ছবি : সংগৃহীত।
শীত ধীরে ধীরে কমছে। ঋতুবদলের সময়ে নানা ধরনের অসুখবিসুখের প্রকোপ বাড়ে। যে জন্য এই সময়ে স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ায় মন দেন মানুষ। ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার মতো বলবৃদ্ধি করে নিতে চান। ফলে তেতো, নানা ধরনের শাক, মরসুমি সব্জি আসতে শুরু করে বাজারে। তেমনই এক রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধিকারী সব্জি হল মুলো এবং তার শাক। বঙ্গে মুলো এবং মুলোশাকের নানা রকমের রান্না নেই তা নয়। তবে ওড়িশার এই রান্নাটি এক বার মুখে দিলে বার বার খেতে ইচ্ছে করবে।
নাম ‘বাদাম দিয়া মুলা’। বাংলায় বললে বাদাম দিয়ে মুলো। তবে এ রান্নায় বাদাম আর মুলোর বাইরেও আরও অনেক কিছু রয়েছে। হালকা শীতের দুপুরে ভাতের সঙ্গে এমন একটি তরকারি যেমন পেট ঠান্ডা রাখবে তেমনই স্বাস্থ্যও ভাল রাখতে সাহায্য করবে।
কী ভাবে বানাবেন?
উপকরণ:
১টি মাঝারি আলু
১টি ছোট বেগুন
১টি মাঝারি মাপের মুলো
২ কাপ কুচনো মুলোশাক
৬-৭ টুকরো কুমড়ো
১/৪ কাপ ভাজা চিনাবাদাম
৪-৫ কোয়া রসুন
২টি শুকনো লঙ্কা
১টি কাঁচা লঙ্কা
১/২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
১ চা চামচ সর্ষের দানা
১টি মাঝারি টম্যাটো
স্বাদমতো নুন
প্রণালী:
আলু, বেগুন, মুলো, কুমড়ো, টম্যাটো ভাল ভাবে ধুয়ে একই মাপের টুকরোয় কেটে নিন।
একটি পাত্রে সামান্য জল দিয়ে আঁচে বসান। তাতে আলু, বেগুন, মুলো, কুমড়ো এবং কুচনো মুলোশাক দিয়ে ফুটতে দিন। সব্জি এবং শাক নরম হয়ে গেলে জল ঝরিয়ে রেখে দিন।
মিক্সিতে চিনেবাদাম, রসুন, একটি শুকনো লঙ্কা এবং কাঁচা লঙ্কা বেটে নিন। প্রয়োজন হলে অল্প জল দিতে পারেন।
এ বার কড়াইয়ে সর্ষের তেল হালকা ধোঁয়া ওঠা পর্যন্ত গরম করুন। সর্ষে এবং শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বেরোলে বাটা মশলাটি দিয়ে কম আঁচে ৩-৪ মিনিট ধরে ভাল ভাবে নেড়ে নিন। এর পরে নুন এবং টম্যাটো দিয়ে দিন এবং টম্যাটো নরম না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
শেষে ভাপিয়ে নেওয়া সব্জি দিয়ে নাড়াচাড়া করে অল্প জল দিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করে আঁচ বন্ধ করুন।