Reza Pahlavi and Tarique Rahman

নির্বাসন থেকে ঘরে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী! তারেকের কায়দায় ‘পাওয়ার হিটিং’ করে শিয়া মুলুকের গদিতে ফিরবেন অন্য রাজপুত্র?

নির্বাসন কাটিয়ে ফেরার দু’মাসের মাথায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তথা জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। তাঁর দেখানো রাস্তাতেই কি এ বার হাঁটবেন অন্য এক দেশের নির্বাসিত যুবরাজ?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৯
Share:
০১ ২০

১৭ বছর প্রবাসে থাকার পর ঘরে ফিরেই বাজিমাত! মাত্র দু’মাসের মধ্যে বিপুল ব্যবধানে নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন তিনি। এ বার কি তাঁর দেখানো রাস্তায় হেঁটে রাজপাট ফিরে পাবেন পারস্যের নির্বাসিত যুবরাজ? জার্মানির মিউনিখ শহরে সদ্য ৬৫-তে পা দেওয়া রাজপুত্রের ভাষণে সেই ইঙ্গিত মিলতেই তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা। কেউ কেউ আবার গোটা ঘটনার সঙ্গে কিংবদন্তি নেলসন ম্যান্ডেলা এবং চার্লস ডি গলের প্রচুর মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

০২ ২০

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পদ্মাপারে সবাই তাঁকে ভালবেসে ডাকেন তারেক জিয়া নামে। দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী লন্ডনে একরকম নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে ঢাকায় ফেরেন তিনি। তত দিনে অবশ্য সে দেশে ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। ফলে তড়িঘড়ি বাবা তথা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া দল ‘বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি’র (বিএনপি) হাল ধরতে হয় তাঁকে।

Advertisement
০৩ ২০

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, ‘ঘর ওয়াপসি’ করা তারেকের দলীয় চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্বগ্রহণ ছিল এ বারের পদ্মাপারের নির্বাচনের ‘টার্নিং পয়েন্ট’। ভোটের ঠিক মুখে মৃত্যু হয় দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার। সম্পর্কে তিনি তারেকের মা। ফলে সহানুভূতির পালে হাওয়া তুলতে সমস্যা হয়নি তাঁর। এর জেরে ৩০০-র মধ্যে ২১২ আসনে জয়ী হয় বিএনপি জোট। ৭৭টি কেন্দ্র গিয়েছে কট্টরপন্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি জোটের দখলে। একটি আসনে ভোট হয়নি।

০৪ ২০

বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়া ও সে দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেককে দীর্ঘ দিন ধরেই বিএনপির প্রকৃত উত্তরাধিকারী হিসাবে দেখা হচ্ছিল। ২০০৭ সাল পর্যন্ত তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল বেশ মসৃণ। কিন্তু ওই বছর সামরিক অভ্যুত্থানে খালেদা সরকারের পতন হলে, তারেকের উপর পড়ে শনির বক্রদৃষ্টি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ। শুধু তা-ই নয়, জেলবন্দিও থাকতে হয় তাঁকে। জামিনে মুক্তি পেলে ২০০৮ সালে ঢাকা ছেড়ে লন্ডনে চলে যান জিয়া-পুত্র।

০৫ ২০

এ-হেন তারেকের সঙ্গে ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজ়া পাহলভির জীবনের রয়েছে পরতে পরতে মিল। পদ্মাপারের ভাবী প্রধানমন্ত্রীর মতো গত ৪৭ বছর ধরে পরিবার নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, বর্তমানে জিয়া-পুত্রের কায়দায় সাবেক পারস্য দেশে ফিরে হারানো রাজ-গদি সামলানোর প্রবল ইচ্ছা আছে তাঁর। সম্প্রতি মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে বকলমে সে কথা জানিয়েছেন দেশত্যাগী তেহরানের রাজপুত্র। তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে ‘গণতন্ত্র’ ও ‘ধর্মনিরপেক্ষতার’ কথা।

০৬ ২০

নির্বাসিত ইরানি যুবরাজের বাবা মহম্মদ রেজ়া শাহ পাহলভি ছিলেন পারস্য দেশের শেষ রাজা। ১৯৬৭ সালের ২৫ অক্টোবর রাজ্যাভিষেক হয় তাঁর। কুর্সিতে থাকাকালীন তেহরানে পশ্চিমি সংস্কৃতি আমদানি করে আমেরিকার প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন তিনি। মহম্মদ রেজ়া শাহ পাহলভির সময় ইরানি তরুণীদের কখনও পর্দার আড়ালে থাকতে হয়নি। বরং যথেষ্ট স্বাধীন ভাবে ঘোরাফেরা করতে পারতেন তাঁরা। যদিও এক দশকের মধ্যে রাতারাতি বদলে যায় পরিস্থিতি।

০৭ ২০

মহম্মদ রেজ়া শাহ পাহলভির রাজত্বের ১২ বছরের মাথায় (পড়ুন ১৯৭৯ সালে) ইরানে ঘটে যায় ইসলামীয় বিপ্লব। এর নেতৃত্বে ছিলেন শিয়া ধর্মগুরু রুহুল্লাহ মুসাভি খোমিনি। তেহরানে একটি মুসলিম প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলেন তিনি। ফলে ২,৫০০ বছরের প্রাচীন রাজশাহির বিলুপ্তি ঘটে। সেই জায়গায় দেশ শাসনের ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয় পার্লামেন্টের হাতে। আর সর্বোচ্চ নেতা বা সুপ্রিম লিডারের পদ নিয়ে যাবতীয় আইনের ঊর্ধ্বে চলে যান খোমিনি। তেহরানে এখনও সেই ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

০৮ ২০

অন্য দিকে ইসলামীয় বিপ্লবের জেরে ক্ষমতাচ্যুত মহম্মদ রেজ়া শাহ পাহলভি পরিবার নিয়ে আশ্রয় নেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। যুবরাজ রেজ়া পাহলভিকেও তখনই দেশ ছাড়তে হয়েছিল। তেহরানের পালাবদলকে একেবারেই ভাল চোখে দেখেনি ওয়াশিংটন। ফলে পরবর্তী বছরগুলিতে একের পর এক মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে সাবেক পারস্য দেশ। এই পরিস্থিতিতে পাল্টা ওয়াশিংটনের রক্তচাপ বাড়াতে পরমাণু হাতিয়ার নির্মাণে মরিয়া হয়ে ওঠে ইরান। দেশ ছাড়ার মাত্র এক বছরের মাথায় মিশরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পারস্যের শেষ রাজা। সালটা ছিল ১৯৮০।

০৯ ২০

’৭৯ সালের বিপ্লবের পরই পশ্চিমি সংস্কৃতির বেড়াজাল ভাঙতে বেশ কিছু কট্টরপন্থী নিয়মকানুন চালু করেন শিয়া ধর্মগুরু খোমিনি। এর মধ্যে ছিল মহিলাদের বাধ্যতামূলক হিজাব ব্যবহার। গত শতাব্দীর ৮০-এর দশকে এ ব্যাপারে আরও কড়া আইন আনে তেহরান। তৈরি হয় নীতি-পুলিশ। রাস্তাঘাটে হিজাব না পরা কোনও মহিলাকে ঘোরাঘুরি করতে দেখলেই তাঁর উপর চড়াও হওয়ার দায়িত্ব পায় ওই বাহিনী। ফলে হিজাব ইস্যুতে দানা বাঁধে বিক্ষোভ। ২১ শতকে বেশ কয়েক বার একে গণআন্দোলনের রূপ নিতে দেখা গিয়েছে।

১০ ২০

গত বছরের (পড়ুন ২০২৫) ডিসেম্বরে মারাত্মক আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়ে পারস্য উপসাগরের শিয়া মুলুক। মার্কিন ডলারের নিরিখে অনেক নীচে নেমে যায় ইরানি টাকার দাম। ফলে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে শামিল হন হাজার হাজার মানুষ। সেই আন্দোলন থামাতে কালঘাম ছুটে যায় তেহরানের। বিদ্রোহ দমন করতে ওই সময় বিদেশ থেকে বাহিনী ভাড়া করেন বর্তমান শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। বিক্ষোভকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি চালাতেও দ্বিধা করেনি তারা।

১১ ২০

ডিসেম্বরে ইরান জুড়ে গণআন্দোলন ছড়িয়ে পড়তেই যুক্তরাষ্ট্রের মাটি থেকে একের পর এক বিবৃতি দেন যুবরাজ রেজ়া পাহলভি। আন্দোলনকারীদের রাস্তা না ছাড়ার কথা বলতে শোনা যায় তাঁকে। ওই সময় রাজশাহি ফেরানোর দাবিতে সোচ্চার হন বিক্ষুব্ধদের একাংশ। চলতি বছরের গোড়ায় পারস্য উপসাগরে একাধিক রণতরী পাঠিয়ে তেহরানকে ঘিরে ফেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শিয়া মুলুকটির সামরিক বাহিনী পরমাণু শক্তি অর্জন করুক, কোনও ভাবেই চাইছেন না তিনি।

১২ ২০

এই পরিস্থিতিতে তারেকের মতো নির্বাসন কাটিয়ে ইরানে ফিরতে চাইছেন যুবরাজ রেজ়া পাহলভি। বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, তেহরানে তাঁর পা পড়লেই কট্টরপন্থীদের শাসনের অবসান ঘটবে। এমনকি দেশ ছেড়ে পালাতে হতে পারে শিয়া ধর্মগুরু তথা সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইকেও। যদিও এর উল্টো মতও রয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন, সাবেক পারস্য দেশ ও ঢাকার গণআন্দোলন কখনওই সরলরেখায় চলেনি।

১৩ ২০

২০২৪ সালে ছাত্র-যুবদের আন্দোলনে উত্তাল হয় বাংলাদেশ। বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ। ওই সময় আন্দোলনকারীদের নিয়ে বেশ কিছু ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যা ছিল আগুনে ঘি পড়ার শামিল। ফলস্বরূপ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তীব্র আকার ধারণ করে গণআন্দোলন। এর জেরে ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ঢাকা ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন হাসিনা।

১৪ ২০

প্রধানমন্ত্রী হাসিনা দেশ ছাড়তেই বাংলাদেশে তৈরি হয় একটি অন্তর্বর্তিকালীন সরকার। এর প্রধান উপদেষ্টা হন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস। গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে তাঁর নেতৃত্বেই যাবতীয় প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে ঢাকা। এই সময়সীমার মধ্যে প্রায় নিষিদ্ধ হয়েছে হাসিনার দল আওয়ামি লিগ। পাশাপাশি, সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ফাঁসির সাজাও শুনিয়েছে পদ্মাপারের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

১৫ ২০

বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের এই সমস্ত সিদ্ধান্তও তারেকের জয়কে নিশ্চিত করতে অনুঘটকের কাজ করেছে। নিষিদ্ধ হওয়ার জেরে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামি লিগ। ফলে তাদের ভোটব্যাঙ্কের পুরোটাই চলে গিয়েছে বিএনপির দিকে। একই ছবি ইরানের ক্ষেত্রে দেখা না-ও যেতে পারে। কারণ, যুবরাজ রেজ়া সাবেক পারস্য দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফেরাতে চাইছেন, এমনটা নয়। তাঁর মূল লক্ষ্য হল রাজতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

১৬ ২০

দ্বিতীয়ত, নির্বাসনে যাওয়ার আগে পুরোদস্তুর রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন তারেক জিয়া। এমনকি লন্ডনে থাকাকালীনও দলের রাশ ছিল তাঁরই হাতে। অন্য দিকে যুবরাজ রেজ়া যখন ইরান ছাড়েন তখন তিনি ১৬-১৭ বছরের কিশোর। সাবেক পারস্য দেশটির ঘরোয়া রাজনীতি সম্পর্কে তেমন কোনও ধারণা নেই তাঁর। সেখানকার বাসিন্দাদের কাছে তিনি যে মারাত্মক রকমের জনপ্রিয়, তাও হলফ করে বলা সম্ভব নয়।

১৭ ২০

তৃতীয়ত, হাসিনার কায়দায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইয়ের সরকারের পতন ঘটানো একেবারেই সহজ নয়। কারণ, ওই শিয়া ধর্মগুরুর হাতে রয়েছে ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসি নামের একটি আধা সেনাবাহিনী। একে পারস্যের সরকারি ফৌজের তুলনায় বেশি শক্তিশালী বলা যেতে পারে। তেহরানের যাবতীয় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং রকেটের বহর নিয়ন্ত্রণ করেন আইআরজিসির কমান্ডারেরা।

১৮ ২০

তা ছাড়া নির্বাসনে থাকাকালীন কোনও দিনই ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের সরকারের হাতের পুতুলে পরিণত হননি তারেক। বরং বিদেশ থেকে বিএনপির হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। যুবরাজ রেজ়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি কিন্তু তা নয়। ওয়াশিংটনের কথাতেই উঠতে-বসতে হচ্ছে তাঁকে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প না চাইলে তাঁর পক্ষে ইরানে ফিরে ফের রাজতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটানো একরকম অসম্ভব, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

১৯ ২০

ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যাবে, অনেকেই নির্বাসন থেকে ফিরে সরাসরি রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে গিয়েছেন। উদাহরণ হিসাবে সাউথ আফ্রিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার কথা বলা যেতে পারে। বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে ২৭ বছর জেলে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। তা ছাড়া নির্বাসন থেকে ফিরেই সিংহাসনে চড়ে বসার তালিকায় নাম আছে কিংবদন্তি ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টেরও।

২০ ২০

১৮১৪ সালে এলবা দ্বীপে নির্বাসিত হন নেপোলিয়ন। ঠিক তার পরের বছরই সেখান থেকে ফ্রান্সে ফিরে আসেন তিনি। ১৮১৫ সালের ২০ মার্চ প্যারিসে পা পড়ে বোনাপার্টের। সকলে সাদরে তাঁকে গ্রহণ করে নেন। ফলে একরকম বিনা বাধাতেই ফের সম্রাটের মুকুট ফিরে পান তিনি। এর পর অবশ্য আর মাত্র ১০০ দিন দেশ শাসন করতে পেরেছিলেন নেপোলিয়ন। ওয়াটারলুর যুদ্ধে হেরে গিয়ে ফের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে যেতে হয় তাঁকে। খালেদা-পুত্র তারেক আগামী পাঁচ বছর পদ্মাপারের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে থাকেন কি না, সেটাই এখন দেখার।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement