ড্য়ামিয়েন মার্টিন। ছবি: সমাজমাধ্যম।
ক্রিকেট মাঠে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অনেক বার বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন। মাঠের বাইরেও সাহসী লড়াই করলেন ড্যামিয়েন মার্টিন। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার দু’দিনের মধ্যেই কোমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে আসবেন বলেও জানা গিয়েছে। মার্টিনের স্বাস্থ্যের খবর জানিয়েছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন উইকেটকিপার জানিয়েছেন, কোমা থেকে বেরিয়ে আসাই শুধু নয়, এখন কথাও বলতে পারছেন মার্টিন। গিলক্রিস্টের কথায়, “গত ৪৮ ঘণ্টায় যা হয়েছে তা অবিশ্বাস্য। এখন কথা বলতে পারছে মার্টিন। চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছে। কোমা থেকে বেরোনোর পর অসাধারণ উন্নতি হয়েছে। পরিবারের মতে, এটা অলৌকিকের থেকে কোনও অংশে কম নয়।”
গিলক্রিস্টের সংযোজন, “ওর পরিবার আশাবাদী যে খুব তাড়াতাড়ি মার্টিন আইসিইউ থেকে ছাড়া পেয়ে হাসপাতালের অন্য কোনও জায়গায় স্থানান্তরিত হবে। এটা সুস্থ হয়ে ওঠারই লক্ষণ। খুব দ্রুত সব কিছু বদলে গেল। মার্টিন নিজেও খুব খুশি। যে ভাবে ওর পাশে সকলে রয়েছে তাতে আপ্লুত। এখনও কিছু চিকিৎসা বাকি। তবে সব কিছুই ভাল মনে হচ্ছে।”
মার্টিনের স্ত্রী আমান্ডাও খুব খুশি বলে জানিয়েছেন গিলক্রিস্ট। আগামী কয়েক দিন মার্টিনকে হাসপাতালেই থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন অসি উইকেটকিপার। গিলক্রিস্টের কথায়, “যে ভালবাসা, শুভকামনা এবং যত্ন পেয়েছে তার জন্য আমান্ডা সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চায়। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকাতেও ও খুশি। প্রয়োজনের সময় অনেক মানুষ এসে ওর পাশে দাঁড়িয়েছেন।”
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬৭ টেস্টে ৪৪০৬ রান করেছেন মার্টিন। ২০৮ এক দিনের ম্যাচে করেছেন ৫৩৪৬ রান। টেস্ট ও এক দিনের ম্যাচ মিলিয়ে মোট ১৮ শতরান করেছেন ৫৪ বছর বয়সি এই ব্যাটার। দুই ফরম্যাট মিলিয়ে ১৪টি উইকেটও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল মার্টিনের। ফাইনালে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভারতের বিরুদ্ধে ৮৮ রান করেছিলেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ২০০৬ সালে ক্রিকেট থেকে অবসরের পর ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় দেখা যেত তাঁকে। তবে গত কয়েক বছরে তা-ও কমিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।