ফাইল চিত্র
সম্প্রতি আইনি লড়াইয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছে বিসিসিআই। হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত একটি খবরে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
সোমবার, লোঢা কমিটির কাছে ক্লিন বোল্ড হয় বিসিসিআই। এর ফলে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে আরও এক বার পিছু হটতে হয় বিসিসিআইকে। অনুরাগ ঠাকুর বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট এবং অজয় শিরকে সচিব পদ থেকে অপসারিত হন।
সূত্রের খবর, ২০০৩ সাল থেকে আইপিএলের স্পট ফিক্সিং নিয়ে বিসিসিআই যে আইনি লড়াই চালিয়েছে, তার খরচ ১০০ কোটির উপর ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা খবর তাতে বিভিন্ন মামলায় প্রতিদিন প্রায় নয় লাখ টাকা গুনতে হয়েছে বোর্ডকে। আরিয়াম্মা সুন্দরম, কপিল সিব্বল, মুকুল রোহাতগি, শেখর নাফাদে এবং অরবিন্দ দাতারের মতো নামী উকিলরা বিসিসিআইয়ের হয়ে মামলা লড়েছেন। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মুকুল মুদগল এবং রাজেন্দ্র মাল লোঢার নেতৃত্বে দুটি কমিশন তৈরি হয়। এই দুই কমিশনের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করতে হয়েছে বিসিসিআইকে।
আইপিএল স্পট ফিক্সিংকাণ্ডে তিন সদস্যের তৈরি মুদগল কমিটির কাজের পারিশ্রমিক ছিল দিনে এক লক্ষ টাকা করে। যা বেধে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে এই নির্দেশ দেয় আদালত। এই কমিটি চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করে ২০১৪ সালের নভেম্বরে। বিসিসিআইয়ের এক কর্তা বলেন, “২০১৫ সাল পর্যন্ত আইপিএল স্পট ফিক্সিং মামলায় প্রায় ৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ভার বহন করেছে বিসিসিআই।” সোমবার শীর্ষ আদালতের রায়ে অনুরাগ ঠাকুর অপসারিত হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই খরচ ১০০ কোটির উপর ছাড়াবে কিন্তু তার বিনিময়ে কী পেলাম?”
বিসিসিআই সূত্রের আরও খবর, লোঢা কমিটির এই তদন্তে খরচ প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। ২০১৫ সালে জানুয়ারিতে নিয়োগ করা হয় লোঢা কমিটি। ২০১৩ থেকে গত সোমবার পযর্ন্ত ৯১টি শুনানি হয়েছে এই সব মামলায়।