বিরল কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কার ভারতীয় বংশোদ্ভূতের

এত দিন যা নিছক হিসেবনিকেশের মধ্যে আটকে ছিল, সেই মাঝারি মাপের ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের প্রকৃত অবস্থান সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরলেন নাসার এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত গবেষক। নাম, ধীরজ পাশাম। আমেরিকার মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ধীরজের সঙ্গে এর কৃতিত্ব ভাগ করে নিয়েছেন তাঁর দুই সহকর্মীও।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৯ অগস্ট ২০১৪ ০৩:১০
Share:

এত দিন যা নিছক হিসেবনিকেশের মধ্যে আটকে ছিল, সেই মাঝারি মাপের ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের প্রকৃত অবস্থান সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরলেন নাসার এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত গবেষক। নাম, ধীরজ পাশাম। আমেরিকার মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ধীরজের সঙ্গে এর কৃতিত্ব ভাগ করে নিয়েছেন তাঁর দুই সহকর্মীও। ধীরজরা দাবি করেছেন, তাঁরা ৬টি মাঝারি মাপের কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ পেয়েছেন পৃথিবী থেকে ১.২ কোটি আলোকবর্ষ দূরে, এম-৮২ নক্ষত্রপুঞ্জে। সেগুলির নিখুঁত মাপও তাঁরা বের করতে পেরেছেন। তাঁদের এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার’ জার্নালে। ২০০৮-এ মুম্বই আইআইটি থেকে পাশ করেছেন ধীরজ। বর্তমানে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে গবেষণা করছেন তিনি।

Advertisement

বড় ও মহাকায় কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ পাওয়া গেলেও এত দিন মাঝারি মাপের কৃষ্ণগহ্বরের হদিস আটকে ছিল কেবল খাতায়-কলমে। অনেক বিজ্ঞানী এর উপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন। ফলে ধীরজদের আবিষ্কার সাড়া ফেলেছে বিজ্ঞানী মহলে। বড় কৃষ্ণগহ্বরের ওজন সূর্যের চেয়ে ১০ থেকে ১০০ গুণ বেশি। মহাকায় কৃষ্ণগহ্বর সূর্যের তুলনায় অন্তত ১০ লক্ষ গুণ ভারী। ধীরজরা যে ছ’টি কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান পেয়েছেন, সেগুলির ওজন এর মাঝামাঝি। নাসা এ বার তাদের নতুন এক্স-রে দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে এগুলি সম্পর্কে আরও তথ্য জোগাড় করবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement