ICC T20 World Cup 2026

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে চাপানউতর, আফ্রিদির রোষে আইসিসি, হরভজনের নিশানায় পাক বোর্ড

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বিতর্ক থামছে না। আইসিসির ভূমিকার সমালোচনা করেছেন শাহিদ আফ্রিদি। ভারতকেও নিশানা করেছেন তিনি। হরভজন সিংহ আবার পাক বোর্ডের অযাচিত আচরণের সমালোচনা করেছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:০৯
Share:

(বাঁ দিকে) শাহিদ আফ্রিদি এবং হরভজন সিংহ (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ যাওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থাকে (আইসিসি) দুষলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি। নিয়মের অসঙ্গতির কথা বলেছেন তিনি। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইস্যুকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সক্রিয় হয়ে ওঠায় মহসিন নকভিদের সমালোচনা করেছেন হরভজন সিংহ।

Advertisement

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর একে একে মুখ খুলছেন প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা। ভারত এবং পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা সুর চড়িয়েছেন। আইসিসির নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলে আফ্রিদি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসাবে আইসিসির অসঙ্গতি দেখে আমি হতাশ। গত বছর নিরাপত্তা কারণ দেখিয়ে পাকিস্তানে খেলতে আসেনি ভারত। আইসিসি তখন ভারতের উদ্বেগ মেনে নিয়েছিল। অথচ বাংলাদেশের একই উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া হল না।’’ প্রাক্তন অলরাউন্ডার আরও লিখেছেন, ‘‘নিয়ম সব ক্ষেত্রে একই হওয়া উচিত। আইসিসির দায়িত্ব সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করা। সম্পর্ক ভাঙা নয়।’’ আফ্রিদির বোঝাতে চেয়েছেন, আইসিসি ভারতকে বাড়তি সুবিধা দিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অন্য রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

হরভজন আবার বাংলাদেশ ইস্যুতে পিসিবির সক্রিয়তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। ভারতের প্রাক্তন স্পিনারের মতে, অযাচিত আচরণ করছেন নকভিরা। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে হরভজন বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছিল। এক বনাম দুই করার চেষ্টা করছিল। পাকিস্তান শ্রীলঙ্কায় খেলবে। আগে থেকেই এটা ঠিক ছিল। নতুন যে সমস্যাটা তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে ওদের সম্পর্ক ছিল না। তা-ও কেন আগবাড়িয়ে হস্তক্ষেপ করছে? শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশই বিশ্বকাপ থেকে বাদ হয়ে গেল।’’

Advertisement

ভাজ্জি বাংলাদেশেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘ভারতে খেলতে আসার আপত্তি নিয়ে ওরা আগে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করতে পারত। তা না করে প্রথমে নিজেরাই ঘোষণা করেদিল। এ ক্ষেত্রে আলোচনার রাস্তা খোলা রেখে এগোনো উচিত ছিল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া হলে হয়তো ওদের তেমন সুযোগ থাকত না। কিন্তু এ বার ওরা দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছোতে পারত। সুপার এইটে হয়তো একাধিক অঘটনও ঘটাতে পারত। শেষ পর্যন্ত যা হল সেটা আসলে বাংলাদেশেরই পরাজয়। অন্য কারও হার নয়।’’

হরভজনের মতে বাংলাদেশের ক্রিকেট কর্তাদের আরও পরিণত এবং ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। প্রথমেই একতরফা ভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়ে সমস্যা সমাধানের রাস্তাই তাঁরা প্রায় বন্ধ করে দেন। আখেরে ক্ষতি হল বাংলাদেশের ক্রিকেটেরই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement