Bollywood Gossip

ছবিমুক্তির পর অনিলের দ্বারস্থ হয় একাধিক রাজনৈতিক দল, ‘এক দিনের মুখ্যমন্ত্রী’কে দেওয়া হয় বিশেষ প্রস্তাব!

২০০১ সালে এস শঙ্করের পরিচালনায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘নায়ক’। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে এই ছবিতে এক দিনের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর পদ সামলেছিলেন অনিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪৯
Share:
০১ ১৩

পেশার খাতিরে এক দিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তার পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নায়কের কাছে বিশেষ প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিল। নিজের অপারগতা স্বীকার করেই নায়ক বার বার সেই প্রস্তাবগুলি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি রাজনীতি এবং নিজের পেশা নিয়ে মন্তব্য করলেন বলি অভিনেতা অনিল কপূর।

০২ ১৩

২০০১ সালে এস শঙ্করের পরিচালনায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘নায়ক’। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে এই ছবিতে এক দিনের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর পদ সামলেছিলেন অনিল।

Advertisement
০৩ ১৩

ছবিমুক্তির পর অনিল অভিনীত চরিত্রটি দর্শকের ভালবাসা পায়। তার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে বিশেষ প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি।

০৪ ১৩

সম্প্রতি ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস হিন্দিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনিল জানান যে, তিনি নিজেকে সব সময় ছাত্র হিসাবে ভাবতে ভালবাসেন। অভিনেতা বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, আমার চেয়েও কেউ ভাল অভিনয় করেন। তাঁর কাছ থেকে নতুন কিছু শেখার জন্য সব সময় কৌতূহলী হয়ে থাকি।’’

০৫ ১৩

‘নায়ক’ ছবিতে নিজের চরিত্র নিপুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য থিয়েটারের জনপ্রিয় পরিচালক ফেরোজ় আব্বাস খানের কাছ থেকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নিতেন অনিল। ফেরোজ়ের দফতর ছিল মুম্বইয়ের মাহিমে। কাজ শেষ হওয়ার পর সেই দফতরে চলে যেতেন অভিনেতা।

০৬ ১৩

অনিল সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘‘নায়ক’ ছবিতে অভিনয়ের পর দর্শকের অনেকে আমায় রাজনীতির মাঠে দেখতে চেয়েছিলেন। দর্শক তাঁদের ভালবাসার জায়গা থেকে এই অনুরোধ করেছিলেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছ থেকেও প্রস্তাব আসা শুরু হয়।’’

০৭ ১৩

কোনও দলের নামোল্লেখ না করে অনিল বলেন, ‘‘অনেক দলের নেতারা আমায় তাঁদের দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু আমার চেয়েও বহু গুণী ব্যক্তি রয়েছেন, যাঁদের লোকসভা অথবা রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে মানায়। আমি অভিনয়টুকুই পারি। রাজনীতি করতে পারি না।’’

০৮ ১৩

অনিল আরও বলেন, ‘‘আমি কোনও কাজ করলে নিজের ১০০ শতাংশ ঢেলে দিই। নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করতে না পারলে মন শান্ত হয় না। অভিনয়ের পাশাপাশি কোনও ভাবেই রাজনীতি করতে পারব না।’’

০৯ ১৩

অনিলের মতে, তিনি একজন অভিনেতা হিসাবেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তিনি মনে করেন রাজনীতি দায়িত্ব পালনের জায়গা। সেখানে সফল হতে হলে পূর্ণ সময় দিতে হয়।

১০ ১৩

ক্যামেরার সামনে অভিনয় করতেই সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন অনিল। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো ইচ্ছা তাঁর নেই। ‘নায়ক’ সিনেমাটি এতটাই প্রভাবশালী ছিল যে সাধারণ মানুষও অনেক ক্ষেত্রে তাঁকে বাস্তবের নেতা হিসাবে দেখতে চেয়েছিলেন।

১১ ১৩

অনিল স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, তিনি পর্দায় সমাজ সংস্কার করতে পছন্দ করলেও বাস্তবে রাজনীতির ময়দানে নামার কোনও আগ্রহ তাঁর নেই।

১২ ১৩

২০০৮ সালে ড্যানি বয়েলের পরিচালনায় বিদেশে মুক্তি পায় ‘স্লামডগ মিলিয়নেয়ার’। সেই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা পায় অনিলের অভিনয়। অভিনেতার দাবি, পর্দায় তাঁর চরিত্র দেখেও তাঁকে গুরুদায়িত্ব পালনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

১৩ ১৩

অনিল জানান, রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে তাঁকে ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’-এর দায়িত্বভার নিতে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু অভিনেতা সেই প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অনিলের কথায়, গুরুত্বপূর্ণ পদ গ্রহণ করে তিনি জনপ্রিয়তার সুযোগ নিতে রাজি নন।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement