হায়দরাবাদ নিয়ে তোপ দাগলেন আজহার

গত জানুয়ারিতে এইচসিএ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়িয়েছিলেন আজহার। কিন্তু নির্বাচনের আগেই তাঁর মনোয়ন খারিজ হয়ে যায়। তার পর এইচসিএ নিয়ে গত কয়েক মাসে মুখ খোলেননি আজহারউদ্দিন।

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২০ অগস্ট ২০১৭ ০৪:৪৯
Share:

প্রতিবাদী আজহারউদ্দিন!

প্রতিবাদী আজহারউদ্দিন! প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়কের তোপের মুখে তাঁরই রাজ্য সংস্থা হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এইচসিএ)।

Advertisement

আজহারের অভিযোগ, লোঢা কমিটির সুপারিশ মেনে চলছে না এইচসিএ। শুধু তাই নয়। দল গঠন থেকে ক্রিকেট প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সংস্থা নানা দুর্নীতি এবং অনিয়মকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে। যদিও আজহারের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন এইচসিএ কর্তারা।

গত জানুয়ারিতে এইচসিএ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়িয়েছিলেন আজহার। কিন্তু নির্বাচনের আগেই তাঁর মনোয়ন খারিজ হয়ে যায়। তার পর এইচসিএ নিয়ে গত কয়েক মাসে মুখ খোলেননি আজহারউদ্দিন। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি অভিযোগ তোলেন মইনউদ্দৌল্লা ট্রফিতে যোগ্য ক্রিকেটারদের বঞ্চিত করেছে এইচসিএ।

Advertisement

তাঁর কথায়, ‘‘মইনউদ্দৌল্লা টুর্নামেন্টে এইচসিএ-র দু’টো দল ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে দু’দিনের লিগে যে সব ক্রিকেটাররা তিনটের বেশি শতরান করেছে বা একাধিক ম্যাচে পাঁচ উইকেটের বেশি নিয়েছে, তাদের সুযোগ দেওয়া দূরের কথা। নামই বিবেচনা করা হয়নি। এটা খুব দুর্ভাগ্যের ব্যাপার।’’

এর পরেই আজহার ভরা সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, এইচসিএ লোঢা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী নির্বাচক নিয়োগ করছে না। এ ব্যাপারে নিজামের শহরের এই ক্রিকেট নক্ষত্রের বক্তব্য, ‘‘লোঢা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, যে সব ক্রিকেটার খেলোয়াড় জীবনে তাঁর রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার হয়ে কমপক্ষে পঁচিশটি ম্যাচ খেলেছেন, তাঁরাই নির্বাচক হতে পারবেন। কিন্তু এইচসিএ-তে তা মানা হচ্ছে না।’’

সাংবাদিকদের কাছে প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের আবেদন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোঢা কমিটির সুপারিশকে অগ্রাহ্য করে যে ভাবে এইচসিএ চলছে, সেটাই সর্বোচ্চ আদালতের নজরে আনতে চাই।’’

আজহারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এইচসিএ প্রেসিডেন্ট জি বিবেকানন্দকে যোগাযোগ করা হলে তিনি অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। বিবেকানন্দ বলেন, ‘‘প্রশাসকদের কমিটি রয়েছে। লোঢা কমিটির সুপারিশ মানা হচ্ছে কি না সেটা তাঁরা নজরে রাখছেন। এটা বিচারাধীন বিষয়। যদি কোনও দুর্নীতি বা অনিয়ম আজহারের নজরে আসে, তা হলে তিনি সুপ্রিম কোর্টকে জানাতেই পারেন।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement