Advance Version of BrahMos Missile

পাকিস্তানে তাণ্ডব চালানো হাতিয়ারে ‘শকুন-দৃষ্টি’! চার চিনা গুপ্তচর জাহাজকে বোকা বানিয়ে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ পরীক্ষা করল দিল্লি

আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ থেকে ‘ব্রহ্মস’ সুপারসনিক ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্রের বর্ধিত পাল্লার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির এই হাতিয়ারটির যাবতীয় খুঁটিনাটি জোগাড় করতে ওই এলাকায় চারটি গুপ্তচর জাহাজ মোতায়েন করে চিন। কী ভাবে তাদের বোকা বানিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করল সেনা?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ১২:৫০
Share:
০১ ২০

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর নায়ক। এর উপর্যুপরি আঘাতে উড়ে গিয়েছে পাকিস্তানে ১১টা বায়ুসেনা ঘাঁটি। নয়াদিল্লির এ-হেন ব্রহ্মাস্ত্রের ‘হাঁড়ির খবর’ জোগাড় করতে আদাজল খেয়ে লেগে পড়েছে চিন। আর তাই বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে দিন দিন বাড়ছে বেজিঙের গুপ্তচর জাহাজের আনাগোনা। কিন্তু তার মধ্যেই বর্ধিত পাল্লার ওই হাতিয়ারের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত। ফলে ড্রাগনের যাবতীয় ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে বললে অত্যুক্তি হবে না।

০২ ২০

চিন-পাকিস্তানের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া নয়াদিল্লির ওই অমোঘ হাতিয়ারটি হল ‘ব্রহ্মস’ সুপারসনিক ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র। এর বর্ধিত পাল্লার আন্দাজ পেতে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে চার-চারটি গুপ্তচর জাহাজ মোতায়েন করে বেজিং। যদিও ভারতের চালে পরীক্ষার সময় সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয় তারা। ফলে ড্রাগনকে বোকা বানিয়ে নিজেদের কাজ হাসিল করতে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিওর (ডিফেন্স রিসার্চ ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন) খুব একটা সমস্যা হয়নি।

Advertisement
০৩ ২০

গত বছরের (২০২৫ সাল) মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাক বিমানবাহিনীর কোমর ভেঙে দেয় ‘ব্রহ্মস’। সংঘাত থামতেই পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এই হাতিয়ারের পাল্লা বৃদ্ধির দিকে নজর দেয় নয়াদিল্লি। ঠিক হয়, ৮০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যে নিখুঁত আঘাত হানার সক্ষমতা দেওয়া হবে তাকে। পরবর্তী চার মাসের মধ্যেই তা তৈরি করে ফেলেন ডিআরডিওর গবেষকেরা। কিন্তু, ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষা করতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে ভারত।

০৪ ২০

নয়াদিল্লি যে ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বৃদ্ধি করে চলেছে, তা নজর এড়ায়নি চিনের। তা ছাড়া ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন পাক ফৌজের হাতে থাকা বেজিঙের আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা এইচকিউ ৯পি-সহ অন্য হাতিয়ারগুলি পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়ায় বেজিঙের কপালে পড়ে চিন্তার ভাঁজ। ফলে রাতারাতি ভারতের উপর নজরদারি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় তারা। এই পরিস্থিতিতে বর্ধিত পাল্লার ‘ব্রহ্মস’-এর পরীক্ষা কী ভাবে হবে, তা নিয়ে আতান্তরে পড়ে কেন্দ্র।

০৫ ২০

ব্যালেস্টিক হোক বা ক্রুজ়, ভারত সাধারণত বঙ্গোপসাগরে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে থাকে। এই কাজে সাবধানতা অবলম্বনের জন্য দিতে হয় ‘নোটাম’ (নোটিস টু এয়ারম্যান) বিজ্ঞপ্তি। যে এলাকায় নোটাম জারি থাকে সেখানে নিষিদ্ধ হয় বিমান চলাচল। ওড়ানো যায় না ড্রোন। এই নিয়মকে হাতিয়ার করেই চিনা গুপ্তচর জাহাজগুলির মুখ অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয় নয়াদিল্লি। শুধু তা-ই নয়, তাদের নজর সরতেই নির্বিঘ্নে ‘ব্রহ্মস’-এর সফল পরীক্ষা সেরে ফেলেন ডিআরডিও গবেষকেরা।

০৬ ২০

গত বছরের (২০২৫ সাল) ১৬ সেপ্টেম্বর প্রথম বার একটি নোটাম জারি করে নয়াদিল্লি। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাবে ভারত। বিষয়টি নজরে আসতেই নড়েচড়ে বসে চিন। তড়িঘড়ি ওই এলাকায় ‘ইউয়ান ওয়াং ৫’ নামের একটি গুপ্তচর জাহাজ পাঠায় বেজিঙের ‘পিপল্‌স লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএ নৌবাহিনী। উদ্দেশ্য, পরীক্ষায় ব্যবহৃত নয়াদিল্লির হাতিয়ারটির গতি এবং সক্ষমতা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ।

০৭ ২০

বেজিঙের গুপ্তচর জাহাজ বঙ্গোপসাগরে ঢুকতেই বর্ধিত পাল্লার ‘ব্রহ্মস’ উৎক্ষেপণ স্থগিত রাখে ভারত। ফলে ২৫ সেপ্টেম্বরের পর ওই এলাকা ত্যাগের তোড়জোর শুরু করে ‘ইউয়ান ওয়াং ৫’। ঠিক তখনই দিল্লির তরফে জারি হয় দ্বিতীয় নোটাম। তাতে ১৫-১৮ অক্টোবরের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা বলা ছিল। ফলে জায়গা পরিবর্তন করিয়ে সংশ্লিষ্ট জাহাজটিকে বঙ্গোপসাগরেই রেখে দেয় চিন। কিন্তু, এ বারও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার ইঙ্গিত দেয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

০৮ ২০

এর পর ৯ অক্টোবর তৃতীয় নোটাম জারি করে কেন্দ্র। তাতে ৩,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় বিমান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সময় নয়াদিল্লি অগ্নি-৫ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাতে যাচ্ছে বলে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি চিনও। ফলে শুধুমাত্র ‘ইউয়ান ওয়াং ৫’-এর উপর ভরসা না রেখে মলদ্বীপের বন্দরে আরও একটি গুপ্তচর জাহাজ পাঠায় পিএলএ নৌবাহিনী। এর পোশাকি নাম হল ‘শেন হাই ই হিও’।

০৯ ২০

অতীতে দু’বার নোটাম জারি করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা না হওয়ায় এ বার সন্দেহ হয় বেজিঙের। আর তাই ৮ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরীয় এলাকায় ঢোকে ‘লান হাই’ নামের পিএলএ নৌবাহিনীর আরও একটি গুপ্তচর জাহাজ। ভারত মহাসাগরের দিক থেকে ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ুর উপকূলের উপর শ্যেন দৃষ্টি বজায় রাখে সেটি। তার মধ্যেই উৎক্ষেপণের নতুন তারিখ ঘোষণা করে নয়াদিল্লি। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, ২৫-২৭ নভেম্বরের মধ্যে যে কোনও এক দিন হবে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা।

১০ ২০

নয়াদিল্লির এই ঘোষণার পর ভারত ও বঙ্গোপসাগরীয় এলাকায় আরও একটি গুপ্তচর জাহাজ মোতায়েন করে বেজিং। কোনও অবস্থাতেই যাতে তাদের নজর এড়িয়ে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা না হয়, তার জন্য একরকম মরিয়া হয়ে ওঠে পিএলএ নৌবাহিনী। কিন্তু তাদের সবাইকে হতাশ করে ৩০ নভেম্বর যাবতীয় নোটাম বাতিল করে দেয় এ দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে আপাতত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কোনও পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার।

১১ ২০

৩০ নভেম্বর নোটাম বাতিল হতেই ভারত ও বঙ্গোপসাগরীয় এলাকা থেকে গুপ্তচর জাহাজগুলিকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় বেজিং। মলদ্বীপের বন্দর থেকেও ঘরে ফেরার রাস্তা ধরে ‘শেন হাই ই হিও’। প্রত্যেকেই বন্ধ করে দেয় তাদের ট্র্যাকিং সিস্টেম। এই সুযোগের অপেক্ষাতেই যেন ছিল নয়াদিল্লি। ১ ডিসেম্বর বর্ধিত পাল্লার ‘ব্রহ্মস’-এর সফল পরীক্ষা চালায় আন্দামান-নিকোবরের তিন বাহিনীর কমান্ড। এর জন্য খুব অল্প সময়ে জরুরিভিত্তিক একটি নোটাম জারি রেখেছিল কেন্দ্র।

১২ ২০

এ ভাবে পিএলএ নৌবাহিনীকে বোকা বানিয়ে ভারতের বর্ধিত পাল্লার ‘ব্রহ্মস’ পরীক্ষার খবর প্রকাশ্যে আসতেই দুনিয়া জুড়ে পড়ে যায় শোরগোল। বেজিংকে খোঁচা দিতে সমাজমাধ্যমে একের পর এক মিম পোস্ট করতে থাকেন নেটাগরিকেরা। কেউ কেউ আবার মেতে ওঠেন হ্যাশট্যাগ ট্রোলিংয়ে। অন্য দিকে নয়াদিল্লির চালে বেকুব বনে যাওয়ায় মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় চিন।

১৩ ২০

২০২১ সালের মার্চে এই ক্ষেপণাস্ত্রের একটি হালকা অথচ উন্নত শ্রেণি তৈরির পরীক্ষা শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। নতুন যুগের হাতিয়ারটির নাম দেওয়া হয় ‘ব্রহ্মস এনজি’ (নিউ জেনারেশন)। বিশেষজ্ঞদের দাবি, মূলত মিগ-২৯ এবং তেজস মার্ক ১-এর মতো হালকা লড়াকু জেটের কথা মাথায় রেখে এর নকশা তৈরি করা হচ্ছে। অত্যধিক ওজনের কারণে সংশ্লিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্রটিকে নিয়ে উড়তেই পারে না এই সমস্ত যুদ্ধবিমান।

১৪ ২০

চলতি বছরে (২০২৬) ‘ব্রহ্মস এনজি’র পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। মূল ক্ষেপণাস্ত্রটির অর্ধেক ওজনের সংশ্লিষ্ট হাতিয়ারটি লম্বায় তিন মিটার ছোট হতে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কমবে না গতিবেগ। অর্থাৎ, শব্দের চেয়ে তিন গুণ গতিতে ছুটতে পারবে ১,২০০ কেজি ওজনের ‘ব্রহ্মস এনজি’। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে লখনউয়ে এর গবেষণা এবং পরীক্ষাকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ। আগামী দিনে সেখানেই হবে উৎপাদন।

১৫ ২০

এ ছাড়া ‘ব্রহ্মস’কে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রে বদলে ফেলার পরিকল্পনাও রয়েছে নয়াদিল্লির। তাতে সাফল্য পেলে আট ম্যাক বা শব্দের চেয়ে আট গুণ গতিতে ছুটবে এই ক্ষেপণাস্ত্র। পাশাপাশি, এর পাল্লা বেড়ে দাঁড়াবে ১,৫০০ কিলোমিটার। ২০২৬ বা ২০২৭ সালে এর প্রথম পরীক্ষা চালাতে পারে ডিআরডিও। এর জন্য যে স্ক্র্যামজেট ইঞ্জিনের প্রয়োজন, তা ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফেলেছেন এ দেশের সামরিক গবেষকেরা। গতির ঝড় তোলা ওই ব্রহ্মাস্ত্র সেনায় পরিচিত পাবে ‘ব্রহ্মস টু’ নামে।

১৬ ২০

১৯৯৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। সেই লক্ষ্যে ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি চুক্তিতে সই করে নয়াদিল্লি ও মস্কো। ঠিক হয় সংশ্লিষ্ট হাতিয়ার নির্মাণে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে রুশ প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা এনপিও মাশিনোস্ট্রোয়েনিয়ার। পাশাপাশি, এর নকশা তৈরিতে যুক্ত থাকবে ডিআরডিও। পরবর্তী বছরগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্রটির উৎপাদন সংস্থা হিসাবে জন্ম হয় ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস লিমিটেডের।

১৭ ২০

উত্তর-পূর্ব ভারতের ব্রহ্মপু্ত্র এবং রাশিয়ার মস্কোভা নদীর নাম মিলিয়ে ‘ব্রহ্মস’ শব্দটি তৈরি করা হয়েছে। হাতিয়ারটির প্রযুক্তির ব্যাপারে ডিআরডিও এবং এনপিও মাশিনোস্ট্রোয়েনিয়ারের অংশীদারির পরিমাণ ৫০-৫০ শতাংশ। বর্তমানে এ দেশের বাহিনী যে ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে, তার চারটি শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। স্থল, রণতরী, যুদ্ধবিমান এবং ডুবোজাহাজ থেকে একে লঞ্চ করা যায়। সূত্রের খবর, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪,৯০০ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে ‘ব্রহ্মস’।

১৮ ২০

২০০৫ সালের নভেম্বর থেকে এই ব্রহ্মাস্ত্র ব্যবহার করে আসছে ভারতীয় সেনার তিন বাহিনী। এর পাল্লার রকমফের রয়েছে। প্রায় সাড়ে আট মিটার লম্বা ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্র ৩০০ কেজি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। এক একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ৩,০০০ কেজি। এ দেশের বায়ুসেনার বহরে থাকা লড়াকু জেটগুলির মধ্যে একমাত্র সুখোই-৩০ এমকেআইয়ের এটি বহনের সক্ষমতা রয়েছে। তাও আবার একসঙ্গে এই ক্ষেপণাস্ত্রের দু’টির বেশি নিয়ে উড়তে পারে না সংশ্লিষ্ট যুদ্ধবিমান।

১৯ ২০

ভারতীয় সেনা এবং নৌবাহিনী যে ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে, তার পাল্লা ৮০০ কিলোমিটার। অন্য দিকে এ দেশের বিমানবাহিনীর হাতে থাকা এই হাতিয়ার ৪৫০-৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। সেই পাল্লা বাড়াতেই গত বছরের (২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে চিনকে বোকা বানিয়ে বঙ্গোপসাগরে ডিআরডিও পরীক্ষা চালিয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে মিলেছে খবর।

২০ ২০

এ বছরের ১৮ ও ২০ মে প্রথমে ভিয়েতনাম ও তার পর দক্ষিণ কোরিয়া (রিপাবলিক অফ কোরিয়া) সফরে থাকবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। এর মধ্যে প্রথম দেশটি ভারতের থেকে ‘ব্রহ্মস’ আমদানি করতে পারে। রাজনাথের সফরে সেই সংক্রান্ত চুক্তি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অতীতে ফিলিপিন্সকে এই ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করেছে নয়াদিল্লি। তা ছাড়া ‘ব্রহ্মস’ কেনার খবর জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়াও।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement