কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে (বাঁ দিকে) ও সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ঈশান কিশন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ঘরের মাঠে ৬৫ রানের বড় ব্যবধানে হারল কেকেআর। পর পর দু’ম্যাচে হারল তারা।
দু’টি ছক্কা মেরে আউট নারাইন। চার বলে ১২ রান করলেন তিনি। ১৫৪ রানে কেকেআরের ৭ উইকেট পড়ল।
২৫ বলে ৩৫ রান করে আউট হলেন রিঙ্কু। ১৩৯ রানে কেকেআরের ষষ্ঠ উইকেট পড়ল।
পর পর উইকেট হারাচ্ছে কেকেআর। নীতীশ রেড্ডির বলে শূন্য রানে ফিরলেন অনুকূল। ১২০ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল কেকেআর।
গ্রিনের মতো এ বার রান আউট হলেন রঘুবংশীও। বল সরাসরি ফিল্ডারের হাতে যায়। রিঙ্কু কল করেননি। কিন্তু রঘুবংশী দৌড়ে চলে যান। আর ফিরতে পারেননি তিনি। ২৯ বলে ৫২ রান করে ফিরলেন তিনি।
পর পর দু’ম্যাচে অর্ধশতরান করলেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ২৭ বলে ৫০ পূর্ণ করেছেন তিনি।
নবম ওভারে ১০০ পার কেকেআরের। উইকেট পড়লেও লড়াই থামাচ্ছে না তারা।
আরও একটি ম্যাচে হতাশ করলেন গ্রিন। ঈশান মালিঙ্গার বলে সোজা শট মারেন রঘুবংশী। পা দিয়ে বল আটকে দেন মালিঙ্গা। তত ক্ষণে ক্রিজ় ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছেন দুই ব্যাটার। রান আউট করেন মালিঙ্গা। প্রথমে রঘুবংশী সাজঘরের দিকে ফিরলেও পরে দেখা যায়, ব্যাটারেরা ক্রস করেননি। ফলে গ্রিন আউট হন। ২ রান করেন তিনি। ৭৪ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল কেকেআর।
শুরু থেকেই রাহানের ব্যাটে-বলে হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত জয়দেব উনাদকাতের বলে আউট হলেন তিনি। ১০ বলে ৮ রান করেছেন রাহানে। ৬৭ রানে কেকেআরের দ্বিতীয় উইকেট পড়ল।
চতুর্থ ওভারে ৫০ পার হল কেকেআরের। ২২৭ রান তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করেছে তারা।
প্রথম ওভারে ২৪ রান করেছিলেন অ্যালেন। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারে হর্ষ দুবের ভাল ক্যাচে ফিরলেন তিনি। ৮ বলে ২৭ রান করলেন অ্যালেন। ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারাল কেকেআর।
ইনিংসের শেষ বলে নিজের চতুর্থ উইকেট নিলেন মুজ়ারাবানি। ২২৬ রানে শেষ হল হায়দরাবাদের ইনিংস। অর্থাৎ, কেকেআরের সামনে লক্ষ্য ২২৭ রান।
অর্ধশতরান করেই আউট ক্লাসেন। ম্যাচের তৃতীয় উইকেট নিলেন মুজ়ারাবানি। ২২২ রানে হায়দরাবাদের সপ্তম উইকেট পড়ল।
৩৪ বলে অর্ধশতরান করলেন ক্লাসেন। শেষ দিকে হায়দরাবাদকে ভাল রানে নিয়ে গেলেন তিনি।
সলিল অরোরাকে প্রথম বলেই বোল্ড করলেন বৈভব। পর পর দু’বলে উইকেট নিলেন তিনি। ২০০ রানে হায়দরাবাদের ষষ্ঠ উইকেট পড়ল।
জুটি ভাঙলেন বৈভব অরোরা। ২৪ বলে ৩৯ রান করে আউট নীতীশ। ২০০ রানে হায়দরাবাদের পঞ্চম উইকেট পড়ল।
অভিষেকের ভাল ক্যাচ ধরলেও নীতীশ রেড্ডির ক্যাচ ফস্কালেন বরুণ। ফলে জুটি ভাঙতে পারল না কেকেআর।