Saudi Arabia-UAE Row

বিদ্রোহীদের মদত দেওয়ায় রেগে আগুন ‘বড় ভাই’! বিমানহানা চালানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমিরশাহির বাহিনীকে তাড়াল সৌদি আরব

ইয়েমেনের বন্দর শহর মুকাল্লায় সৌদি আরবের বিমানহামলার পরই পশ্চিম এশিয়ার রাজনীতিতে এসেছে বড় বদল। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল করে তাদের বাহিনীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৭
Share:
০১ ২০

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছাড়তে হবে ইয়েমেন। ‘লৌহ ভাই’ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে (ইউএই) এ বার সেই বার্তা দিল সৌদি আরব। শুধু তা-ই নয়, দক্ষিণের প্রতিবেশীর বন্দর শহরে বিমানহামলাও চালিয়েছে রিয়াধ, আবু ধাবির জন্য যা চরম সতর্কবার্তা বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিম এশিয়ায় দুই আরব দেশের মধ্যে শুরু হবে টানাপড়েন? মুখোমুখি সংঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না অনেকে।

০২ ২০

চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর ইয়েমেনের বন্দর শহর মুকাল্লায় বিমানহামলা চালায় সৌদি সরকার। সংশ্লিষ্ট এয়ারস্ট্রাইকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই ইস্যুতে বিবৃতি দেয় রিয়াধ। সেখানে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে হাতিয়ার এবং সাঁজোয়া গাড়ি সরবরাহ করছিল আমিরশাহির বাহিনী। সেই সমস্ত অস্ত্র ও সাঁজোয়া গাড়ি লক্ষ্য করে আক্রমণ শানানো হয়েছে। রিয়াধের ওই বিবৃতির পরই উপসাগরীয় দেশটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement
০৩ ২০

গত কয়েক বছর ধরেই একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাপাদাপিতে একরকম গৃহযুদ্ধের মুখে পড়েছে ইয়েমেন। সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল ইরান সমর্থিত হুথি এবং সাউদার্ন ট্রানজ়িশনাল কাউন্সিল বা এসটিসি। রিয়াধের অভিযোগ, পর্দার আড়ালে থেকে দ্বিতীয় বিদ্রোহী সংগঠনটিকে হাতিয়ার ও গোলা-বারুদ সরবরাহের মাধ্যমে সাহায্য করে যাচ্ছে আমিরশাহির সরকার, যা তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।

০৪ ২০

সৌদি সরকার জানিয়েছে, দক্ষিণ ইয়েমেনের স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়া এসটিসির হাত শক্ত করতে মালবাহী জাহাজ বোঝাই করে হাতিয়ার পাঠায় আবু ধাবি। আমিরশাহির ফুজ়াইরাহ বন্দর থেকে রওনা হয়ে দক্ষিণ ইয়েমেনে পৌঁছোয় ওই সমস্ত জাহাজ। যাত্রাপথে গোপনীয়তা বজায় রাখতে ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ রাখে তারা। সরকারি অনুমতি ছাড়াই মুকাল্লায় নোঙর করে ওই সমস্ত জাহাজ। গোয়েন্দা সূত্রে এই খবর পাওয়ার পর আর দেরি করেনি রিয়াধের বিমানবাহিনী। দ্রুত ওই বন্দর শহরকে নিশানা করে তাদের লড়াকু জেট।

০৫ ২০

রিয়াধের দাবি, বিমানহামলার আগে মুকাল্লার অসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিল তারা। ওই আক্রমণের পর আমিরশাহির বাহিনীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয় ইয়েমেন প্রশাসন। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসটিসিকে অস্ত্র সরবরাহ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ‘লাল রেখা’ হিসাবে দেখেছে সৌদি সরকার। অন্য দিকে, ‘একে রিয়াধকে দুর্বল করার কোনও আঞ্চলিক প্রচেষ্টার অংশ নয়’ বলে পাল্টা বিবৃতি দিয়েছে আবু ধাবির বিদেশ মন্ত্রক।

০৬ ২০

এ প্রসঙ্গে আমিরশাহির বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, ‘‘আমরা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রিয়াধের সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি আমাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে। ফলে ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে জোট বেঁধে আবু ধাবি কোনও ষড়যন্ত্র করছে, এই ধারণা ভিত্তিহীন। আমরা তাদের কোনও সামরিক অভিযানের জন্য প্ররোচনা বা চাপ দিইনি। এ ব্যাপারে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সৌদি আরবের মনোভাব নিন্দনীয়।’’

০৭ ২০

ইয়েমেনের বন্দরে মালবাহী জাহাজের নোঙর করার ব্যাখ্যাও অবশ্য দিয়েছে আমিরশাহি প্রশাসন। আবু ধাবির দাবি, সংশ্লিষ্ট জলযানে কোনও হাতিয়ার ছিল না। কিছু গাড়ি অবশ্য তাতে পাঠানো হয়েছিল। সেগুলি ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের জন্য নয়। ঠিক ছিল, ওই সমস্ত গাড়ি ব্যবহার করবে উপসাগরীয় দেশটিতে কর্মরত আমিরশাহির বাহিনী। যদিও আবু ধাবির এই দাবি কতটা বিশ্বাসযোগ্য তা নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট ‘সাঁজোয়া যান’ ধ্বংস করতে দু’বার ভাবেনি রিয়াধের বিমানবাহিনী।

০৮ ২০

সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইয়েমেনে বিমানহানা এবং তাকে কেন্দ্র করে সৌদি ও আমিরশাহির মধ্যে টানাপড়েনের সরাসরি প্রভাব সেখানকার শেয়ার বাজারে দেখা গিয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর এই তিন আরব দেশের তেল-সহ বিভিন্ন সংস্থার স্টকের সূচক ছিল নিম্নমুখী। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দীর্ঘ দিন ধরে রিয়াধ এবং আবু ধাবির মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। বর্ষশেষে তাতে কি চিড় ধরাচ্ছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী? গোটা ব্যাপারটা ইহুদি রাষ্ট্র ইজ়রায়েলের হাত আছে? উঠছে প্রশ্ন।

০৯ ২০

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা মনে করেন, সৌদি আরবের ‘লাল রেখা’ লুকিয়ে আছে গৃহযুদ্ধে দীর্ণ ইয়েমেনের বিভিন্ন জোট, আঞ্চলিক শক্তি এবং তাদের মধ্যে ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতার মধ্যে। বর্তমানে ওই উপসাগরীয় দেশটির বিভিন্ন এলাকার দখল নিয়ে ফেলেছে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী। নিজেদের মতো করে সেখানে সরকার চালাচ্ছে তারা। এ ছাড়া রয়েছে একটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকার। এডেনকে রাজধানী মেনে প্রশাসন পরিচালনা করছে তারা। ইয়েমেনের এই সরকারকে মান্যতা দিয়ে থাকে রিয়াধ।

১০ ২০

২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নেয় ইরান সমর্থিত প্যালেস্টাইনপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। সেখান থেকে দেশটির উত্তর-পশ্চিম অংশের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে তারা। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকারের জোটে যোগ দেয় আমিরশাহি। পরবর্তী সময়ে শান্তিপ্রতিষ্ঠার জন্য উপসাগরীয় দেশটিতে বাহিনী পাঠায় আবু ধাবি। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই অবস্থান বদল করে তারা। আঞ্চলিক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে সেখানে প্রভাব বিস্তারের জন্য এসটিসিকে সিঁড়ি করে আমিরশাহি।

১১ ২০

ইয়েমেনের এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি আবু ধাবিকে একেবারেই হতাশ করেনি। আমিরশাহির প্রচ্ছন্ন মদত মিলতেই দেশের দক্ষিণ অংশে প্রভাব ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয় তারা। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে সৌদি সরকার। রিয়াধের আশঙ্কা, আগামী দিনে উপসাগরীয় দেশটির দক্ষিণ অংশ পুরোপুরি এসটিসির হাতে গেলে ঝুঁকির মুখে পড়বে তাদের খনিজ তেল-সহ যাবতীয় রফতানি এবং আমদানি বাণিজ্য। কারণ তখন আরব সাগর, এডেন উপসাগর এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ নিয়ে যাওয়া সৌদির জন্য কঠিন হতে পারে।

১২ ২০

গত কয়েক বছর ধরে হুথিদের জন্য এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে রিয়াধ। সানা দখলের পর থেকে লোহিত সাগরের উপর নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান সমর্থিত প্যালেস্টাইনপন্থী ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী। ফলে লোহিত সাগরে একাধিক দেশের পণ্যবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে দেখা গিয়েছে তাদের। এর পাশাপাশি মালবাহী জাহাজকে অপহরণ করার মতো অভিযোগও উঠেছে হুথিদের বিরুদ্ধে। দেশের দক্ষিণ দিকের সামুদ্রিক রাস্তায় একই ধরনের বিপদ লুকিয়ে থাকুক, একেবারেই চাইছে না সৌদি প্রশাসন।

১৩ ২০

দ্বিতীয়ত, ইয়েমেনের সঙ্গে আরব দেশটির প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার লম্বা আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। রিয়াধ মনে করে, দক্ষিণের প্রতিবেশীর শাসনব্যবস্থা একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে গেলে সীমান্তে বাড়বে মাদক ও হাতিয়ার পাচার। পাশাপাশি, দেশের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে সন্ত্রাসবাদ। সেই কারণেই একটি কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধ ইয়েমেন থাকুক, বরাবর সেটা চেয়ে এসেছে সৌদি প্রশাসন। এখানেই ‘বন্ধু’ আমিরশাহির সঙ্গে মতপার্থক্য রয়েছে তাদের। ফলে দিনকে দিন বাড়ছে দ্বন্দ্ব।

১৪ ২০

ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের ব্যবহার করার নেপথ্যে আবু ধাবির আবার অন্য যুক্তি রয়েছে। সাবেক সেনাকর্তাদের কথায়, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং উপকূলরেখার উপর নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণের স্বপ্ন রয়েছে আমিরশাহির। এতে এক দিকে যেমন বিপুল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে আরও ছড়িয়ে দিয়ে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে তারা, অন্য দিকে তেমনই প্রতিরক্ষা এবং সমুদ্রপথ সুরক্ষিত করে নিতে পারবে আবু ধাবি। সেই জন্য এসটিসির মতো বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উপর বাজি ধরে বিপুল বিনিয়োগ করেছে আমিরশাহি।

১৫ ২০

২০১৭ সালে জন্ম হওয়া এসটিসি আবার হুথিদের কট্টর শত্রু। তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ হল দক্ষিণ ইয়েমেনের স্বাধীনতা। এর জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকারের রাজধানী এডেন এবং তার আশপাশের এলাকার উপর নিয়ন্ত্রণ পেতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা। আমিরশাহির সমর্থন থাকায় বর্তমানে আঞ্চলিক সম্প্রসারণের দিকে নজর দিয়েছে তারা। এতে ওই উপসাগরীয় দেশে বেড়েছে অস্থিরতা, যা মেনে নেওয়া সৌদি আরবের পক্ষে অসম্ভব, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

১৬ ২০

ইরান সমর্থিত প্যালেস্টাইনপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা গত কয়েক বছরে রিয়াধের মতো আবু ধাবিরও চিন্তা বাড়িয়েছে। কারণ, আমিরশাহির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রাস্তা হল লোহিত সাগর। সেখানে হুথিদের দাপাদাপি বন্ধ করতে এসটিসিকে ব্যবহার করতে চায় ইউএই। আবু ধাবির এই ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা’র নীতির প্রবল বিরোধী সৌদি আরব।

১৭ ২০

রিয়াধের যুক্তি, হুথির মতোই বিদ্রোহী গোষ্ঠী এসটিসিকে বিশ্বাস করা বেশ কঠিন। ইরান সমর্থিত প্যালেস্টাইনপন্থী বিদ্রোহীরা সরে গেলে নিজেদের আসল রূপ দেখাবে তারা। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ এবং জটিল হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। সাবেক সেনাকর্তারা মনে করেন, সেই কারণে বিমানহানার জন্য কৌশলগত দিক থেকে সংবেদনশীল মুকাল্লাকে বেছে নেয় সৌদি বায়ুসেনা। এডেন উপসাগর সংলগ্ন ওই বন্দর দিয়ে ইউরোপের বাজারে খনিজ তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পাঠায় পশ্চিম এশিয়ার একাধিক আরব দেশ।

১৮ ২০

সংবাদসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, গত ২৬ ডিসেম্বর এসটিসির গুপ্তঘাঁটিতে হানা দেয় সৌদি বিমানবাহিনী। এর পরই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিলে দু’পক্ষের মধ্যে চড়তে থাকে পারদ। যদিও বিদ্রোহীদের সেই সুযোগ দেয়নি রিয়াধ। মাত্র চার দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বার বিমানহামলার পর সৌদির হুমকি বুঝে যায় ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকার। তড়িঘড়ি আবু ধাবির সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল করে তারা।

১৯ ২০

ঐতিহাসিক ভাবে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে সংঘাত বিরল। খনিজ তেলের বাণিজ্য হোক বা আরব বসন্ত, পশ্চিম এশিয়ায় বছরের পর বছর ধরে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রেখে চলেছে রিয়াধ ও আবু ধাবি। এর জেরে যমজ আরব দেশের আখ্যাও পেয়েছে তারা। সংবাদসংস্থা রয়টার্স অবশ্য জানিয়েছে, ২০২০-’২১ আর্থিক বছর থেকে আলাদা রাস্তায় হাঁটা শুরু করেছে তারা। ফলে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে দ্বন্দ্বের ফাটল।

২০ ২০

বর্তমানে খনিজ তেল রফতানি দেশগুলির আন্তর্জাতিক সংগঠন ওপেক-এর (অর্গানাইজ়েশন অফ পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ়) নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সৌদি আরবের হাতে। ফলে অপরিশোধিত তেল উত্তোলন এবং তার দাম নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাচ্ছে রিয়াধ। এতে লোকসান হচ্ছে বলে বহু বার সুর চড়িয়েছে আবু ধাবি। ২০২৩ সালে সুদানের গৃহযুদ্ধে রিয়াধের জড়িয়ে পড়াকেও একেবারেই ভাল চোখে দেখেনি তারা।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement