কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়াম, যেখানে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হবে। — ফাইল চিত্র।
টি২০ বিশ্বকাপে কলম্বোর পিচে খুব বেশি রান হচ্ছে না। মন্থর গতির পিচে বড় শট খেলতে সমস্যা হচ্ছে ব্যাটারদের। তবে রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে এই পিচের চরিত্র বদলে যেতে পারে। ভারতের চাপে পিচ বদলে দিতে পারে আইসিসি। এমনই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার সাকলাইন মুস্তাক।
আইসিসি-র সঙ্গে হওয়া ‘হাইব্রিড মডেল’ মেনে শ্রীলঙ্কায় টি২০ বিশ্বকাপের সব ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। সেখানে যতগুলি ম্যাচ হয়েছে, কোনওটিতেই ২০০-র বেশি রান ওঠেনি। সেটাই রবিবার বদলে যেতে পারে বলে মনে করেন সাকলাইন। পাকিস্তানের প্রস্তুতি ঘেঁটে দিতে আইসিসি ব্যাটিং-সহায়ক পিচ বানাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
পাকিস্তানের টিভি অনুষ্ঠান ‘গেম অন হ্যায়’-তে হাজির হয়েছিলেন সাকলাইন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, রবিবারের ম্যাচেও মন্থর পিচ থাকবে কি না। সাকলাইন বলেন, “এখনকার দিনে হাতে যে ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে এবং আধুনিক জ্ঞান থাকা মাঠকর্মীরা রয়েছেন, তাতে পিচ বদলে যেতেই পারে। আপনারা জানতেও পারবেন না। আমরা সকলেই জানি আইসিসি কাদের কথায় চলে।”
সাকলাইনের ধারণা, পাকিস্তান ম্যাচের আগে বিসিসিআই জোর করে পিচ বদলে দিতে পারে। তবে দিল্লিতে ভারতের অনুশীলন দেখে যা বোঝা গিয়েছে, তাতে কলম্বোয় মন্থর পিচ হবে মনে করেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত।
পাকিস্তান দলের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত উমর গুল এবং মহম্মদ হাফিজ়ের প্রশ্ন, আগের ম্যাচে কেন ফাহিম আশরফকে দিয়ে এক ওভারও করানো হল না? সাকলাইন এ প্রসঙ্গে বলেন, “উসমান তারিককে একটা ম্যাচে খেলাল ওরা। ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী হবে ও। তবে দলে দু’জন পেসার এবং একজন অলরাউন্ডার থাকলে কম্বিনেশনই বদলে যায়। নিউ জ়িল্যান্ডের জিমি নিশামের দিকে তাকান। ও হল আমাদের ফাহিম আশরফের মতো। কোনও দিন এক ওভার বল করে, কোনও দিন ২০তম ওভার বল করে। পাকিস্তানের হয়ে কে ২০তম ওভার করে? তারিক, নওয়াজ়, শাদাব না আবরার? কেউ সফল ভাবে বল করতে পারেনি। ফাহিম পেরেছে।”