Trump’s NATO Threats Impact on India

যৌথ উদ্যোগে অস্ত্র বানিয়ে ইউরোপের বাজারেই বিক্রি, ট্রাম্পের নেটোত্যাগের হুমকিতে ‘মাছের তেলে মাছ ভাজবে’ দিল্লি?

বার বার ৭৭ বছরের পুরনো মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইউরোপীয় সামরিক জোট ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজ়েশন’ বা নেটো ছেড়ে বেরিয়ে আসার হুমকি দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত নিলে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘লাভের গুড়’ খেতে পারে ভারত।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৫৭
Share:
০১ ১৮

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ইউরোপীয় ‘বন্ধু’দের সাহায্য চেয়ে বার বার সরব হয়েছেন তিনি। কিন্তু, ‘বড় দাদা’কে বিপদে দেখেও এগিয়ে আসেনি কেউ। ফলে, তাদের সঙ্গে হওয়া সাড়ে সাত দশকের বেশি পুরনো সামরিক চুক্তি এ বার ভেঙে ফেলার কথা বলতে শোনা যাচ্ছে তাঁকে। ‘সুপার পাওয়ার’ দেশের প্রেসিডেন্ট শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত নিলে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আখেরে লাভ হতে পারে ভারতের। ইতিমধ্যেই সেই অঙ্ক কষা শুরু করে দিয়েছে নয়াদিল্লি।

০২ ১৮

তিনি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান সংঘাতের মধ্যেই ‘দ্য টেলিগ্রাফ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ইউরোপীয় সামরিক জোট ‘উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা’ বা নেটোকে (নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজ়েশন) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। শুধু তা-ই নয়, সংশ্লিষ্ট সংগঠন ছেড়ে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিতও দিয়েছেন আমেরিকার বর্ষীয়ান প্রেসিডেন্ট। তাঁর কথায়, ‘‘এটা পুনর্বিবেচনার ঊর্ধ্বে। কারণ, আমি কখনওই নেটো দ্বারা প্রভাবিত হইনি। এই জোট কাগুজে বাঘ ছাড়া কিছুই নয়।’’

Advertisement
০৩ ১৮

নেটোকে নিয়ে ট্রাম্পের এ-হেন মন্তব্য নতুন নয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বার বার সংশ্লিষ্ট সামরিক জোট ভেঙে বেরিয়ে আসার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর যুক্তি, নেটো-ভুক্ত অধিকাংশ ইউরোপীয় রাষ্ট্র প্রতিরক্ষা খাতে খরচ করে নামমাত্র। ফলে প্রায় গোটা মহাদেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব এসে পড়েছে আমেরিকার ঘাড়ে। আর সেই বোঝা বইতে গিয়ে ধ্বংস হচ্ছে ওয়াশিংটনের অর্থনীতি। পাশাপাশি, বিপদের সময় ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলি থেকে মিলছে লবডঙ্কা।

০৪ ১৮

ট্রাম্পের এই অভিযোগ একেবারে অযৌক্তিক নয়। উদাহরণ হিসাবে ইরান যুদ্ধের কথা বলা যেতে পারে। লড়াইয়ের গোড়াতেই পারস্য উপসাগরের কৌশলগত সামুদ্রিক জলপথ হরমুজ় প্রণালী অবরুদ্ধ করে তেহরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসি। সেখান দিয়ে এত দিন বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ করছিল পশ্চিম এশিয়ার সমস্ত আরব রাষ্ট্র। এই পথ বন্ধ হতেই আন্তর্জাতিক বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে খনিজ তেলের দাম। আর তাই হরমুজ় খুলতে ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের সাহায্য চান মার্কিন প্রেসি়ডেন্ট।

০৫ ১৮

কিন্তু, ট্রাম্পের কথায় কর্ণপাত করেনি ওই দুই ইউরোপীয় দেশ। উল্টে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার স্পষ্ট বলেন, ‘‘ইরান যুদ্ধ আমাদের লড়াই নয়।’’ প্রায় একই সুর শোনা গিয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর গলায়। পাশাপাশি, তেহরান আক্রমণ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। এর জবাব দিতে গিয়ে ট্রাম্প ‘শালীনতা’র সীমা ছাড়ালে ওয়াশিংটন এবং প্যারিসের ‘ঐতিহাসিক বন্ধুত্বে’ দূরত্ব এসেছে বললে অত্যুক্তি হবে না।

০৬ ১৮

সামরিক বিশ্লেষকদের দাবি, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নেটো ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলে অনেকটাই অসুরক্ষিত হয়ে পড়বে পশ্চিম ইউরোপ। এই সুযোগে ইউক্রেনে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে পারে রাশিয়া। সেই আতঙ্ক থেকে ইতিমধ্যেই নতুন প্রতিরক্ষা অংশীদারের খোঁজ শুরু করে দিয়েছে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইটালি-সহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ভুক্ত অন্যান্য দেশ। আর সেখানে তাঁদের সামনে সবচেয়ে বড় বিকল্প হিসাবে উঠে আসছে ভারতের নাম।

০৭ ১৮

বিশেষজ্ঞেরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র নেটো ত্যাগ করলে দু’ভাবে লাভবান হবে ভারত। প্রথমত, এর জেরে অতি সহজেই ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি হাতে পাবে নয়াদিল্লি। দ্বিতীয়ত, বহু জটিল হাতিয়ারের যৌথ উৎপাদনে জোর দিতে পারে কেন্দ্র। এতে এক দিকে যেমন শক্তিশালী হয়ে উঠবে এ দেশের বাহিনী, অন্য দিকে তেমনই সামরিক সরঞ্জাম রফতানিতে বিশ্বের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থানে উঠে আসার সুযোগ পাবে ভারত। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এর ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে।

০৮ ১৮

কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক বছরে টাকার অঙ্কে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির পরিমাণ প্রায় ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে নয়াদিল্লি। ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে যেটা ছিল ২৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকা, ২০২৫-’২৬ আর্থিক বছরে সেটাই বেড়ে ৩৮ হাজার ৪২৪ কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে বিশ্বের ৮০টি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করছে ভারত। নেটো-ভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলির মাথার উপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ছাতা সরে গেলে এই সূচক আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

০৯ ১৮

বিদেশের বাজারে ভারতের যে সমস্ত হাতিয়ারের চাহিদা সর্বাধিক, সেই তালিকায় রয়েছে ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র, পিনাকা মাল্টিব্যারেল রকেট লঞ্চার এবং আকাশ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এর মধ্যে প্রথমটি রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি করেছে নয়াদিল্লি। বাকিগুলির নকশা থেকে নির্মাণে হাত আছে কেন্দ্রের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও (ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন) এবং একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা সংস্থার।

১০ ১৮

চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি বা এফটিএ (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট) সই করে ভারত। সংশ্লিষ্ট সমঝোতাটিকে ‘সমস্ত চুক্তির জননী’ (মাদার অফ অল ডিল্‌স) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরই সূত্র ধরে ফ্রান্স, জার্মানি বা ইটালির মতো দেশগুলি নয়াদিল্লির সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধিতে উৎসাহী হয়েছে। ফলে হাতিয়ারের যৌথ উৎপাদন বা একসঙ্গে গবেষণা খুব একটা কঠিন হবে বলেই মনে করছেন এ দেশের সাবেক সেনাকর্তারা।

১১ ১৮

এ বছরের মার্চে ষষ্ঠ প্রজন্মের লড়াকু জেট নিয়ে কেন্দ্রের মোদী সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করে প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বর্তমানে ওই যুদ্ধবিমান নিয়ে গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে দু’টি ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম। একটির নাম ‘গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম’ বা জিক্যাপ। এতে আছে ব্রিটেন, ইটালি এবং জাপান। অন্যটি ‘ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম’ বা এফসিএএস নামে পরিচিত। সেখানে কাজ করছেন ফ্রান্স, জার্মানি এবং স্পেনের প্রতিরক্ষা গবেষকেরা।

১২ ১৮

প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশে বলা হয়েছে, অবিলম্বে এই দু’য়ের মধ্যে যে কোনও একটিতে ঢুকে পড়ুক ভারতীয় বিমানবাহিনী। তা হলে ষষ্ঠ প্রজন্মের লড়াকু জেটের নকশা এবং রণকৌশলের প্রযুক্তি অনায়াসেই হাতে পাবে তারা। এর ফলে আগামী দিনে চিন বা পাকিস্তানের মতো শত্রুর মোকাবিলায় নয়াদিল্লি যে কয়েক যোজন এগিয়ে থাকবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সূত্রের খবর, খুব দ্রুত ‘ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম’-এর অংশ হতে পারে এখানকার বায়ুসেনার ইঞ্জিনিয়ারেরা।

১৩ ১৮

গত বছরের (প়ড়ুন ২০২৫) অক্টোবরে ভারতসফর করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার। সেখানে নয়াদিল্লির সঙ্গে প্রায় ৩৫ কোটি পাউন্ডের (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা) একটি অস্ত্রচুক্তি করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট সমঝোতা অনুযায়ী, এ দেশের বাহিনীকে হালকা ওজনের বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র (লাইটওয়েট মাল্টিরোল মিসাইল বা এলএমএম) সরবরাহ করবে ইংরেজদের প্রতিরক্ষা সংস্থা ‘থ্যালেস এয়ার ডিফেন্স’। হাতিয়ারটির সাঙ্কেতিক নাম ‘মার্টলেট’ বা ‘আগুনপাখি’।

১৪ ১৮

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, বহুমুখী ব্রিটিশ ক্ষেপণাস্ত্রটির একাধিক সংস্করণ রয়েছে। সেগুলি হল, ‘আকাশ থেকে আকাশ’, ‘আকাশ থেকে ভূমি’ এবং ‘ভূমি থেকে আকাশ’ এবং ‘ভূমি থেকে ভূমি’। ১৩ কেজি ওজনের হাতিয়ারটি লম্বায় প্রায় সওয়া চার ফুট। এর পাল্লা আট কিলোমিটার। ইউক্রেন যুদ্ধে ‘মার্টলেট’ নিজের জাত চিনিয়েছে বলে ইতিমধ্যেই দাবি করেছে একাধিক পশ্চিমি গণমাধ্যম। ইংরেজ বিমানবাহিনীর সামরিক কপ্টারেও এর বহুল ব্যবহার হচ্ছে।

১৫ ১৮

গত কয়েক বছর ধরে ইউরোপ থেকে শুরু করে পশ্চিম এশিয়ার রণাঙ্গনে যুদ্ধ পরিস্থিতি বদলাতে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা নিচ্ছে ড্রোন। এর উৎপাদন এবং গবেষণার পরিসর বৃদ্ধি করেছে ভারত। সেখানেও একাধিক নেটো-ভুক্ত দেশের অন্তর্ভুক্তির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আমেরিকা সরে গেলে সেটা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তা ছাড়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহেও সুবিধা পেতে পারে এ দেশের বাহিনী।

১৬ ১৮

যদিও ট্রাম্পের নেটোত্যাগের সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়া একেবারেই সহজ নয়। আমেরিকার সংবিধান অনুযায়ী, কোনও এগ্‌জ়িকিউটিভ আদেশনামায় সই করে এটা করতে পারবেন না তিনি। তার জন্য চাই পার্লামেন্ট তথা কংগ্রেসের অনুমোদন। ১৯৪৯ সালে নেটো গঠনের সময়ও চূড়ান্ত সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের এই আইনসভা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে তখন ছিলেন হ্যারি ট্রুম্যান। গোড়ায় মাত্র ১২টি রাষ্ট্র মিলে নেটো গঠিত হলেও পরবর্তী কালে এর সদস্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২।

১৭ ১৮

২০২৩ সালে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ একটি আইন পাশ করে মার্কিন কংগ্রেস। সেখানে বলা হয়, কোনও আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে ইচ্ছামতো নাম প্রত্যাহার করতে পারবেন না তিনি। এর জন্য কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ তথা সেনেটে আনতে হবে প্রস্তাব। সেটা দুই তৃতীয়াংশ ভোটে পাশ হলে সংশ্লিষ্ট সমঝোতা ভেঙে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন প্রেসিডেন্ট। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা বর্তমানে ট্রাম্পের হাতে আছে কি না তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

১৮ ১৮

তবে মার্কিন প্রেসি়ডেন্ট ইচ্ছা করলে নেটোয় যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্ব হ্রাস করতে পারেন। অর্থাৎ, ইউরোপীয় সামরিক ঘাঁটি থেকে সৈন্য প্রত্যাহার বা নেটো-ভুক্ত দেশগুলিকে হাতিয়ার সরবরাহ বন্ধ রাখার মতো সিদ্ধান্ত একক ভাবে নেওয়ার ক্ষমতা আছে তাঁর। সে ক্ষেত্রে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় জোট কোয়াডের মতোই গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে নেটো। আর এর ফলে ভারতের সামনে বিপুল সম্ভাবনা খুলতে পারে।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement