পিভি সিন্ধু। —ফাইল চিত্র।
ভারতের প্রথম মহিলা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় হিসাবে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থার অ্যাথলিট কমিশনে জায়গা করে নিয়েছেন পিভি সিন্ধু। অর্থাৎ, খেলার পাশাপাশি এ বার প্রশাসনে নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থার সদস্য হিসাবে ভোটাধিকারও থাকবে সিন্ধুর।
২০২৫ সালের শেষে সিন্ধুকে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থায় সদস্য করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। তাতেই সিলমোহর পড়েছে। ইতিমধ্যেই সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভাতেও যোগ দিয়েছেন সিন্ধু। এ বার নতুন দায়িত্ব সামলাতে হবে তাঁকে।
গোটা বিশ্বে সুষ্ঠু ভাবে ব্যাডমিন্টন চালানোর নেপথ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থা। আইন তৈরি থেকে শুরু করে প্রতিযোগিতার আয়োজন, সবেতেই শেষ সিদ্ধান্ত থাকে সংস্থার। সেখানে সদস্য হওয়ায় এর পর থেকে সংস্থার সব আলোচনায় যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন সিন্ধু। খেলোয়াড়দের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কথা বলতে পারবেন তিনি। খেলোয়াড়দের প্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পাবেন সিন্ধু।
খেলোয়াড় থাকাকালীন বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থার সদস্য হওয়ার নজির খুব একটা বেশি নেই। অর্থাৎ, সিন্ধু সেই কয়েক জনের মধ্যে পড়েন, যাঁরা খেলোয়াড় ও প্রশাসক জীবন একসঙ্গে চালিয়েছেন। সিন্ধু শুধুমাত্র ভারতের অন্যতম সেরা ব্যাডমিন্টন তারকা নন, গত কয়েক বছরে তিনি ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের মুখ হয়ে উঠেছেন। সেই কারণেই হয়তো তাঁকে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর অলিম্পিক্সে জোড়া পদকজয়ী সিন্ধু বলেন, “বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থা আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে তা অত্যন্ত সম্মানের। এই দায়িত্ব পেয়ে আমি গর্বিত। চিরকাল আমি খেলোয়াড়দের জন্য আওয়াজ তুলেছি। আগামী দিনেও সেটাই করব। ব্যাডমিন্টন আমাকে সব দিয়েছে। সেই খেলার জন্য কিছু করতে পারলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।”
বিশ্ব ব্যাডমিন্টন সংস্থার সভাপতি খুনইং পাতামা লিসওয়াদ্রাকুলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সিন্ধু। সংস্থায় যে অধিকার তিনি পেয়েছেন, তার মর্যাদা রাখবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। সিন্ধুকে ব্যাডমিন্টন সংস্থায় স্বাগত জানিয়েছেন লিসওয়াদ্রাকুল। তাঁর মতে, সিন্ধুর অভিজ্ঞতা তাঁদের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে কাজে লাগবে।