৯

ইউটিউব চ্যানেলে জিয়াঙের ‘ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ইতিহাস’ বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা, জনসংখ্যা, সম্পদ এবং প্রযুক্তির মতো বিষয়ের বিশ্লেষণগুলি আকৃষ্ট করেছে তাঁর বহু অনুগামীকে। ২০২৪ সালের মে মাসের বক্তৃতায় জিয়াং জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প যদি ক্ষমতায় ফিরে আসেন, তা হলে ভূ-রাজনৈতিক চাপের কারণে তিনি ইরানের সঙ্গে সম্মুখসমরে নামতে বাধ্য হবেন।

০৬ ১৯

জিয়াঙের দাবি, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ইরানের সঙ্গে যে সামরিক সংঘাতের সৃষ্টি হবে তার পরিণতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মোটেই অনুকূল হবে না। তাঁর মতে, এই সংঘাত কোনও সামরিক সংঘর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তাতে জড়িয়ে পড়বে পশ্চিম এশীয় দেশগুলি। একটি রক্তক্ষয়ী ও বিপজ্জনক ভূ-রাজনৈতিক সংগ্রামে পরিণত হতে পারে তেহরান-ওয়াশিংটনের বিবাদ। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং স্বাভাবিক ভাবেই তা আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারকে প্রভাবিত করবে।

০৭ ১৯

৪১৫-৪১৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ঘটে যাওয়া একটি সামরিক অভিযানের উপর ভিত্তি করে ট্রাম্পের ক্ষতির বিশ্লেষণ করেছেন চিনের এই ‘ভবিষ্যদ্‌দ্রষ্টা’। ২০২৪ সালে যখন এই তত্ত্বটি সর্বসমক্ষে এনেছিলেন, তখন ইরানের উপর সম্ভাব্য মার্কিন আক্রমণকে সিসিলিয়ান অভিযানের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন জিয়াং। আথেন্স বিশাল সামরিক বাহিনী নিয়ে সিসিলিতে অভিযান শুরু করেছিল, যা শেষ পর্যন্ত বিপর্যয়ে পরিণত হয়। পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছিল আথেন্সকে।

০৮ ১৯

ঠিক একই ভাবে তুলনামূলক কম শক্তিধর রাষ্ট্রের কাছে মাথা নোয়াতে হতে পারে মার্কিন ফৌজকে, এমনটাই মনে করছেন জিয়াং। তিনি বক্তৃতায় জানান, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বেশ কিছুটা সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে থাকবে ইরান। বন্ধুর ভূখণ্ড এবং শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হওয়ার কারণে আমেরিকার রণকৌশলকে মাত দিতে পারেন সাবেক পারস্যভূমির রণকুশলী কমান্ডারেরা। আমেরিকার প্রাথমিক সামরিক সাফল্যকে কৌশলগত ব্যর্থতায় পরিণত করতে পারে তেহরান, এমন সম্ভাবনার কথা শুনিয়েছেন চিনা অধ্যাপক।

০৯ ১৯

জিয়াং সম্প্রতি ‘ব্রেকিং পয়েন্টস’ নামে একটি সংবাদসিরিজ়ে এসে বলেছেন, ‘‘যুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে আমার বিশ্লেষণ দেখে মনে হচ্ছে যে ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। মার্কিন সংঘাতের জন্য ইরানিরা ২০ বছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’ বহু দিন ধরেই এই যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। খেলা ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে তাদের হাতে আট মাস সময় ছিল। কারণ ২০২৫ সালে ইজ়রায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে পেন্টাগন-তেল আভিভ উভয়েরই সমরকৌশলের ধারভার কতটা তা পরীক্ষা এবং বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন ইরানি ফৌজের কর্তারা।

১০ ১৯

অধ্যাপক জিয়াং এর আগে দাবি করেছিলেন যে, যদি এমন যুদ্ধ হয়, তা হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতে দীর্ঘমেয়াদি আধিপত্য বজায় রাখতে মরণ-বাঁচন লড়াইয়ের দিকে ঝুঁকতে পারে। তাঁর বিশ্লেষণ অনুসারে, ইরান বহু বছর ধরে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং অসম যুদ্ধকৌশলে প্রচুর বিনিয়োগ করে প্রস্তুতি নিচ্ছিল যা ব্যয়বহুল পশ্চিমি দেশগুলির (মূলত আমেরিকা) সামরিক ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তৈরি করা হয়েছে।

১১ ১৯

জিয়াং তাঁর বিশ্লেষণে যে বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তা হল বিশ্ব জুড়ে অর্থনীতির টালমাটাল পরিস্থিতি। ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের দ্বৈরথে যুদ্ধক্ষেত্র কেবল সামরিক গণ্ডিতেই সীমবদ্ধ থাকবে না, তা আঘাত হানবে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও। হরমুজ় প্রণালীর মতো জ্বালানি রুটে সামান্যতম ব্যাঘাত বিশ্বব্যাপী তেলবাজারকে ধাক্কা দিতে পারে। বাস্তবে সেটাই করে দেখিয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের দেশ।

১২ ১৯

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত এবং বাহরিন-সহ উপসাগরীয় দেশগুলি বিশ্বে জ্বালানি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি এই জ্বালানির প্রবাহ ব্যাহত হয়, তা হলে বিশ্ববাজার, প্রযুক্তি বিনিয়োগ এবং আর্থিক ব্যবস্থার উপর তাৎক্ষণিক ভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর সেই পথেই এগোচ্ছে তেহরান। একাধিক তেল শোধনাগারের উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তারা।

১৩ ১৯

‘ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ইতিহাস’-এর ভিডিয়োগুলি মনোযোগ আকর্ষণের পর সেগুলির ব্যাখ্যা দিয়েছেন জিয়াং। তাঁর আশঙ্কা, তেলের পর আরব মুলুকের দেশগুলির ‘জীবনীশক্তি’তে আঘাত হানার চেষ্টা করবে ইরান। তেহরানের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে জল শোধনাগারগুলি। ইরান সরাসরি আমেরিকাকে আঘাত করে ‘ভাতে’ মারতে চায়। আমেরিকার অর্থনৈতিক কাঠামোর স্থায়িত্বের বেশির ভাগটাই নির্ভর করে পেট্রলের উপর। সহজ কথায় পেট্রোডলারের সঙ্গে আমেরিকার অর্থনীতি সম্পৃক্ত। আর এখানেই ওয়াশিংটনের গুমর ভাঙতে চায় তেহরান।

১৪ ১৯

পেট্রোডলারকে ডলারে পরিণত করে তা বাজারে বিনিয়োগ করেই দেশের অর্থনীতির ভিত পোক্ত করে আমেরিকা। ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই আমেরিকা-সহ বিভিন্ন দেশের শেয়ার ব্যবস্থার ভিত নড়ে উঠেছে। শেয়ারবাজারের সূচক অধোগতি। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষের আবহে দাম চড়তে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রেরও। মূলত গম-সহ বিভিন্ন দানাশস্য, ভোজ্য তেল ও মাংসের দাম বাড়ার কারণেই ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব জুড়ে খাদ্যপণ্যের সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।

১৫ ১৯

জিয়াঙের বিশ্লেষণের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ড্রোন যুদ্ধের উত্থান। সস্তার ড্রোন। আর কম খরচের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এই দুই হাতিয়ারে ভর করে ‘সুপার পাওয়ার’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজ়রায়েলকে ঘোল খাইয়ে ছাড়ছে ইরান। সস্তার ইরানি অস্ত্র রুখতে ডাহা ফেল করেছে মার্কিন প্রযুক্তিতে তৈরি কয়েক কোটি ডলারের আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটির আনুমানিক দাম ১০-৩০ লক্ষ ডলার। অন্য দিকে, মাত্র ৮-১০ লক্ষ ডলার খরচ করে এক একটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে ইরান। অস্ত্রনির্মাণে ব্যয়বরাদ্দের এই বৈষম্যের কারণেই পশ্চিম এশিয়ার লড়াইয়ে আমেরিকা বেশ কিছুটা ‘ব্যাকফুটে’।

১৬ ১৯

একই ছবি দেখা গিয়েছে ড্রোনের ক্ষেত্রেও। মার্কিন সৈন্যের হাতে আছে এমকিউ-৯ রিপার নামের একটি চালকবিহীন বিমান। এর দাম কম-বেশি তিন কোটি ডলার। সংশ্লিষ্ট ড্রোনটি ‘হেলফায়ার’ নামের ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম। তার আবার খরচ আলাদা। অন্য দিকে লড়াইয়ে তুলনামূলক ভাবে অনেক সস্তার ‘কামিকাজ়ে’ (আত্মঘাতী) শ্রেণির শাহেদ নামের মানববিহীন উড়ুক্ক যান ব্যবহার করছে তেহরান।

১৭ ১৯

সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন, যে গতিতে লড়াইয়ের তীব্রতা বাড়ছে তাতে খুব তাড়াতাড়িই ইহুদি ও আমেরিকার অস্ত্রের ভাঁড়ারে টান পড়বে। ইরানের এই সমস্যা নেই। সামরিক বিশেষজ্ঞদের বড় অংশই মনে করেন, সংশ্লিষ্ট ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে হরমুজ় প্রণালী আগামী কয়েক মাস পর্যন্ত বন্ধ করে রাখতে পারবে ইরান।

১৮ ১৯

আমেরিকার সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিকল্পনায় ইরান পাশে পেয়েছে লেবাননের হিজ়বুল্লা এবং ইয়েমেনের হুথির মতো প্যালেস্টাইনপন্থী বিদ্রোহীদের। বিপুল পরিমাণে কম দামি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তাদের হাতে তুলে দিয়েছে ইরানি প্রতিরক্ষাবাহিনী। এর জেরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক ফ্রন্টে সংঘর্ষের মুখে পড়তে হচ্ছে মার্কিন ও ইহুদি ফৌজকে। এর ফলে তাদের যুদ্ধের খরচ আরও বাড়তে পারে। যদিও যুদ্ধের খরচ নিয়ে খুব বেশি মাথাব্যথা নেই মার্কিন সর্বাধিনায়ক ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ‘রণং দেহি’ মনোভাব থেকে এক ইঞ্চি নড়বে না আমেরিকা, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

১৯ ১৯

জিয়াং তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ সহজে থামার নয়, দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। যুদ্ধান্তে পৃথিবীকে আর পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বিশ্বাস করেন জিয়াঙের ভবিষ্যদ্বাণীগুলি আধুনিক যুদ্ধে ক্ষমতার ভারসাম্যের পরিবর্তনকে তুলে ধরেছে। আবার অন্য পক্ষের যুক্তি, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতগুলি যে কোনও একক পূর্বাভাসের চেয়ে বহু গুণ জটিল। তাই কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার সময় এখনও আসেনি।

ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement