আরসিবি দল। ছবি: পিটিআই।
এ বারের আইপিএলে বিরাট কোহলির আরসিবি দু’টি ঘরের মাঠ বেছে নিয়েছে। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের পাশাপাশি তারা খেলবে ছত্তিশগড়ের রায়পুরে। তবে দ্বিতীয় ঘরের মাঠে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিয়মভঙ্গের অভিযোগে রায়পুরের মাঠ-সহ আরও পাঁচটি স্টেডিয়ামকে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় গ্রিন ট্রাইবুনাল (এনজিটি)। জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের মাঠে খেলা চালাতে দেওয়া হবে।
অতীতে এনজিটি মামলা দায়ের হয়েছিল দেশের ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলির বিরুদ্ধে। মাটির তলা বা বিশুদ্ধ জল দিয়ে পিচ তৈরি করার পরিবর্তে পরিশোধন কেন্দ্র থেকে পাওয়া জলে পিচ তৈরির আবেদন জানানো হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে এনজিটি-র তরফে প্রতিটি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তাদের মাঠে জলের উৎস সম্পর্কে। সেই তথ্য একত্র করছে সেন্ট্রাল গ্রাউন্ড ওয়াটার অথরিটি।
গত ১৬ এপ্রিল একটি নির্দেশনামায় এনজিটি চেয়ারপার্সন বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং দুই সদস্য এ সেন্থিল ভেল এবং আফরোজ় আহমেদ জানান যে, বার বার বলার পরেও সাতটি স্টেডিয়াম নিজেদের জলের উৎস সম্পর্কে এনজিটি-কে কিছু জানায়নি। শুনানিতে হায়দরাবাদ ক্রিকেট সংস্থা তিন সপ্তাহ সময় চায়। বাকি ছ’টি সংস্থা শুনানিতে হাজিরও হয়নি। চিঠির উত্তরও দেয়নি।
রায়পুর ছাড়াও যে ছ’টি স্টেডিয়ামকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হল দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, জয়পুরের সওয়াই মানসিংহ স্টেডিয়াম, মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়াম, লখনউয়ের একানা স্টেডিয়াম এবং কটকের বরাবাটি স্টেডিয়াম। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, নিয়মভঙ্গের কারণে কেন তাদের মাঠে সব ক্রিকেটীয় কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়া হবে না?
এর মধ্যে লখনউয়ে আইপিএলের ম্যাচ হচ্ছে। রায়পুর, জয়পুরে আইপিএলের ম্যাচ হবে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে ম্যাচ হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। দিল্লিতে ইতিমধ্যেই ম্যাচ হয়েছে।