রিঙ্কু সিংহ। —ফাইল চিত্র।
ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলেন রিঙ্কু সিংহ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দলেই সুযোগ পাননি কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটার। তবে তাঁকে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে রেখেছেন অজিত আগরকরেরা। দলের প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে প্রস্তুত রিঙ্কু।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের অন্যতম সেরা ফিনিশার হিসাবে বিবেচনা করা হয় রিঙ্কুকে। সাধারণত ব্যাটিং অর্ডারের ছয় বা সাত নম্বরে নামেন। ফিল্ডার হিসাবেও নির্ভরযোগ্য রিঙ্কু। ধারাবাহিকতার অভাবে ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়লেও ঘরোয়া ক্রিকেটে উত্তরপ্রদেশের হয়ে রান করে ফিরে এসেছেন। রিঙ্কু অবশ্য নিজেকে লোয়ার মিডল অর্ডার ব্যাটার বলে মনে করেন না। যে কোনও জায়গায় ব্যাট করার জন্য তৈরি তিনি। যদিও দেশের হয়ে খেলা ২৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ১৪টিতেই ছ’নম্বরে বা তার নিচে ব্যাট করেছেন। বাকিগুলিতে চার বা পাঁচ নম্বরে নামার সুযোগ পেয়েছেন।
সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে রিঙ্কু বলেছেন, ‘‘আমি সাধারণত যে জায়গায় ব্যাট করতে নামি, তাতে সমর্থকেরা আমাকে ফিনিশারই মনে করেন। আমি শুধু ওই জায়গাতেই খেলতে পারি, তা নয়। যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে পারি। ঘরোয়া ক্রিকেটে এবং ভারতীয় দলের হয়ে পাওয়ার প্লে-তেও ব্যাট করেছি। আমার তিনটি অর্ধশতরানই পাওয়ার প্লে-তে ব্যাট করে।’’
রিঙ্কুর দাবি অমূলক নয়। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে চার নম্বরে ব্যাট করে রিঙ্কুর গড় ৪৯। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করে গড় ৪০.৮৬। আইপিএলে রিঙ্কুর রেকর্ড আরও ভাল। কেকেআরের হয়ে ১৩টি ম্যাচে পাঁচ নম্বরে ব্যাট করেছেন। তাঁর গড় ৪৫.২২। স্ট্রাইক রেট ১৪৫.৩৬। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে গৌতম গম্ভীরদের সম্ভবত সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন রিঙ্কু।
বিশ্বকাপের সুযোগ কাজে লাগাতে চান রিঙ্কু। তিনি আরও বলেছেন, ‘‘দলে সুযোগ পেলে সকলেরই ভাল লাগে। ভারতের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ভাগ্যের ব্যাপার। অনেক সময় দলের কম্বিনেশনের জন্য সুযোগ হয় না। দলের পরিকল্পনার সঙ্গে হয়তো কারও খেলার ধরন মেলে না। দলের ভারসাম্য ঠিক রাখতে বা পরিকল্পনার জন্য অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এগুলো নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।’’ উল্লেখ্য, গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল দলে ছিলেন না রিঙ্কু। রিজার্ভ সদস্য হিসাবে গিয়েছিলেন।