Avishek Dalmiya

সমর পালের অভিযোগের পাল্টা দিলেন অভিষেক ডালমিয়া, ‘সব মিথ্যা, স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাব, প্ররোচনায় করা হয়েছে’

সিএবির প্রাক্তন কর্তা সমর পাল সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। এই নিয়ে পাল্টা দিলেন অভিষেক।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ০০:০৯
Share:

অভিষেক ডালমিয়া। ছবি: সমাজমাধ্যম।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরে নাকি অভিষেক ডালমিয়া এই রাজ্যের ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থার (সিএবি) সচিব এবং সভাপতি হয়েছিলেন। সিএবির-ই প্রাক্তন কর্তা সমর পালের এই বক্তব্যের পাল্টা দিলেন অভিষেক।

Advertisement

সিএবির প্রাক্তন যুগ্ম সচিব ও সহ-সভাপতি সমর শুক্রবার বলেছিলেন, তাঁরই সেই সময় সভাপতি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁকে নাকি নির্বাচনে লড়তে দেওয়া হয়নি। এই নিয়ে অভিষেক বলেছেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে সিএবি-র সভাপতি পদের নির্বাচনে ওঁকে (সমরকে) লড়তে বাধা দেওয়া হয়েছিল— এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই।’’

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে লেখা চিঠিতে সমর অভিযোগ করেছিলেন, যে হেতু সেই সময় তিনি সিএবির সহ-সভাপতি ছিলেন, তাই তাঁরই সভাপতি হওয়ার কথা ছিল। এই নিয়ে অভিষেক বলেছেন, ‘‘যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, সেই সময়ে উনি সহ-সভাপতি ছিলেন না। ওঁর মেয়াদ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়ে গিয়েছিল।’’

Advertisement

এই নিয়ে অভিষেকের আরও সংযোজন, ‘‘এটাও বুঝতে হবে যে, কেবল সহ-সভাপতি থাকলেই কেউ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মুখোমুখি না হয়ে আপনাআপনি সভাপতি হয়ে যেতে পারেন না। আমার যতদূর মনে পড়ছে, গত তিন দশকে সিএবির কোনও সহ-সভাপতিই সংস্থার সভাপতি হননি। এ ক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম আমার প্রয়াত পিতা (জগমোহন ডালমিয়া)। তিনি সহ-সভাপতি হওয়ার পর সিএবির সভাপতি হয়েছিলেন।’’

সিএবির বাকি সদস্যদের সমর্থন তাঁর দিকে ছিল বলে যে দাবি সমর করেছেন, তা-ও উড়িয়ে দিয়েছেন অভিষেক। বলেছেন, ‘‘এটা ওঁর কল্পনার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। উনি আমার বাবার বিরুদ্ধে বার বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং প্রতি বারই ব্যর্থ হয়েছেন। উনি যদি আমার বিরুদ্ধেও লড়ার সিদ্ধান্ত নিতেন, তা হলে ওঁকে স্বাগত জানাতাম। গণতান্ত্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ওঁকে হারানো আমার জন্য একটি গৌরবের বিষয় হতো।’’

গোটা বিষয়টিতেই চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছেন অভিষেক। বলেছেন, ‘‘এই সব দাবির পিছনে কোনও তথ্যগত ভিত্তি নেই। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এমন একটি বক্তব্য রাখা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। এই বক্তব্যের সময়, সুর এবং ধরণ গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। আশঙ্কা তৈরি হয়, অভিযোগগুলি কোনও তথ্যের উপর ভিত্তি করে নয়, বরং কোনও গোপন উদ্দেশে করা হতে পারে। এরকমও সম্ভাবনা থাকতে পারে যে, এই মন্তব্যগুলি কোনও স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাব, পরামর্শ বা প্ররোচনায় করা হয়েছে। এর মধ্যে এমন কিছু ব্যক্তিও জড়িত থাকতে পারেন যাঁরা কোনও না কোনও ভাবে এরিয়ান ক্লাবের পরিচালনা বা কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement