বুধবারের ম্যাচে শিবম দুবে। ছবি: এক্স।
ডাগ আউটে বসে থাকতে ভাল লাগে না। এখন তিনি নিয়মিত খেলার সুযোগ পাচ্ছেন। আর এটিকেই সাফল্যের কারণ হিসাবে দেখছেন শিবম দুবে। কোচ গৌতম গম্ভীরকে তিনি এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন, আমাকে রোজ খেলান।
বুধবার নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৫ বলে অর্ধশতরান করেছেন শিবম। শেষ পর্যন্ত ২৩ বলে ৬৫ রান করে রান আউট হন। ভারত ৫০ রানে হারলেও তিনি ১৫তম ওভারে দুর্ভাগ্যজনক ভাবে রান আউট না হলে সূর্যকুমার যাদবেরা জিতেও যেতে পারতেন।
সাতটি বিশাল ছক্কা মারা শিবম ম্যাচের পর বলেছেন, নিয়মিত ম্যাচ খেলতে পারা তাঁকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং শক্তিশালী মানসিকতা তৈরি করতে সাহায্য করেছে। শিবমের ১৫ বলে অর্ধশতরান টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরির তালিকায় তৃতীয়।
শিবম বলেন, “আমি এখন নিয়মিত ম্যাচ খেলছি বলে আমার মানসিকতা আরও উন্নত হচ্ছে। আমি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যাটিং করছি। তাই জানি কী হতে চলেছে এবং বোলারেরা আমাকে কী বল করতে পারে। এটাই আমার ব্যাটিংয়ের মূল চাবিকাঠি, এবং বোলিংয়েরও। গৌতি (গম্ভীর) ভাই এবং সূর্যের (সূর্যকুমার যাদব) জন্য আমি বল করার সুযোগ পাচ্ছি।”
বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে শিবম যোগ করেন, “আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি। তবে আর একটা বিষয় আছে। আমি বোলিং এবং ব্যাটিং উভয় ক্ষেত্রেই সুযোগ পাচ্ছি। ম্যাচে সব কিছুই করছি। একেই অভিজ্ঞতা বলে। সেই অভিজ্ঞতা এখন আমার ঝুলিতে আসছে ফলে সব কিছু সঠিক পথেই এগোচ্ছে।”
আরও শক্তিশালী শিবমকে পাওয়া যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, “সবাই নিজেকে আপগ্রেড করে। আমার জন্যও সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগে যা ছিলাম, তেমনটাই থেকে যেতে পারি না। পরের ম্যাচে আরও একটু ভাল এবং চতুর হওয়ার চেষ্টা করি। শিখছি কীভাবে কৌশলী হতে হয় এবং আমার শক্তির জায়গাগুলো কোথায় ব্যবহার করা যায়। দলের চাহিদা অনুযায়ী স্পিনারদের আক্রমণ করা এবং মিডল ওভারে স্ট্রাইক রেট বাড়িয়ে দেওয়াই আমার কাজ।”
ব্যাটিংয়ের সময় কী পরিকল্পনা করেছিলেন, জানতে চাইলে শিবম বলেন, ‘‘তখন কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। আমার সহজাত প্রবৃত্তিই কাজ করছিল। ভেবেছিলাম স্পিনারদের মারা কঠিন হবে। সোধি ভাল বল করছিল। কিন্তু জানতাম ও নিজে কিছুটা ভয়ে আছে এবং খারাপ বল দেবেই। তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। সেই সময় আধিপত্য বিস্তার করতে চেয়েছিলাম এবং সেটা পেরেছি।’’
পাঁচ ম্যাচের সিরিজ় ইতিমধ্যে জিতে নিয়েছে ভারত। শনিবার তিরুঅনন্তপুরমে শেষ ম্যাচ।