মুস্তাফিজুর রহমান। —ফাইল চিত্র।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএল খেলার আশাভঙ্গ হওয়ার আগের দিনেই নজির গড়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সমাজমাধ্যমে তা নিয়ে উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজির গড়েও তাঁর এ বার আইপিএল খেলা হচ্ছে না।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে শুক্রবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন মুস্তাফিজুর। শুধু তাই নয়, জোরে বোলার হিসাবে দ্রুততম ৪০০ উইকেট নেওয়ার নজিরও গড়েন। ভেঙে দেন পাকিস্তানের ওয়াহাব রিয়াজ়ের রেকর্ড। মুস্তাফিজুর ৪০০ উইকেট নিয়েছেন ৩১৫টি ম্যাচ খেলে। রিয়াজ় ৪০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন ৩৩৫তম ম্যাচে। বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসাবে এই কৃতিত্ব গড়েছেন।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সব মিলিয়ে দ্রুততম ৪০০ উইকেট নেওয়ার নজির রয়েছে আফগানিস্তানের রশিদ খানের। তিনি ২৮৯টি ম্যাচে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। সেই হিসাবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট নেওয়া দ্বিতীয় দ্রুততম বোলার হলেন মুস্তাফিজুর। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির। তিনি ৩২০টি ম্যাচে ৪০০ উইকেট পূর্ণ করেন।
শুক্রবার রংপুর রাইডার্সের হয়ে সিলেট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর। ওই ম্যাচের আগে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর উইকেট সংখ্যা ছিল ৩৯৯। মেহদি হাসান মিরাজকে আউট করে ৪০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন বাঁহাতি জোরে বোলার। এখন ২০ ওভারের ক্রিকেটে তাঁর উইকেট ৪০২টি।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়ার আনন্দ সমাজমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন বাঁহাতি জোরে বোলার। যদিও তাঁর সেই উচ্ছ্বাস স্থায়ী হয়নি। পরের দিনই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে বাংলাদেশের জোরে বোলারকে দল থেকে বাদ দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা পেয়েও এ বার আইপিএল খেলা হবে না তাঁর।