(বাঁ দিক থেকে) সূর্যকুমার যাদব, গৌতম গম্ভীর ও জয় শাহ। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
শনিবার মুম্বইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে গেলেন গৌতম গম্ভীর ও সূর্যকুমার যাদব। ভারতের কোচ ও অধিনায়কের সঙ্গে ছিলেন আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ। তাঁদের সঙ্গে ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি।
শনিবার দুপুরে সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে যান সূর্যেরা। আগে থেকেই সেখানকার নিরাপত্তা জোরদার ছিল। মন্দিরে গিয়ে গণেশের পুজো দেন তাঁরা। ট্রফির উপর মালা পরানো ছিল। মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ছবিও তোলেন ভারতের কোচ, অধিনায়ক। সূর্যদের দেখতে ভিড় জমেছিল মন্দিরের বাইরে। পুজো দিয়ে অবশ্য বেশি ক্ষণ সেখানে ছিলেন না তাঁরা। দ্রুত মন্দির থেকে বেরিয়ে যান।
সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরের ভিতরে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে গৌতম গম্ভীর ও সূর্যকুমার যাদব। ছবি: এক্স।
গত রবিবার বিশ্বকাপ জেতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সূর্যদের দেখা মিলেছিল মন্দিরে। অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের পাশেই রয়েছে হনুমান টেকরি মন্দির। সেখানেই পুজো দিতে গিয়েছিলেন গম্ভীর ও সূর্য। ছিলেন জয় শাহও। তিন জন মিলে পুজো দেন। সূর্যের গলায় ছিল গাঁদা ফুলের মালা। পুজো দেওয়ার পর আবার স্টেডিয়ামে ফেরেন তাঁরা। সেখান থেকে দলের সঙ্গে হোটেলে যান কোচ ও অধিনায়ক।
ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার পর থেকে গম্ভীরের পুজো দেওয়ার ট্র্যাডিশন চলছে। যেখানেই খেলা থাকুক, স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিতে চলে যান ভারতীয় দলের কোচ। কখনও কলকাতার কালীঘাটে, কখনও পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে, কখনও গুয়াহাটির কামাখ্যা, আবার কখনও মুম্বইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে দেখা যায় গম্ভীরকে। তাঁর সঙ্গে কখনও সূর্য থাকেন, তো কখনও সহকারী সীতাংশু কোটাক। বিশ্বকাপ জেতার পরেও সেই ছবি দেখা যাচ্ছে।
গম্ভীরদের এই মন্দিরে যাওয়া নিয়ে সমাজমাধ্যমে সমালোচনাও হয়েছে। প্রকাশ্যে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন ভারতের ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার কীর্তি আজ়াদ। তাতে যে গম্ভীরেরা কান দিচ্ছেন না, তা তাঁদের এ দিনের মন্দিরে যাওয়া থেকেই স্পষ্ট।